Beauty Tips - GBnews24
Beauty Tips
Add Post

The 10 step guide towards clearer skin- My personal Journey
The 10 step guide towards clearer skin- My personal Journey

Do you feel like everyone else in the world has been blessed with perfect skin but you unfortunately have not?

I myself luckily had no issues with spots or pimples throughout my teenage years.

However when I hit my 20s... Well it was a different story. I had constant breakouts.

These spots weren't small either my sisters would actually name them. 1 huge pimple on my cheek was famously named dotty!

It sounds funny but it was such a horrible time for me.

Breakouts can really affect our self-esteem and confidence. Our face is on constant show to the world and having spots makes us feel paranoid. I remember feeling really low and I wouldn't want to go out to events or socialise.

So what can be done to fix this problem?

  1. Wash your face- Yes this may seem very obvious but a skin care routine and hygiene is essential. Make sure you have a face towel which you change regularly. I use the sponges from Superdrug’s. They are amazing because they remove dirt and dead skin. Wash your face at least twice a day.

2. Do not use makeup wipes. If you do use face wipes please check that they aren't fragranced as this can irritate your skin. You can use cotton wool and coconut oil to remove your makeup. I recently purchased coconut oil from Holland and Barrett’s. It is a lifesaver! I use it on my hair and skin. This may take longer than wipes but leaves your skin feeling incredibly soft.

 

  1. Use a face scrub. Everyone's skin is different so try find 1 that best suits your face. My skin is in between dry and oily. I absolutely adore the Clean and Clear Morning energy Skin Brightening Daily Face scrub. This face scrub genuinely wakes me up and brightens my morning. The smell is great too plus I love using lemony products on my skin. This is also oil free.

 

  1. Use a face cleanser. I use the Garnier Skin Naturals Micellar Cleansing Water. This is the last step to my skincare routine. My face feels so soft and clean after I use this.

4. If you do have a spot/pimple please do not add make up on top of it! Now this is very important. Adding on makeup on top of spots not only highlights your spots but also irritates your skin and makes it worse.

5. Have no make-up days. Please let your skin breathe. This is very important for those who apply makeup before work. Makeup clogs your pores and your skin will not get any better. I am speaking from personal experience. Makeup is also something that gives us confidence. I now feel confident enough to go outside/work without makeup. I do love wearing make-up but I also enjoy not wearing it too. Plus Air conditioning, heaters, air pollution all oxidises your face. This ends up making your skin looking grey by the end of the day. Having no makeup on almost provides me with a sense of freedom, I just feel more comfortable in my skin. I think it is also a psychological thing, I personally feel when I have makeup on I have a mask on.

6. Drink lots of water. This is a boring obvious one. Nevertheless it is true. I used to drink lots of sugary drinks because I would feel stressed out at work and would want a quick burst of energy. However my face ended up paying the price. Sugary drinks don't realy quench your thirst like water does. 60% of our body is made up of water so we need to consume a lot. I always keep my water bottle hand with. My skin not only looks good but I also feel less stressed. Another upside is that water is very good for constipation or urine infections. The benefits of water are endless.

7. Take daily showers/baths. Now I know this is a weird 1. But hygiene is very important simple as. The heat is also good for your face as it exfoliates it and opens up your pores.

8. Use a facemask at least once a week. I love having a pamper session at least once a week. It is good to relax and de stress, as stress can cause breakouts. The L’Oréal clay masks are very popular at the moment. I use the pure clay glow mask. It got rid of my blackheads and gave me a glow. There are so many difference masks so research and see which 1 would suit your face.

9. Mosturise- I use Astral (such an obvious Bengali cream) I find that it suits my skin.

10. Learn to self-love - We are all different and that is what makes us all special. Avoid comparing your skin to others especially models and actresses. In this age of filters and photoshop who knows what is real anymore? Inner happiness is the key to confidence as it shines through even if your face isn't looking the greatest. Stressing about it isn't going to make your skin better, in fact it may lead to it getting worse. Models are taught to look in the mirror and say 'I love you' to themselves just to boost their self-esteem and confidence.

 

 

Hope this helped with anyone suffering with breakouts. This is from my personal experience I also forgot to add a good diet is essential. Sugary drinks and junk food will clog up your pores and lead to nasty breakouts. Good luck on your journey to clear skin!

 

Source: Myself

T.S

ডিমের খোসায় রূপচর্চা
ডিমের খোসায় রূপচর্চা

ডিমের খোসা কী করেন আপনি? নিশ্চয় ফেলে দেন। এখন থেকে আর ফেলে দেবেন না। ডিমের খোসার অনেক গুণ! যে খোসাকে এতকাল ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলেছেন, তা নাকি রূপচর্চার কার্যকরী সামগ্রী!

 

তবে রূপচর্চার কাজে ব্যবহার করার আগে ডিমের খোসাকে সেই কাজের উপযুক্ত করে তুলতে হবে। তার জন্য রয়েছে ৩ ধাপের প্রস্তুতি-

 

১) ডিমের খোসার ভিতরে খুব পাতলা এক অর্ধ-ভেদ্য (সেমি-পার্মিয়াবেল) পর্দা (মেমব্রেন) থাকে। সেটি বের করে নেওয়া দরকার। বেসিনে কল চালিয়ে জলে ভালো করে ধুয়ে নিন ডিমের খোসা। ভালো করে পরিষ্কার করুন ভিতরটাও।

 

২) একটি কাচের বাটিতে পরিষ্কার ডিমের খোসা নিন। ভালো করে গুঁড়ো করুন। গ্রাইন্ডারের সাহায্যে গুঁড়ো করতে পারেন।

 

৩) এবার মাইক্রোওয়েভে ১৫০ ডিগ্রি ফ্যারেনহাইটে ১০-১৫ মিনিট ধরে রাখুন। দেখবেন, গলে পেস্টের মতো হয়ে গেছে।

 

এবার আসল কাজ। কীভাবে রূপচর্চার কাজে ব্যবহার করবেন ডিমের খোসার গুঁড়ো? অন্তত ৫ পদ্ধতিতে এই গুঁড়ো ব্যবহার করতে পারেন-

 

১) ফেসমাস্ক- ডিমের খোসার গুঁড়োকে আরও মিহি করে গুঁড়ো করে নিন। একটি ডিম ফেটিয়ে কুসুম আলাদা করুন। সাদা অংশটির সঙ্গে ডিমের খোসার গুঁড়ো মেশান। ভালো করে ফেটিয়ে নিন। সারা মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের পুষ্টি জোগাতে এই মাস্ক দারুণ কার্যকরী।

 

২) অল্পবয়সী লুক পেতে- অনেকের মুখে অল্প বয়সেই বলিরেখা দেখা যায়। ডিম ফাটিয়ে কুসুম আলাদা করে সাদা অংশের সঙ্গে ডিমের খোসার গুঁড়ো মিশিয়ে সারা মুখে লাগান। ভালো করে আঙুল দিয়ে ম্যাসাজ করুন। বলিরেখা উধাও হবে ধীরে ধীরে।

 

