মুক্ত সাংবাদিকতার হুমকি ৫৭ ধারা বাতিলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি - GBnews24
Bangla News
Add Post
Menu
Games
8 1 8 Best strategy game


মুক্ত সাংবাদিকতার হুমকি ৫৭ ধারা বাতিলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি

 


-এম আরমান খান জয়
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, বড় কষ্ট ও বেদনা নিয়ে আপনার উদ্দেশে এই নিরুপায় কলম তুলে নিয়েছি। শুরুতেই না বললে নয় বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বের বিস্ময়। আর এই বিস্ময় বাংলাদেশের ম্যাজিকের রূপকার আপনি বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি মুক্ত সাংবাদিকতার হুমকি ৫৭ ধারা বাতিল সহ মফস্বল সাংবাদিকদের জন্য সরকার কর্তৃক সুবিধা প্রদান করে এবং প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা প্রনয়ন করে আরেকটি অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করবেন বলে আশা রাখি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে তৃতীয় বিশ্বের একজন অসহায় মফস্বল সাংবাদিকের ফরিয়াদ পৌঁছানোর উপায় হয়তো একমাত্র গণমাধ্যমই। আমার এই ফরিয়াদ আপনার কাছে আদৌ পৌঁছাবে কিনা, এই লেখাটি আপনি পড়বেন কিনা, আপনাকে কেউ বলবে কিনা, আপনার টেবিলের দৈনন্দিন পেপার কিপিংয়ে এর স্থান হবে কিনা আমি জানি না। তবু কবি কামাল চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত পক্তিমালা’ কবিতা ‘তুমি পড়বে না জানি তবু এই চিঠি পাঠিয়ে দিলাম’ স্মরণ করে এই লেখাটি লিখছি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
শুরুতেই বলতে চাই আওয়ামী লীগ সরকারকে সব সময় মিডিয়ার বন্ধু হিসেবেই বিবেচনা করা হয়৷ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনি নিজে ও ‘মিডিয়া ফ্রেন্ডলি'৷ মাঝে মধ্যেই আপনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন৷ অনেক বড় বড় দেশের সরকার প্রধানরাও সরাসরি ‘প্রেস কনফারেন্সে' আসতে ভয় পান! আবার অনেক সরকার প্রধান মিডিয়া এড়িয়ে চলেন৷ কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী সরাসরি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন৷ একজন সাংবাদিক নেতাকে তো তিনি মিডিয়া উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগও দিয়েছেন,যাতে সরাসরি সাংবাদিকদের কথা তিনি জানতে পারেন বা শুনতে পারেন৷ এমন একজন প্রধানমন্ত্রীর সময়ে মুক্ত সাংবাদিকতার হুমকি ৫৭ ধারা চিন্তা করা তো সত্যিই কঠিন!
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
সাংবাদিকদের বলা হয় জাতির বিবেক। আর গণমাধ্যম হচ্ছে সমাজের দর্পণ। এ সাহসী পেশায় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অকালে প্রাণ হারিয়েছেন অনেক সাংবাদিক। অনেকে হয়েছেন নির্যাতিত, হয়েছেন হয়রানির শিকার। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাংলাদেশসহ বিশ্বের সাতাশটি দেশে এখন পর্যন্ত হত্যা করা হযেছে ৯০ জন সাংবাদিককে। তাহলে সাংবাদিকদের কলম কি কখনো স্বাধীনতা পাবে না? একজন সাংবাদিকের দোষ কি তাহলে সত্য তুলে ধরা? জতির বিবেক হয়ে যদি দেশের মাটিতে স্বাধীনতা না থাকে তাহলে কি করে চলবে এ কলম? রাষ্ট্রযন্ত্র কেনই বা সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি আমলে নেয় না?
এদিকে কয়েকদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে ৫৭ ধারা আইন ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট। এই আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সস্প্রচার করেন, যা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেউ পড়লে, দেখলে বা শুনলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হতে উদ্বুদ্ধ হতে পারেন অথবা যার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উসকানি প্রদান করা হয়, তাহলে তার এই কার্য হবে একটি অপরাধ। এই অপরাধের জন্য অনধিক ১৪ বছর ও নৃ¤œ ৭ বছর কারাদন্ধ এবং অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদন্দ দেওয়া যাবে। ২০০৬ সালে আইসিটি আইন প্রণয়ন করা হয়। ২০১৩ সালে আইনটি সংশোধন করা হয়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
একজন প্রকৃত সাংবাদিক সব সময় দেশের সংবিধান ও আইন মেনেই চলেন। আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন কোন খবর তৈরি করেন না। এখানে একটা কথা না বলে পারছি না, সমাজে কিছু হলুদ সাংবাদিক রয়েছে। এদের কারণেই দেশের রাষ্ট্র, সরকার ও জনগণের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। আর এদের কারণেই আজকের এই ৫৭ ধারা।
আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, সাংবাদিকরা কোন কালেই কারো প্রতিপক্ষ ছিলেন না। এখনও নেই এবং আগামীতেও থাকবে না। সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যত বিনির্মাণের লক্ষ্য নিয়েই তারা এই শঙ্কাকুল পেশায় কাজ করেন। রাষ্ট্রযন্ত্রকেও মাথায় রাখতে হবে যে, সাংবাদিকরা দুরন্ত সাহস নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেন। এজন্যই নানা অনিয়ম-দুর্নীতি রুখে দেওয়া যায়। জনগনের অর্থ লোপাট বন্ধ হয়। গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত থাকে। জনকল্যাণ নিশ্চিত করা যায়। সরকারের উচিত হবে, দেশের স্বার্থে সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে অনুধাবন করা।
