পতিতার দালালের অভিশপ্ত জীবন - GBnews24
Bangla News
Add Post
Menu
Games
8 1 8 Best strategy game


পতিতার দালালের অভিশপ্ত জীবন

যখন বুঝলাম, তখন সব শেষ। জীবন সায়াহ্নে এসে এখন একাকিত্ব জীবন। স্ত্রী-সন্তান কেউ আমায় ডাকে না। কেউ আমাকে আদর করে কাছে টানে না। ভাইবোন সবাই দুর দুর করে তাড়িয়ে দেয়। নির্ঘুম রাত কাটাই। চিন্তা করি, এটাই আমার জীবনে পাওয়া ছিল। এটাই আমার শাস্তি। এর চেয়ে বড় শাস্তি এলেও মাথা পেতে নেবো। কারণ আমি জীবনের ছত্রিশটি বছর কোনো ভালো কাজ করিনি। কত মেয়ের জীবনকে অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছি এর হিসাব নেই। আমার হাত ধরে পতিতার খাতায় নাম লিখিয়েছে এমন অনেক নাম আমার জানা। এক নামে আমাকে পতিতার দালাল হিসেবে চিনে রাজধানীর আবাসিক হোটেল মালিকরা। পুলিশের খাতায়ও আমার নাম আছে। তফা বললে সবাই চেনে আমায়। আশির দশকের শুরুতে ঢাকায় আসি। কোথাও কোনো আত্মীয়স্বজন নেই। স্থান হয় গুলিস্তান। রাতে সেখানেই থাকি। এখন যেখানে নাট্যমঞ্চ হয়েছে সে জায়গায় একটি পুকুর ছিল। ওই পুকুরে গোসল করতাম। এর পাশে ঝুপড়ি ঘরে থাকতাম। এভাবে ক’দিন যাওয়ার পর কাপ্তান বাজারের পাশেই একটি আবাসিক হোটেলে বয়ের কাজ পাই। রাতে কাস্টমাররা আসেন। তাদের সেবা-যত্ন করাই আমার কাজ। ক’দিন যেতে না যেতেই বুঝতে পারি সেবার মধ্যে মেয়ে সাপ্লাইও দিতে হয়। আর এ জন্য হোটেলের কিছু নির্দিষ্ট পতিতা রয়েছে। তবে নতুন নতুন মেয়ে হলে কাস্টমার খুশি হয়। এ কারণে নতুন মেয়ে খুঁজতে হতো। ঢাকায় তখন অনেক মেয়ে আসতো কাজের সন্ধানে। তাদের কাউকে পটিয়ে, কাউকে বুঝিয়ে, কাউকে জোর করে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হতো। আবার কেউ কেউ ইচ্ছা করেই আসতো। রাত নেই, দিন নেই কাস্টমারের বিছানায় ঠেলে দেয়া হতো তাদের। এতে ওরাও টাকা পেতো। আমিও পেতাম। হোটেল মালিক তো পেতোই। এভাবেই চলছিল জীবন। কখনো পুরান ঢাকা, কখনো মগবাজার, কখনো কাওরান বাজার, কখনওবা সেগুনবাগিচার হোটেলে কাজ করি। ক’বছর যেতে না যেতেই সবার কাছে পরিচিত হয়ে উঠি। আমার মতো এমন পতিতার দালাল ঢাকার হোটেলগুলোতে অনেক আছে। পতিতার দালালি করতে করতেই এক পতিতাকে বিয়ে করে ফেলি। বিয়ের পর আর তাকে ওই কাজে পাঠাইনি। এখন আমার দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। তারা বড় হয়েছে। কয়েক বছর ঢাকায় রাখার পর তাদের শ্বশুরবাড়ি কিশোরগঞ্জ পাঠিয়ে দেই। আমার ছায়া যেন আমার সন্তানদের উপর না পড়ে সে চিন্তায় তাদের দূরে ঠেলে দেই। সপ্তাহে-দু’সপ্তাহে একবার বাড়ি যাই। স্ত্রী-সন্তানকে সময় দেই। পতিতাকে ভালোবেসে বিয়ে করার কাহিনী বলতে গিয়ে তফা বলেন, ও সবেমাত্র এ লাইনে পা দিয়েছে। ঢাকায় এসেছিল কাজের সন্ধানে। কিন্তু আমার ফাঁদে পড়ে পতিতার খাতায় নাম লেখায়। ও যেদিন সতীত্ব হারায় আমি দেখেছি ওর কান্না। ওর চিৎকারে মনে হয়েছিল আকাশ-বাতাস পর্যন্ত কাঁদছিল। আমি সহ্য করতে পারিনি। ওর হাত ধরে নিয়ে যাই কাজী অফিসে। সেখানে বিয়ে করি। তারপর বাসাভাড়া নেই বাড্ডা এলাকায়। প্রথম সন্তান হওয়ার পরই ওকে আর ঢাকায় রাখিনি। কিশোরগঞ্জ পাঠিয়ে দেই। সত্যি বলতে কি-একবার যারা এ পথে পা বাড়ায় তারা আর

Related News

See more
28.Fri - Apr 11:04:30 pm
Updated news:চাঁপাইনবাবগঞ্জে একসঙ্গে দুই শিশু নিখোঁজ : একজন আটক
28.Fri - Apr 11:04:30 pm
Updated news: চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদালয়ের শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠান
28.Fri - Apr 11:04:30 pm
Updated news কার কথা ঠিক , নিহত এস আই আকরামের স্ত্রী বর্ণি বাবুল আক্তারের বাড়িতে পুলিশ হত্যার রহস্য স্ত্রীর পরকীয়া
28.Fri - Apr 11:04:30 pm
updated মৌলভীবাজারে প্রয়াত সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর ৬৮তম জন্মদিন পালিত
28.Fri - Apr 11:04:30 pm
updated :মৌলভীবাজার জেলা পর্যায়ে জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
28.Fri - Apr 11:04:30 pm
Updated :মৌলভীবাজার  কাশীনাথ আলাউদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের শতবর্ষ পূর্তি ও পুনর্মিলনী উৎসবের উদ্ভোধন
28.Fri - Apr 11:04:30 pm
UPdate: সাংবাদিক পিংকির নামে ফেইসবুকে আবার ও ফেইক আইডি।
28.Fri - Apr 11:04:30 pm
Update News: ১৫ বছর পর সাতক্ষীরায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার বাদীর জবানবন্দী গ্রহণ
28.Fri - Apr 11:04:30 pm
Rain dominates cricket match- Sri Lanka v Bangladesh
28.Fri - Apr 11:04:30 pm
Bangladesh cricket team determined
© Copyright 2017 By GBnews24.com LTD Company Number: 09415178 | Design & Developed By (GBnews24 Group ) ☛ Email: gbnews24@gmail.com

United States   USA United States