৩) ত্বকের জৌলুস বৃদ্ধি- ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ডিমের খোসার গুঁড়ো মিশিয়ে লাগালে ত্বকের জৌলুস ফিরে আসতে পারেন। আঙুল দিয়ে ৩-৪ মিনিট ম্যাসাজ করুন গোটা মুখ। চকচক করবে ত্বক।

 

৪) ত্বকের ইরিটেশন মেটায়- কোমল ও সেনসিটিভ ত্বকে ব্রণ, ফুসকুড়ি লেগেই থাকে। সামান্য কারণে ত্বক ফুলে যায়। এই সমস্যা মেটাতে পারে ডিমের খোসার গুঁড়ো। এক বোতল অ্যাপেল সিডার ভিনিগারে ডিমের খোসার গুঁড়ো ভিজিয়ে রাখুন ৪-৫দিন। এরপর সেই মিশ্রণে তুলো ভিজিয়ে নিয়মিত সারা মুখে লাগান। ত্বকের সমস্যা মিটে যাবে।

 

৫) ঝকঝকে দাঁত- অনেক কারণে দাঁত হলদেটে হয়ে যায়। কালো দাগ হয়। হাসলে দেখতে খারাপ লাগে। কমফ্রে শিকড়ের সঙ্গে ডিমের খোসার গুঁড়ো মিশিয়ে দাঁতে ঘষুন। দাঁতের স্বাভাবিক সাদাভাব ফিরে আসবে। ঝকঝক করবে।

 

রূপচর্চায় চালের গুড়া
রূপচর্চায় চালের গুড়া

চালের গুড়া খাবার উপাদান হিসেবে নয় এখন রূপচর্চায়ও এটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। পরিবেশ দুষণের প্রভাব, ঘাম, তেল মিলে মুখের অবস্থা একদম ম্লান তেলতেলে করে রাখে। এই অবস্থা থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাওয়া যায় চালের গুড়ার নিয়মিত ব্যবহার। জেনে নিন চালের গুড়ার কয়েকটি প্যাকের কথা। 

 

* চালের গুড়া, আটা ও দুধের মাস্ক: এক চা চামচ চালের গুড়া, এক চা চামচ আটা, এক চা চামচ গুড়া দুধ/ দুই চা চামচ লিকুইড দুধ ভাল করে মিশাতে হবে। এরপর মুখ ভাল করে ধুয়ে মিশ্রণটা মুখে ও গলায় লাগিয়ে রাখতে হবে ২০ মিনিট। তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে ভালো করে।  সপ্তাহে  ২/৩ লাগাতে হবে মাস্কটা। 

 

* চালের গুড়া, মুলতানি মাটি ও টমেটোর মাস্ক: এক চা চামচ চালের গুড়া, আধা চা চামচ মুলতানি মাটি, অর্ধেকটা টমেটোর রস এক সাথে ভালো করে মেশাতে হবে। এবার মুখ ধুয়ে মাস্কটা মুখে ও গলায় লাগাতে হবে। ২০ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে। এটি আপনার স্কিনের অতিরিক্ত তেল দূর করবে আর স্কিন উজ্জ্বল করবে ভীষণ রকম। এই মাস্কটিও সপ্তাহে ২/৩ দিন লাগাতে হবে।

 

* চালের গুড়া ও অ্যালোভেরা মাস্ক: এই মাস্কটি খুব ভালো এক্সফলিয়েটিং প্যাক হিসেবে কাজ করে। স্কিনের মরা চামড়া দূর করে খুব কার্যকরী। এক চা চামচ চালের গুড়া, দুই চা চামচ অ্যালোভেরার রস নিয়ে মিক্স করে মুখে লাগিয়ে রাখতে হবে ২০ মিনিট। পরে মুখ পানি দিয়ে ভিজিয়ে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে করে মাস্ক তুলে ফেলতে হবে। সপ্তাহে দুই বার করলেই হবে। 

 

The 10 benefits of coconut oil
The 10 benefits of coconut oil

Coconut oil is one of the few foods that can be classified as a “superfood.”

Its benefits include weight loss, better brain function, skin health and many more.

Here are 10 impressive health benefits of coconut oil.

1. Coconut Oil Contains Fatty Acids With Powerful Medicinal Properties

 

2. Populations That Eat a Lot of Coconut Oil Are Healthy

3. Coconut Oil Can Help You Burn More Fat

4. Coconut Oil Can Kill Harmful Microorganisms

5. Coconut Oil Can Reduce Your Hunger, Helping You Eat Less

6. The Fatty Acids in Coconut Oil Are Turned into Ketones, Which Can Reduce Seizures

7. Coconut Oil Can Improve Blood Cholesterol Levels

8. Coconut Oil Can Protect Hair Against Damage, Moisturize Skin and Function as Sunscreen

9. The Fatty Acids in Coconut Oil Can Boost Brain Function in Alzheimer’s Patients

10. Coconut Oil Can Help You Lose Fat, Especially The Harmful Abdominal Fat

Source: Authority nutrition

T.S

বিশেষ পোশাকে বিশেষ হতে
বিশেষ পোশাকে বিশেষ হতে

নগরজীবনে আপাতত শীত মানে সকাল বা রাত! নগরে শীত কম, তাই বলে শীতকেন্দ্রিক আয়োজনের যেন কমতি নেই। কম ঠাণ্ডায় পরার উপযোগী করেই বানানো হচ্ছে এ সময়ের শীতের পোশাক। আর ট্রেন্ডও বদলে যাচ্ছে বছর বছর। পাশাপাশি ছিমছাম পোশাকেই নিজেকে বিশেষ দিনের উত্সবগুলোতে দেখতেই যেন বেশি পছন্দ। পোশাকে দেশীয় কিংবা পাশ্চাত্য কাটছাঁট যে দেশেরই হোক না কেন, কাপড়টাও হওয়া চাই আরামদায়ক।

 