এদিকে সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘৩৯। (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল। (২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।’ আইনজীবীদের মতে, সংবিধানের ওই অনুচ্ছেদের ২(ক)-এর সঙ্গে আইসিটি আইনের ৫৭ ধারা সাংঘর্ষিক। এখানে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আইসিটি আইনে তাতে বাধা দেওয়া হয়েছে।
আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েবসাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুন্য হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানি প্রদান করা হয়, তাহা ইহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ।’ ‘(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক চৌদ্দ বৎসর এবং অন্যূন সাত বৎসর কারাদন্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদন্ড দন্ডিত হইবেন।’ অন্যদিকে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(৩) ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোন ব্যক্তি ইন্টারনেট বা ওয়েবসাইট বা মোবাইল ফোন বা অন্য কোন ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে পর্নোগ্রাফি সরবরাহ করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ধ- এবং ২,০০,০০০ (দুই লক্ষ) টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ডিত হইবেন।’ আইনজ্ঞদের মতে, একই ধরনের অপরাধে দুই আইনে দন্ডের এমন পার্থক্য এক ধরনের বৈষম্য। একই সঙ্গে এটা সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
বর্তমান সময়ে সাংবাদিকতার ধারা অনেকটাই পাল্টে গেছে৷ এখন এখানে যাঁরা কাজ করেন তাংদের অধিকাংশই কোনো না কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে এসেছেন৷ অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় তাঁদের দারুণ আগ্রহ৷ বিশেষ করে ক্ষমতাসীনদের অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য খুঁজে বের করতে মনোযোগ বেশি তাঁদের৷ কিন্তু অদৃশ্য এক চাপের কারণে এ সব সাংবাদিকরা দৈনন্দিন রিপোর্ট করেই দিন শেষ করছেন৷ তারপর আবার মাথার উপর রয়েছে তথ্য-প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা, যেটি বাতিলের জন্য আন্দোলন হলেও কোনো কাজ হয়নি৷ ফেসবুকে একটি ‘পোস্ট' দেয়ার কারণে কিছু দিন আগে গ্রেপ্তার হতে হয়েছে সাংবাদিক প্রবীর শিকদারকে৷ বিএনপি-জামায়াত আমলের নির্যাতনে পঙ্গুত্ব বরণ করেন তিনি৷ আজ আওয়ামী লীগের শাসনামলেও তাঁকে কারাগারে যেতে হয়েছে৷ পঙ্গু হলেও জিজ্ঞাসাবাদের নামে তাঁকে রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ৷ হাতে লাগিয়েছে হাতকড়া! এভাবে অনেক সাংবাদিককে কারাগারে যেতে হয়েছে৷ এখন আবার রাজনৈতিক কর্মীদের হাতেও চলে যাচ্ছে ‘অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড'৷ সর্বশেষ ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে সাংবাদিকদের অনুমতি দিতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন ‘আবিষ্কার' করে যে, বহু রাজনৈতিক কর্মীর হাতে রয়েছে এই ‘অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড'৷ বিভিন্ন অখ্যাত দৈনিক বা অনলাইনের নামে তাদের এই কার্ড দেয়া হয়৷‘অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড থাকলে নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের অনুমতি দিতে অনেকটাই বাধ্য নির্বাচন কমিশন৷ ফলে জেনে বুঝেও নির্বাচন কমিশনকে ওই রাজনৈতিক কর্মীদের সাংবাদিকের কার্ড দিতে হয়েছে৷
বাংলাদেশে সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন নিয়ে কাজ করে ‘আর্টিকেল নাইনটিন' নামের একটি সংস্থা৷ গত ১লা মে প্রকাশ করা তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৪ সালে বাংলাদেশে অনলাইন ব্যবহারকারী ও সাংবাদিকদের ওপর মোট ২১৩টি হামলার ঘটনা ঘটেছে৷ এর মধ্যে রয়েছেন ২০৫ জন সাংবাদিক ও আটজন ব্লগার৷ প্রতিবেদনে বেশ কয়েকটি বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়৷ সেগুলো হলো – চারজন সাংবাদিককে হত্যা, ৪০ জনের ওপর গুরুতর শারীরিক আক্রমণ এবং ৬২ জনের ওপর ছোটোখাটো হামলা৷সব কিছু মিলিয়ে খুব একটা ভালো সময় পার করছেন না বাংলাদেশের সংবাদ কর্মীরা৷ কয়েকদিন আগে সংসদে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘মিডিয়া মনিটরিংয়ের জন্য আমাদের একটা টিম আছে৷ সংবাদপত্র স্বাধীন হলে মনিটরিং টিমের দরকার কেন? মিডিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণারোপ করে কোনো সরকারই লাভবান হতে পারেনি৷ এক সময় এর বিস্ফোরণ ঘটেই! তাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি সরকারেরই৷''
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আমাদের বাকস্বাধীনতা ৫৭ ধারায় আটকে গেছে যেখান থেকে বের হওয়ার সাহস বা শক্তি আমাদের নেই, এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই আমরা বাকপ্রতিবন্ধী জাতিতে পরিণত হবো৷
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি আমাদের অভিবাবক, আপনি আমাদের সকলের ভাল চান, দেশের মানুষের ভাল চান তাই ব— আশা করি এই বেদনাহত সাংবাদিক এবং ছোট ভাইটির আবেদনে সাড়া দিয়ে আপনি মুক্ত সাংবাদিকতার হুমকি ৫৭ ধারা বাতিল সহ মফস্বল সাংবাদিকদের জন্য সরকার র্কর্তৃক সুবিধা প্রদান করে এবং প্রকৃত সাংবাদিকদের তালিকা প্রনয়ন করে আরেকটি অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করবেন। পরিশেষে আপনার সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করে আপনার সুচিন্তিত উত্তরের অপোয়।     

