ইউনাইটেডে পগবা-লুকাকু বন্ধু যখন সতীর্থ - GBnews24
Bangla News
Add Post
Menu
Games
8 1 8 Best strategy game


ইউনাইটেডে পগবা-লুকাকু বন্ধু যখন সতীর্থ

ম্যানচেস্টারে দুজনের বাসা খুব কাছাকাছি। দুজনই সমবয়সী। একসঙ্গে সময় কাটানো, অনুশীলন-ম্যাচের বাইরের সময়ে আড্ডা...পল পগবা ও রোমেলু লুকাকুর সম্পর্কটা আর দশজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মতোই। ক্লাব মৌসুমের ব্যস্ততা শেষে এবার দুজন একসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে গিয়েছিলেন ছুটি কাটাতে। বন্ধুত্বটা এবার আরও এক ধাপ সামনে গড়াচ্ছে, দুই বন্ধুই আগামী মৌসুমে খেলবেন একই জার্সিতে।

পগবা গত মৌসুমেই দলবদলের বিশ্ব রেকর্ড গড়ে জুভেন্টাস থেকে ফিরেছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে, এবার ফ্রেঞ্চ মিডফিল্ডারের সঙ্গী হলেন লুকাকুও। বিশ্ব রেকর্ড না হোক, ইংল্যান্ডের রেকর্ড গড়ে। এভারটন থেকে বেলজিয়ান স্ট্রাইকারকে আনতে ৮৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন ইউরো খরচ হচ্ছে ইউনাইটেডের, দুটি ইংলিশ ক্লাবের মধ্যে দলবদলে যা রেকর্ড।

এভারটন ছেড়ে ইউনাইটেডে কেন এলেন লুকাকু, সে হিসাব কষতে বিশেষজ্ঞ হতে হয় না। তাঁকে ফেরাতে আগ্রহী ছিল চেলসিও। কথাবার্তাও অনেকটা এগিয়ে গিয়েছিল। তবু শেষ মুহূর্তে মন বদলাল কেন? বন্ধু পগবা যে সেখানে! ইউনাইটেডের অফিশিয়াল টিভি চ্যানেলেই লুকাকু দুই দিন আগে বলেছিলেন, ‘ওকে ইউনাইটেডে আসতে দেখার পরই আমার মাথায় এটা কাজ করতে শুরু করল। জানতাম, যদি কোনো দিন আমার এমন (ইউনাইটেডে) সই করার সুযোগ আসে, আমি না বলব না।’

ইউনাইটেডে এলেন লুকাকু, গত পরশু যুক্তরাষ্ট্রে প্রাক্‌-মৌসুম প্রস্তুতিতে দলের সঙ্গে যোগও দিয়েছেন। দুজনের বন্ধুত্ব কতটা গভীর, সেটি উঠে এল ইএসপিএনে একই সঙ্গে দুজনের সাক্ষাৎকারেও। লুকাকুর দলবদল নিয়ে পগবা যেমন বললেন, ‘জানতাম, এমনটা একদিন হবেই। কখন, কোথায় হবে জানতাম না। তবে এখন সেটা হচ্ছে।’ লুকাকুও খুশি, ‘সবচেয়ে ভালো বন্ধুদের একজনের সঙ্গে একই দলে খেলা তো সব সময়ই আনন্দের।’

বন্ধুত্বের শুরু দুজনে ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ থাকার সময়টাতে। লুকাকু যখন চেলসির যুবদলে, আর পগবা ইউনাইটেডের। লুকাকুই বললেন, ‘স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে প্রথম দেখা হয়েছিল আমাদের, যখন ইউনাইটেড খেলেছিল চেলসির সঙ্গে। ম্যাচের পর কথা বলেছিলাম, একে অন্যের ফোন নম্বর নিয়েছিলাম। এর পরের বছর ও জুভেন্টাসে গেল, ওর ঝলক দেখাল। আমি ওয়েস্ট ব্রমে গিয়ে প্রিমিয়ার লিগ ফুটবলের স্বাদ পেলাম।’

তা দুই বন্ধুর আলোচনাটা আর শুধুই ফুটবলে থাকে কেন! সেটি র‍্যাপ গান হয়ে ঘুরে এল ক্যারিয়ার শেষে কোচিংয়ে কে ভালো করবেন, সেদিক থেকেও। দুজনেরই র‍্যাপ গান পছন্দ। ফুটবলের বাইরের সময়টাতে একে অন্যের বাসায় গিয়ে নাকি ঘণ্টা দেড়-দু-একও টানা বাদ্যবাজনার সঙ্গে র‍্যাপ করেন। তা গানের গলা ভালো কার? লুকাকুর সরল স্বীকারোক্তি, সেটি পগবা। আবার ফুটবল ছাড়ার পর কোচিংয়ে গেলে কার ভূমিকা কী হবে, সে আলোচনায় বন্ধুর প্রশংসা ঝরল পগবার কণ্ঠে, ‘ওর বিশ্লেষণ ভালো

© Copyright 2017 By GBnews24.com LTD Company Number: 09415178 | Design & Developed By (GBnews24 Group ) ☛ Email: gbnews24@gmail.com

United States   USA United States