এখন ফ্যাশনে চলতি লং প্যাটার্নের গাউন, টপস বা টিউনিক। ফ্রক কাটের টপসগুলো দৈর্ঘ্যে সাধারণত সেমি লং ও শর্ট। ফিউশন কাট আর প্যাটার্নের বৈচিত্র্য আছে। পাশাপাশি বেসিক এ-লাইন থেকে বেরিয়ে ডিজাইনাররা এখন এ-লাইনে আনতে সক্ষম ভিন্ন ধাঁচ। ড্রেসকে আরও আধুনিক করতে, ফিটিংয়ের মধ্যেই পরিবর্তন, পার্থক্য আনতে, শেইপিংয়ে নতুনত্ব আনতে বদলে গেছে সেই রীতি। প্যাটার্নে আনা হয় রকমারি ডার্টের ব্যবহার। কুর্তায় বা টপসে ড্রপ ওয়েস্টের ব্যবহার পার্টি লুক দিতে সক্ষম। তবে বেশি হিজিবিজি কাটের বাইরে সবচেয়ে ছিমছাম প্যাটার্ন বটমের টিউনিক কাট। ড্রপ ওয়েস্ট ফ্যাশনে ট্রেন্ডি ডিজাইনের আরেক নাম। কুর্তায় বা টপসে ড্রপ ওয়েস্টের ব্যবহার পার্টি লুক দিতে সক্ষম। তবে বেশি হিজিবিজি কাটের বাইরে সবচেয়ে ছিমছাম প্যাটার্ন বটমের টিউনিক কাট। সিম্পল ডিজাইনের মধ্যে টিউনিক প্যাটার্ন কামিজে অসাধারণ লুক এনে দেয়। কামিজের ইয়োকে গেদার অথবা ইয়োক থেকে ফ্লেয়ার এখন নতুনত্বের আরেক রূপ। ফ্রক কাটের টপসগুলো দৈর্ঘ্যে সাধারণত সেমি লং ও শর্ট। ফিউশন কাট আর প্যাটার্নের বৈচিত্র্য আছে। কোমরে কুঁচি বা ইলাস্টিক, নিচের দিকে ঘের দেওয়া, কোমর থেকে আলাদা রঙের কাপড়, বুকের সামনে নকশা ইত্যাদি একেবারে ভিন্নতা এনে দিয়েছে এসব টপসে। ঘের ছাড়া টপস বা কাফতান কাটের টপসও মিলবে। শুধু কাটিং নয়, নজর দেওয়া হয়েছে লো হাইট কাট, লং প্যাটার্ন আনারকলি কাট ও টিউনিক প্যাটার্ন। ছিমছাম নকশায় টিউনিক প্যাটার্ন কাটেও স্মার্ট লুক খুঁজে পাওয়া যায়।

 

ছেলেদের পোশাকের ক্ষেত্রে স্লিম বা ট্রিম ফিট এখন বেশি চলতি। তবে পোশাকের রঙের ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাচ্ছে বেসিক হালকা রঙগুলোই। বটমে চিনো, কিমানো, ন্যারো শেপ বেশি চলতি। ডেনিম বা টুইল সবকিছুতেই ন্যারো প্যাটার্নটা বেশি পছন্দ। শার্টের ক্ষেত্রে কলার প্লিট, স্লিভ কার্ভে এসেছে বৈচিত্র্য। রিংকেল ফ্রি কাপড়ে তৈরি শার্ট পছন্দ অধিকাংশ তরুণের। কিন্তু মজার বিষয় হলো, একই সময়ে আন্তর্জাতিক কালার চার্ট আমাদের দেশীয় ফ্যাশনকে সেই অর্থে প্রভাবিত করে না। তাই ফ্যাশন ফোরকাস্টিংয়ে উঠে আসা পাশ্চাত্য রঙের ছোঁয়া এখানে খুব একটা টের পাওয়া যায় না। কিন্তু ইন্টারনেটে তারুণ্যের অবাধ বিচরণ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব উপস্থিতির কারণে পাশ্চাত্য ফ্যাশন ট্রেন্ড এখন অনেকেরই দৈনন্দিন চর্চার বিষয়। নিজেকে আলাদা লুকে এবং স্বাতন্ত্র্য পোশাক-আশাকে গর্জিয়াসভাবে ফুটিয়ে তোলার আয়োজনও যেন কম নয়। তাই দেশীয় অনেক ব্র্যান্ডগুলোর গদবাঁধা স্টাইল স্টেটমেন্ট থেকে ফ্যাশন হান্টাররা বের হয়ে যাচ্ছেন উইন্ডো শপিংয়ে। ডে আউট করছেন নতুন পোশাক বা ট্রেন্ড কী আসছে সেই সমীকরণে নিজের লুকটা মেলতে। এধরনের বিশেষ পোশাকের খোঁজে যেতে পারেন ক্যাটস আই, এক্সট্যাসি, সেইলর, জেন্টল পার্ক, আম্বার, মেনজ ক্লাব ও আড়ংয়ে।

 

মুঠোফোনে আদবকেতা
মুঠোফোনে আদবকেতা

কিছু মোবাইল ব্যবহারকারী রয়েছেন, যারা তাদের মোবাইল নিয়ে এতটাই ব্যস্ত থাকেন যে পৃথিবীকে একদম ভুলে যান। ভুলে যান তাদের আশপাশে থাকা মানুষগুলোকে, যারা তার কর্মকাণ্ডে বিরক্ত বোধ করছেন। মোবাইল নিয়ে এ ধরনের আচরণ কখনোই শোভনীয় নয়। বিশ্বে প্রায় প্রতিদিন হাজারের অধিক মানুষ মোবাইল ব্যবহারকারীদের দলে যুক্ত হচ্ছেন। বাংলাদেশও এদিক থেকে পিছিয়ে নেই। এখন তো ভাবতেই অবাক লাগে যে, বিশ্বজুড়ে কতভাবেই না মোবাইল ফোন ব্যবহার করা হচ্ছে। সবার সামনে দামি ও স্মার্ট মোবাইল ফোন বের করাটা এখন আর বড়লোকি দেখানোর মতো কোনো বিষয় নয়। এই কথা বলার যন্ত্রটি এখন কার্যত সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে গেছে।

 

কিছু ব্যবহারকারী রয়েছেন, মোবাইল ছাড়া যাদের জীবনটাই যেন বৃথা। মোবাইল ফোনটি তাদের সঙ্গে সবসময়ই থাকে। আজকাল বাসে বা ট্রেনে উঠলে দেখা যায়, অনেকেই মোবাইলে কথা বলছে। আর তাদের রিংটোন শুনলে বিরক্ত না হয়ে থাকা যায় না। অনেকেই মুরগির ডাক থেকে শুরু করে শিশুর কান্নাসহ নানা অরুচিপূর্ণ রিংটোন তাদের মোবাইলে সেট করেন, যা সেই ব্যক্তির ব্যক্তিত্বকে প্রশ্নের মুখে ফেলে। অনেক সময় এমন কিছু মানুষ দেখা যায়, যারা সবকিছু ভুলে কথা বলাতে এতটাই মশগুল থাকেন যে, এতে তিনি যে আশপাশের মানুষের মধ্যে বিরক্তির সৃষ্টি করছেন, সেদিকে খেয়াল রাখেন না। এ ধরনের নির্বোধকে কেউ ভালো চোখে দেখে না। যদিও নিয়ম রয়েছে ব্যাংক, সরকারি অফিস, কনসার্ট এবং আরও কিছু জায়গায় মোবাইল ব্যবহার বন্ধ রাখা। কিন্তু এগুলো মানার চাইতে, না মানাটাই যেন এখন নিয়মে পরিণত হচ্ছে।

 

এক গবেষণায় দেখা গেছে, মোবাইল ফোন থেকে যে তেজস্ক্রিয়তা নির্গত হয়, তা মানুষের দেহের ক্ষতি করতে পারে, বিশেষ করে শিশুদের। উন্নত দেশগুলোতে নিয়ম রয়েছে, শিশুদেরকে মোবাইল ফোনের বিজ্ঞাপনে লক্ষ্য হিসেবে দেখানো যাবে না। আমাদের দেশে এমন কোনো নিয়ম তো নেই, বরং শিশুদেরকেই বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ধরনের বিতর্কিত ব্যাপার থেকে সবার দূরে থাকতে হবে। যাই হোক, শিশুরা যেন অধিক সময় মোবাইল ফোনে কথা না বলে বা সময় না কাটায় সে ব্যাপারে খেয়াল রাখা উচিত।