Related News

See more
23.Sun - Jul 10:07:54 am
Windows multimedia গ্রুমিং স্কুল ও স্টুডিও এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট নতুন করে শুরু হয়েছে।
23.Sun - Jul 10:07:54 am
Updated news:চাঁপাইনবাবগঞ্জে একসঙ্গে দুই শিশু নিখোঁজ : একজন আটক
23.Sun - Jul 10:07:54 am
Updated news: চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদালয়ের শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠান
23.Sun - Jul 10:07:54 am
Updated news কার কথা ঠিক , নিহত এস আই আকরামের স্ত্রী বর্ণি বাবুল আক্তারের বাড়িতে পুলিশ হত্যার রহস্য স্ত্রীর পরকীয়া
23.Sun - Jul 10:07:54 am
updated মৌলভীবাজারে প্রয়াত সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর ৬৮তম জন্মদিন পালিত
23.Sun - Jul 10:07:54 am
updated :মৌলভীবাজার জেলা পর্যায়ে জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
23.Sun - Jul 10:07:54 am
Updated :মৌলভীবাজার  কাশীনাথ আলাউদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের শতবর্ষ পূর্তি ও পুনর্মিলনী উৎসবের উদ্ভোধন
23.Sun - Jul 10:07:54 am
UPdate: সাংবাদিক পিংকির নামে ফেইসবুকে আবার ও ফেইক আইডি।
23.Sun - Jul 10:07:54 am
Update News: ১৫ বছর পর সাতক্ষীরায় শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলার বাদীর জবানবন্দী গ্রহণ
23.Sun - Jul 10:07:54 am
Up: মৌলভীবাজার সামাজিক সংগঠন তারুন্য-The Youth এর বেতিক্রম আয়োজন ৫ই মে।
© Copyright 2017 By GBnews24.com LTD Company Number: 09415178 | Design & Developed By (GBnews24 Group ) ☛ Email: gbnews24@gmail.com

United States   USA United States