 

এছাড়া প্রায়ই দেখা যায়, গাড়ি চালকেরা মোবাইলে কথা বলছে। দেশে কিন্তু আইন রয়েছে, গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার সম্পর্কে। প্রযুক্তির যেকোনো আবিষ্কারের মতো মোবাইল ফোনের খারাপ ও ভালো দুটি দিকই বর্তমান। জরুরি মুহূর্তে একটা মোবাইল ফোন আপনার জীবন-মরণ ঠিক করে দিতে পারে। যেকোনো সময় যেকোনো মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ঘটাতে সাহায্য করে সেলফোন, যা বিস্ময়কর। আবার অবৈধ কাজও হচ্ছে এই মোবাইল ফোন দিয়ে। যা খুবই দুঃখজনক।      

পোশাকে জামদানি মোটিফ
পোশাকে জামদানি মোটিফ

শিল্পের ভিতরের যে ঐশ্বর্য ছড়িয়ে আছে আমাদের ঐতিহ্যে, তার ধারক হয়ে আজও জনপ্রিয়তায় অনন্য হয়ে আছে জামদানি বয়ন। একসময় মসলিনের পরিপূরক হয়ে আমাদের ফ্যাশন ঐতিহ্যে বসতি গড়েছিল জামদানি। ক্রমেই তা বাংলার তাঁতিদের আপন মমতায় আর সুনিপুণ দক্ষতায় হয়ে ওঠে ঐতিহ্যের পাশাপাশি আভিজাত্যের পোশাক। এই জামদানি শুধু এখন শাড়িতেই সীমাবদ্ধ নয়; বর্তমানে সালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি, শার্ট, ফতুয়া এমনকি হোম টেক্সটাইলেও জনপ্রিয় অধ্যায় হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে। পোশাকে জামদানির মোটিফের ব্যবহার নিয়ে লিখেছেন নওশীন শর্মিলী।

 

প্রাচীনকাল থেকেই বাংলার মসলিন ও জামদানি সৌন্দর্য ও শিল্প-নৈপুণ্যে অনবদ্য। ৩০০ খ্রিষ্টাব্দে প্রাচীন ভারতীয় মনীষী কৌটিল্য তার অর্থশাস্ত্র বইতে উল্লেখ করেছেন, বঙ্গ ও পুণ্ড্রবর্ধন মানে উত্তরবঙ্গে একধরনের সূক্ষ্ম-বস্ত্র বয়ন করা হয়। গ্রিক ইতিহাসবিদ পেরিপ্লাসের বইয়ে আছে, বঙ্গ থেকে আরব, চীনা ও ইতালীয় বণিকরা চার ধরনের সূক্ষ্ম-বস্ত্র ইউরোপে নিয়ে আসেন। এই সূক্ষ্ম-বস্ত্রগুলোর নাম ছিল ক্ষৌম, দুকুল, পত্ররনা ও কার্পাস। এর মধ্যে দুকুলকে ইতিহাসবিদরা মসলিন ও জামদানির আদিরূপ বলে চিহ্নিত করেছেন। প্রাচীন গ্রিস ও রোমে এই কাপড়ের জনপ্রিয়তা ছিল মূলত ধনী অভিজাতদের মধ্যে। জামদানি মোটিফের সংরক্ষণ ও তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, গঠন, আকৃতিগত সাদৃশ্য, পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা, শুদ্ধতা নিরূপণ এবং সংরক্ষণ ও আন্তরিক পৃষ্ঠপোষকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেকোনো ঐতিহ্যগত সাংস্কৃতিক বিষয় দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ কারণ ও অজ্ঞতার অনাকাঙ্ক্ষিত প্রয়োগে যদি পরিবর্তনের ধারায় নিমজ্জিত হয়, তখন সময়ের পালাবদলে একদিন ঐতিহ্য, শিল্প, সংস্কৃৃতি লোকজ মোটিফ তার শুদ্ধতা হারায়। নিজস্ব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও শুদ্ধতা এক অনিশ্চয়তার মুখোমুখি অনিবার্য ধ্বংসের সীমায় ক্রমে উপনীত হয়, যা অন্য বিষয় ও বৈশিষ্ট্যের প্রভাবে এর নতুন রূপান্তরে নিজেকে চিহ্নিত করে। ভিন্ন জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্যের বয়ন শিল্প হিসেবে প্রাচ্যের বয়নশিল্পের ধারাবাহিকতা রক্ষায় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল জামদানি মোটিফ। এই মোটিফে খুব সহজেই কাপড়ের ভিতর ছায়ার মাঝে তৈরি করা যায় নকশার প্রতিবিম্ব। মোটিভগুলো জ্যামিতিক আইন অনুসরণ করলেও তা শুধুমাত্র রেখা, চারকোনা কিংবা ত্রিভুজ নয়; বরং তা দিয়ে ফুল, লতা-পাতা থেকে শুরু করে ফুটে ওঠে নানা রকম ডিজাইন বিন্যাস।

 

ঢাকার রূপগঞ্জ, সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জের প্রায় দেড় শতাধিক গ্রামে এই শিল্পের বর্তমান নিবাস। অথচ এর যাত্রা শুরু হয়েছিল প্রাচীনকালে। এটি মূলত বাংলার ঐতিহ্যের ধারক মসলিনের একধরনের প্রজাতি। তবে এর পাড় ও জমিনে অপেক্ষাকৃত মোটা সুতোয় বুননের মাধ্যমে ডিজাইন ফুটিয়ে তোলা হয়। বর্তমানে বয়ন ধারায় জামদানি শাড়িতে সবচেয়ে বেশি আধিপত্য করলেও মোগল আমলে তা ব্যবহৃত হতো ‘আঙরাখা’ নামক বিশেষ পোশাক প্রস্তুতে। মূলত সেই সময়েই ইউরোপে জামদানির পৃষ্ঠপোষকতা শুরু হয়। পরবর্তীতে ইউরোপে গজ কাপড় হিসেবে জামদানি বুননের জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। একসময় শুধু গজ কাপড় হিসেবে বোনা হলেও পরবর্তীতে তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে জামদানি শাড়িতে। বর্তমানে সালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি, ফতুয়া এমনকি হোম টেক্সটাইলেও জামদানি জনপ্রিয়। যা আমাদের জন্য ইতিবাচক বলা যায়। আমাদের দেশীয় ফ্যাশনে এর ব্যবহার আরও বাড়াতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে, জামদানির স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে বিধি বহির্ভূত আবেগতাড়িত সিদ্ধান্তে অনাধিকার চর্চা থেকে যেন সবাই বিরত থাকে। বয়ন শিল্পের হাজার বছরের বিশ্বব্যাপী ইতিহাসে জামদানি তার স্বকীয় বৈশিষ্ট্যে চিরদিন আলোকিত হয়েই থাকবে। এই গৌরব আমাদের পূর্বপুরুষের অর্জন। যা আমরা আজ উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি।

সঙ্গীর জীবনে খুব খারাপ সময় যাচ্ছে ? কী করবেন জেনে নিন
সঙ্গীর জীবনে খুব খারাপ সময় যাচ্ছে ? কী করবেন জেনে নিন

যদিও সম্পর্ক দুজনের মাধ্যমে তৈরি হয় কিন্তু যদি কেউ একজন সমস্যায় থাকেন তাহলে তার প্রভাব দুজনের ওপরেই সমানভাবে পড়ে। অনেক সময় হয়তো সঙ্গী প্রকাশ করেন না নিজের বিষণ্ণতার কথা, ফ্রাস্ট্রেশনের পড়ার কথা কিন্তু তারপরও মুখের ভাব এবং ব্যবহারেই অনেক কিছু বোঝা যায়। সম্পর্কে সবচাইতে বড় সমস্যাগুলো বেঁধে যায় এই সময়টাতেই। সঙ্গী হয়তো আশা করেন আপনার সাপোর্ট কিন্তু আপনি না বুঝে সঙ্গীর কাছ থেকে স্বাভাবিক আচরণ আশা করছেন। দুজনের আশা পূরণ হয় না এবং ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। তাই সঙ্গীর বিপদে কীভাবে সাপোর্ট করবেন তা জানা থাকাও অনেক জরুরী সম্পর্ক সঠিক রাখার জন্য। সঙ্গী যদি খুব খারাপ সময়ে থাকেন তাহলে জেনে নিন আপনার কর্তব্য কী হতে পারে।

১) না বুঝেই কোনো কথা বলে বসবেন না

সঙ্গীর বিপদের সময় বা খারাপ সময়ে না বুঝেই হুট করে কোনো কাজ বা কথা বলে বসবেন না একেবারেই। যদি সঙ্গীর বিপদের সময় নাও বুঝতে পারেন তারপরও একটু চুপ থেকে জেনে নেয়ার চেষ্টা করুন আসলেই সমস্যা কোথায়। সঙ্গীর ব্যবহারে আগে থেকেই ধরে নিয়ে কিছু বলবেন না, মোট কথা জাজমেন্টাল হবেন না। প্রথমে বুঝে নিন।

২) সঙ্গীর মানসিক শক্তি যোগান

যদি দেখেন সঙ্গী একেবারেই ভেঙে পড়েছেন তাহলে যতোটা সম্ভব সঙ্গীর মানসিক শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করুন। বিপদের সময় সঙ্গীর মুখের ‘আমি তোমার সাথে আছি’, ‘ভরসা রাখো, সব ঠিক হয়ে যাবে’ এই ধরণের সান্ত্বনার কথাও অনেক কাজে দেয়। মনে সাহস যোগায় এবং মানসিক শক্তি আসে।

৩) ধৈর্য ধরুন

হতে পারে খারাপ সময়ে সঙ্গীর মানসিকতা সঠিক নাও থাকতে পারে। তিনি যদি আপনার সাথে খারাপ ব্যবহারও করেন তবে যা অবশ্যই আপনাকে খুব বেশী কষ্ট দেয়া নয়, সীমার মধ্যে আপনি ধৈর্য ধরে সহ্য করে যান। তাকে তার স্বাভাবিক নিয়মে এবং সময়ে ফিরে আসা পর্যন্ত সময় দিন। আপনিও আশা হারিয়ে ফেললে চলবে না।

৪) সঙ্গীর সাথে থাকার চেষ্টা করুন

বিপদের সময় সবচাইতে বেশী জরুরী একজন মানুষের পাশে থাকা। যেন নিজেকে একলা না ভাবেন সঙ্গী, না ভাবেন যে তার বিপদের সময় তিনি কাউকে পাচ্ছেন না। আপনি তার পাশে থাকার চেষ্টা করুন। তাকে যদি কথা বলে বা বুঝিয়ে না হলেও তার প্রয়োজনে পাশে থাকাটাও অনেক বড় ব্যাপার।

৫) সঙ্গীর মনোযোগ অন্য দিকে নেয়ার চেষ্টা করুন

বিপদের কথা সব সময় মনে পড়বে তা খুবই স্বাভাবিক, এবং এর থেকে বিষণ্ণতা আরও বৃদ্ধি পাওয়াও স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। তাই সঙ্গীর মনোযোগ এই বিপর্যয়ের সময়ে অন্য দিকে নিয়ে তাকে একটু আনন্দ দেয়ার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এতে আপনার প্রতি তার আস্থা বাড়বে, তিনি নিজেও একটি স্বস্তি পাবেন।

ভালোবেসে ফেলেছেন প্রিয় বন্ধুটিকে? কি করবেন জেনে নিন
ভালোবেসে ফেলেছেন প্রিয় বন্ধুটিকে? কি করবেন জেনে নিন

‘বন্ধু’ ছোট একটি শব্দ, কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক। এই বন্ধুর প্রেমে যদি হঠাৎ করে পড়ে যান, তখন কি হবে? কি করবেন? সবাই কি মনে করবে? এমন শত শত প্রশ্ন মনে আসতে পারে। এতসব প্রশ্ন এর মাঝে একটি প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি আসে তা হল বন্ধুটি কি মনে করবে? সে কি এটি সহজভাবে নিবে? বন্ধুত্বটা কি থাকবে নাকি নষ্ট হয়ে যাবে? এত চিন্তার কিছু নেই। বন্ধুর প্রেমে পড়া কোন অপরাধ নয়। তাই এত চিন্তা করে কষ্ট পাবার প্রয়োজন নিই। বন্ধুর প্রেমে পড়লে কি করবেন এমন কিছু ধারনা পাওয়া যায় .boldsky,about.com, yourtango.com থেকে।

১। তাকে বোঝার চেষ্টা করুন

আপনি হয়তো আপনার বন্ধুটিকে অনেকদিন ধরে অনেক ভাল ভাবে চেনেন। কিন্তু তাকে মনের কথাটি বলার আগে আরেকবার তাকে বোঝার চেষ্টা করুন। বুঝতে চেষ্টা করুন আপনার কথায় সে কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে। তাকে বুঝেশুনে তারপরই মনের কথাটি বলুন।

২। সঠিক সময় নির্বাচন করুন

ভালবাসার কথাটি বলার আগে একবার দেখে নিন সময়টি ঠিক আছে কিনা? হুট করে বলে ফেলবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। হয়তো তার কোন আত্নীয় মারা গেছে কিংবা কোন কারণে তার মন খারাপ এমন সময় আপনার মনের কথা বলতে যাবেন না। অপেক্ষা করুন, সময় নিন, তারপর বলুন।

৩। নিজের প্রতি সৎ থাকুন

মনের কথা বলার জন্য নিজেকে তৈরি করুন। সংকোচ কাটিয়ে মনে সাহস আনুন। যা বলার সরাসরি বলে ফেলুন। নিজের প্রতি বন্ধুর প্রতি সৎ থাকুন। মনের কথা বলার আগে নিজেকে বার বার জিজ্ঞাসা করে নিন আপনি কি আসলেই তাকে ভালবাসেন কিনা? নাকি এটি ক্ষণিকের ভাল লাগা? ভাল করে জেনে তারপর সাহস করে বলে ফেলুন।

৪। বলে ফেলুন মনের কথাটি

কোন একটি সুন্দর জায়গায় বন্ধুটিকে আসতে বলুন। প্রথমে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন এই বলে যে, আপনি যা বলতে যাচ্ছেন তা শুনে সে যদি কষ্ট পায় তবে যেন আপনাকে ক্ষমা করে দেয়। তারপর বলে ফেলুন যা বলতে চাচ্ছেন। খুব বেশি কিছু না বলে অল্প কথায় বলে ফেলুন কথাটি।

৫। তার প্রতিক্রিয়া সহজভাবে নিন

হয়তে পারে আপনার বন্ধুটি আপনাকে ‘না’ করে দিল। এতে খুব বেশি প্রতিক্রিয়া আপনি দেখাবেন না। মেনে নিন। বন্ধুত্বটা ঠিক রাখুন। তার পছন্দ অপছন্দকে সম্মান করুন।

৬। ভবিষ্যৎ এর কথা ভাবুন

যদি আপনাকে না করে দেন সেটা নিয়ে চিন্তা করবেন না। সহজভাবে নিন। বন্ধুত্বটাকে আগের মত রাখার চেষ্টা করুন। যদি হ্যাঁ বলে তবে ভবিষ্যৎ এর কথা চিন্তা করুন। হয়তো আপনার বন্ধুটি আপনার সাথে সম্পর্ক নাও রাখতে পারে, আপনি তাকে সময় দিন সহজ হবার। বরং আপনি তার সাথে আগের মত বন্ধু সুলভ আচরণ করুন। এটি তাকে আপনার সাথে সহজ হতে সাহায্য করবে।

একজন ভাল বন্ধু একজন ভাল জীবন সঙ্গী হতে পারে। কিন্তু বন্ধুত্বের সম্পর্কটিকে সম্মান করুন। বন্ধুটির হ্যাঁ বা না কে সহজভাবে মেনে নিন। বন্ধুত্বটা নষ্ট হতে দিবেন না কিছুতেই। সব সম্পর্কের ওপর বন্ধুত্ব, তাকে নষ্ট হতে দিবেন না।

বিয়ের আগে প্রত্যেক নারীর যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শিখে নেয়া উচিত
বিয়ের আগে প্রত্যেক নারীর যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শিখে নেয়া উচিত

বিয়ে বিষয়টি যতোটা স্বপ্নের মতো মনে হোক না কেন আসলে তা কিন্তু সত্যিকার অর্থে ততোটা স্বপ্নের মতো নয়। বিশেষ করে নারীদের জন্য। সাক্ষর দেয়ার পর জীবনটা কিন্তু আগের মতো থাকে না একেবারেই। বরং এতো বছর কাটিয়ে আসা জীবনটাকে বিদায় করে দিয়ে নতুন জীবনে পা দিতে হয়। আর পদে পদে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আর এই সমস্যা সমাধান না হলে অনেক সময় সম্পর্কে সমস্যা শুরু হয়ে যায়। সে কারণে নারীদের অনেক কৌশলী হতে হয়। তাই বিয়ে করার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার প্রত্যেক নারীরই শিখে নেয়া খুব জরুরী।

১) ভদ্রভাবে না বলা শিখে নিন

বিয়ের পর এমন অনেক বিষয় সামনে আসে যা করা অনুরোধে ঢেঁকী গেলার মতোই। এই অনুরোধে ঢেঁকী গেলার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে অন্যের মনে কষ্ট না দিয়ে কীভাবে না বলতে হয় তা শিখে নেয়া প্রত্যেক নারীর জন্যই জরুরী। সরাসরি না বলে একটু ঘুরিয়ে বুঝিয়ে বলা অর্থাৎ কিছুটা ডিপ্লোম্যাটিক উত্তর দিতে শিখে নিন বিয়ের আগেই।

২) মানিয়ে নেয়ার বিষয়টি

একজন পুরুষকে কখনো অন্যের বাসায় গিয়ে অন্য একটি ফ্যামিলির সাথে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করতে হয় না। এটি শুধুমাত্র একটি নারীরই করতে হয়। তাই মানিয়ে নেয়ার বিষয়টি আগে থেকেই নিজে থেকে শিখে নিন। এতে করে বিয়ের পর অনেক ঝামেলা এড়িয়ে চলতে পারবেন।

৩) কীভাবে কথা বলতে হয়

মুখের কথা এমন একটি জিনিস যা একবার বের হয়ে গেলে তা ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। অনেক সময় সামান্য একটি কথাই অনেক বড় হতে পারে যা সম্পর্কে সমস্যা তৈরি করার জন্য যথেষ্ট। তাই কথা কীভাবে বললে নিজের কোথাও উপস্থাপন করা যাবে এবং সামনের মানুষটিকে কষ্ট দেয়া হবে তা সেই বুদ্ধি আগে থেকেই মাথায় রাখা জরুরী।

৪) সব দিক সামাল দেয়া

বিয়ের পর আপনি যখন শ্বশুরবাড়ি যাবেন তখন আপনাকে শ্বশুর শাশুড়ির প্রতি যে কর্তব্য পালন করতে হবে তা কিন্তু আপনি নিজের স্বামীকে আপনার বাবা মায়ের প্রতি করতে একটু কমই দেখবেন। কিন্তু এতে আপনি কিছু বললেও সমস্যা। এই ধরণের সমস্যা বা কিছু ব্যাপার কীভাবে কৌশলে সামাল দিতে হবে তা একজন নারীর আগে থেকেই শিখে নেয়া জরুরী।

৫) সব ব্যাপারে সবাইকে টেনে না আনা

নারীদের মূল সমস্যা হচ্ছে সমস্যা যাই হোক না কেন সবাইকে টেনে নিয়ে এসে ম্যান অভিমান ও ঝগড়া করতে থাকেন। কিন্তু এই জিনিসটি আপনার সম্পর্কে চুল ধারণার জন্ম দেয় এবং সম্পর্কে টানা পোড়নের সৃষ্টি হয়। এই সমস্যা এড়াতে সমস্যা নিজে নিজে সমাধানের চেষ্টা করুন এবং কাকে কোন বিষয়ে নিয়ে আসা যাবে কার সাথে কোন ব্যাপারে কথা বলা যাবে এই বুদ্ধি শিখে নেয়া জরুরী।

বিয়ের আগে সবার অন্তত কতদিন প্রেম করা উচিত?
বিয়ের আগে সবার অন্তত কতদিন প্রেম করা উচিত?

আধুনিক সমাজব্যবস্থায় বিয়ের মতো বিষয়টিও বিশেষজ্ঞদের দুশ্চিন্তার উদ্রেক করছে। কারণটি হলো বিচ্ছেদ। ডিভোর্সের হার যেভাবে বেড়েছে, তাতে করে বিয়ে ব্যবস্থা কতটা সফলতা পেয়েছে তা গবেষণার বিষয়। আমেরিকার এক পরিসংখ্যানে বলা হয়, ৪০-৫০ শতাংশ দম্পতির বিচ্ছেদ ঘটে।

ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির নৃবিজ্ঞানী হেলেন ফিশার প্রেম-ভালোবাসার নানা দিক নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছেন। তিনি বিয়ের স্থায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কের যোগসূত্র বের করার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেন, বিয়ের আগে যদি ২ বছর সম্পর্ক ঝালাই করে নেওয়া যায় তবে সুখী ও দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের নিশ্চয়তা মিলতে পারে।

সাম্প্রতিক এক গবেষণা কথা উল্লেখ করে ফিশার বলেন, বহু মানুষ আছেন যারা প্রেম করছেন এবং এক সঙ্গে থাকছেন। তারা এখনো বিয়ে করেননি। কিন্তু এদের ৬৭ শতাংশ বিয়ের পর ডিভোর্সের ভয়ে অস্থির থাকেন। এ ভয় কেবল অর্থনৈতিক বা আইনগত বিষয় নিয়ে নয়, ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ার ভয়ও কাজ করে।

মজার বিষয় হলো, বিচ্ছেদের এই ভয় পরবর্তীতে স্বাস্থ্যকর বিয়ের পথ খুঁজে দেয়। বিয়ের আগে দুজন দুজনকে যত বেশি জানবেন, দাম্পত্য জীবন তত বেশি সুখকর হবে।

কারো প্রেমে পড়লে মস্তিষ্কের যে অংশটি সিদ্ধান্তগ্রহণ ও পরিকল্পনা প্রণয়নের যৌক্তিক বিষয় নিয়ে কাজ করে, তা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। ভালোবাসার প্রাথমিক স্তরে মস্তিষ্কের পুরনো অংশগুলো কার্যকর হয়ে ওঠে। আকাঙ্ক্ষা, আবেশ এবং উদ্দীপনা চরমে পৌঁছে। এ সময়টাতে প্রিয়জন সম্পর্কে অনুভূতিগুলোর যৌক্তিক ব্যাখ্যা করা যায় না। ফলে তার মাঝে অসঙ্গতি থাকলেও তা চোখে পড়ে না। তাই বিয়ের আগে সম্পর্কটা যদি বেশ কিছু দিন চালিয়ে নেওয়া যায়, তবে সিদ্ধান্তগ্রহণ ও যুক্তিবোধ কাজে লাগানোর সুযোগ মেলে। তখন মানুষটি সঠিক সঙ্গী-সঙ্গিনী কিনা তা বুঝতে অনেক বেশি সুবিধা হয়।

বাস্তবিক জীবনে সঙ্গী-সঙ্গিনীর সম্পর্কে ভালো ধারণা সৃষ্টির জন্যে যথেষ্ট সময় ব্যয় করা উচিত। এর জন্যে ফিশার সবাইকে অন্তত ২ বছর অপেক্ষায় থাকতে বলেছেন। এই সময়ের মধ্যে একে অপর সম্পর্কে যুক্তির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন। সেই সঙ্গে নিজেকে সামলে নেওয়ার প্রক্রিয়াটিও রপ্ত হয়ে উঠবে।

ফিশার বলেন, সম্পর্কের যেকোনো স্তরে মনে হতে পারে, সঠিক মানুষটি খুঁজে পাওয়া গেছে। এই মানুষটিকে বিয়ে করা যেতে পারে। কিন্তু অন্তত ২ বছর সময় দেওয়ার পর একই উপলব্ধি পেলে নিশ্চিন্তে দাম্পত্য জীবন শুরু করতে পারেন। সামান্য সময় খরচের মাধ্যমে দুজনের জীবন সামলে ওঠা আরো সহজ ও সুখকর হয়ে উঠবে।

বয়সের ছাপ দূর করে যে ফলগুলো
বয়সের ছাপ দূর করে যে ফলগুলো

প্রকৃতির নিয়মে বয়স বাড়বে। এটাই স্বাভাবিক। আর প্রকৃতির মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে বয়সের ছাপ এড়ানোর কিছু খাবার। নিয়মিত কিছু ফল খেলে বয়সের ছাপ এড়ানো যায়।এসব ফলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলিরেখা দূর করে ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখে এবং ত্বক টানটান রাখে।

 

যে ফলগুলো বয়সের ছাপ এড়াতে কাজ করে-

 

আঙুর

আঙুরে থাকা ভিটামিন-সি ত্বকের কোঁচকানো ভাব দূর করে ত্বককে টানটান করে। এ ছাড়া এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ত্বককে রাখে দাগহীন ও বলিরেখামুক্ত।

 

তরমুজ

চেহারার বয়সের ছাপ দূর করতে তরমুজের কোনো বিকল্প নেই। এই ফলের বিচিও স্বাস্থ্যজ্জ্বল ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এর ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখে।

 

কলা

কলার ভিটামিন-সি ও বি৬ ত্বক টানটান রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত কলা খেলে ত্বকের পানিশূন্যতা দূর হয় এবং ত্বক সহজে কুঁচকায় না।

 

বেদানা

বেদানার ভিটামিন ও মিনারেল ত্বককে সুস্থ রাখে। এটি ত্বকের কোষে প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায় এবং কোলেজেনের স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখে। নিয়মিত বেদানা খেলে ত্বক হয় টানটান ও সতেজ।

 

অ্যাভোকাডো

অ্যাভোকাডোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই ও বি রয়েছে, যা গভীর থেকে ত্বকের পুষ্টি যোগায়। ভিটামিন-ই ত্বক সুস্থ রাখে এবং ত্বকে পানির মাত্রা বজায় রাখে। এর ফলে ত্বক কুঁচকে যায় না এবং ত্বক থাকে বলিরেখামুক্ত।

 

কিউই

ত্বকের বলিরেখা দূর করতে কিউই ফল নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি ও ই রয়েছে, যা ত্বকের কোঁচকানো ভাব দূর করে। এ ছাড়া ত্বকের সংক্রমণজাতীয় সমস্যারও সমাধান করে কিউই।

মাংস খান চর্বি বাদ দিয়ে
মাংস খান চর্বি বাদ দিয়ে

রেড মিট বা লাল মাংসের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে শুনতে শুনতে অনেকেরই মনে হতে পারে, লাল মাংস তথা গরু-খাসির মাংসের বুঝি কোনো ভালো গুণ নেই। আসলে লাল মাংস সম্পর্কে সতর্কবাণীর প্রায় পুরোটাই বয়স্কদের জন্য, যাঁদের রক্তে কোেলস্টেরলের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কিংবা যাঁরা হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকিতে আছেন। কিন্তু যাঁদের বয়স ৩০-এর নিচে, রক্তে কোেলস্টেরলের মাত্রা ঠিক আছে, বাড়তি মেদ নেই, ওজনও স্বাভাবিক, তাঁদের জন্য লাল মাংসের এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা ঠিক নয়।

কৃশকায় গরুর মাংসকে স্বাস্থ্যসম্মতই বলা চলে। কারণ তাতে কোেলস্টেরল কম। এ ধরনের মাংস দৈনিক ৫০-১০০ গ্রাম গ্রহণে খুব একটা অসুবিধা নেই। গবেষকেরা আরও বেলছেন, গ্রাস ইটার (ঘাস, খড় খেয়ে বড় হওয়া) গরুর মাংসে প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া ফার্মের গরুর তুলনায় চর্বি কম থাকে। তবে হৃদ্রোগ, ওজনাধিক্য, রক্তে চর্বির আধিক্য ও ক্যানসারের ঝুঁকি থাকলে লাল মাংস এড়িয়ে চলা উচিত।

গরুর মাংস বা লাল মাংস হচ্ছে প্রাণিজ প্রোটিন, আয়রন, জিঙ্ক, থায়ামিন, রিবোফ্ল্যাভিন, সেলেনিয়াম ও ভিটামিন বি১২-এর অন্যতম উৎস। এই গরুর মাংসই হতে পারে স্বাস্থ্যকর খাবার, যদি চর্বি বাদ দিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে খাওয়া যায়। কৃশকায় গরুর মাংস কিংবা চর্বি বাদ দেওয়া গরুর মাংসে সম্পৃক্ত চর্বি কম থাকে। তাই ঝুঁকিও কম। কম চর্বিযুক্ত গরুর মাংসের চেয়ে বরং অতিরিক্ত ভাত খাওয়া বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

অনেকের ধারণা, গরুর মাংসে শুধু ক্ষতিকর সম্পৃক্ত চর্বিই থাকে। আসলে তা নয়। লাল মাংসের এসব ঝুঁকির পেছনে মূলত দায়ী মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ। দেখা গেছে, দৈনিক ৫০ গ্রাম প্রক্রিয়াজাত মাংস গ্রহণে হৃদ্রোগের ঝুঁকি ৪২ আর ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ১৯ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণে ব্যবহৃত উপাদানের কারণে মাংসে সোডিয়াম ও নাইট্রেট বেশি থাকে। লবণের কারণে উচ্চ রক্তচাপ হয়, নাইট্রেটের জন্য রক্তনালির দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ইনসুলিন নিঃসরণ কমে গিয়ে ডায়াবেটিসের প্রবণতা বাড়ায়। এর ফলাফল—হৃদ্রোগ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি।

কোনো কিছু যেমন বেশি ভালো নয়, গরুর মাংসও তেমন বেশি খাওয়া ভালো নয়। তবে ঢালাওভাবে সবাই গরুর মাংস এড়িয়ে চলবেন, এটা ঠিক নয়। সাধারণত কম চর্বিযুক্ত গরুর মাংস শিশু-কিশোর, তরুণ-যুবার জন্য পুষ্টিকর খাবার হিসেবে বিবেচিত।

ভাত রান্নার নতুন পদ্ধতি ডায়াবেটিস ঠেকাতে
ভাত রান্নার নতুন পদ্ধতি ডায়াবেটিস ঠেকাতে

সাধারণত যাদের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেশি, ডাক্তাররা তাদের ভাত কম খেতে বলেন। কিন্তু শ্রীলংকার বিজ্ঞানীরা ভাত রান্নার এক নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, যার ফলে ভাতে ক্যালরির পরিমাণ কমিয়ে এনে সেই ঝুঁকি অর্ধেক কমিয়ে ফেলা যাবে।

পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। কিন্তু যারা ভাত খান তাদের মধ্যে ডায়াবেটিস আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বেশি থাকে, কারণ বিজ্ঞানীরা বলেন, বিশেষ করে সাদা ভাতের শ্বেতসার যে ক্যালরি পাওয়া যায়, তা দেহে শর্করা এবং মেদের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়।

বিজ্ঞানীদের হিসেব মতে, এক কাপ ভাত থেকে প্রায় ২০০ ক্যালরি পাওয়া যায়।

শ্রীলংকার দুজন বিজ্ঞানী সুদাহির জেমস এবং ড. পুষ্পরাজা তাবরাজা- যারা সেদেশের কলেজ অব কেমিক্যাল সায়েন্সে এই গবেষণা করেছেন। তারা বলছেন, নতুন ওই ভাত রান্নার পদ্ধতিতে ক্যালরির পরিমাণ অর্ধেক কমিয়ে আনা সম্ভব।

সোমবার আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটি’র জাতীয় সভায় তারা এই গবেষণার প্রাথমিক ফল প্রকাশ করেন।

কি সেই পদ্ধতি?

গবেষক সুদাহির জেমস বলছেন, ‘প্রথম পাত্রে পানি ফোটাতে হবে, এরপর তাতে যে পরিমাণ চাল রান্না করবেন তার প্রায় তিন শতাংশ পরিমাণ নারকেল তেল ঢেলে দিতে হবে। এরপর সেই ফুটন্ত পানিতে চাল ঢেলে দিতে হবে। ভাত হয়ে গেলে তা ফ্রিজে ১২ ঘন্টা রেখে ঠান্ডা করতে হবে।’

ড. পুষ্পরাজা বলেন, নারকেল তেল দিয়ে ভাত রান্না এবং তারপর তা ১২ ঘন্টা ধরে ঠান্ডা করার ফলে ভাতের ভেতর যে স্টার্চ বা শ্বেতসার আছে – তার রাসায়নিক প্রকৃতি বদলে যায় এবং তার ক্যালরির পরিমাণ কমিয়ে দেয়।

বিভিন্ন ধরণের চালের ক্ষেত্রে ক্যালরির পরিমাণ ১০/১২ শতাংশ থেকে ৫০/৬০ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে, বলছেন তিনি।

ড. পুষ্পরাজা বলেন, ক্যালরির পরিমাণ কমে যাওয়া মানেই সেই ভাতের ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে যাওয়া।

তারা এ পর্যন্ত শ্রীলংকার ৩৮ প্রজাতির চাল নিয়ে এ পরীক্ষা চালিয়েছেন।

এখন তাদের লক্ষ্য বাকি প্রজাতির চালের ওপর এই পরীক্ষা চালানো, এবং নারকেল তেল ছাড়া অন্য তেল দিয়েও এই সুফল পাওয়া সম্ভব কিনা তা দেখা।

 

চিত্রকর্মে সাজুক ঘর
চিত্রকর্মে সাজুক ঘর

বর্তমান আধুনিক জীবনে অন্দরমহলের সজ্জার জন্য নানা ধরনের পেইন্টিং সকলের কাছে বেশ পছন্দনীয়। ঘরের সাজে একটু বৈচিত্র্য আনতেও পেইন্টিং অতুলনীয়। ঘরে ঢুকে পছন্দের কোনো পেইন্টিংয়ে চোখ পড়লে নিমিষে সারাদিনের সব ক্লান্তি চলে যায়। ঘরে থাকা পেইন্টিংয়ের মাধ্যমে আমাদের রুচিবোধেরও পরিচয় পাওয়া যায়।

 

চিত্রশিল্পীদের মতে, একজন মানুষের রুচি কেমন বা তিনি কোন পেশার, তা সেই ব্যক্তির ঘরের পেইন্টিং দেখে বোঝা যায়। ঘর সাজাতে অনেক আগে থেকেই চলে আসছে পেইন্টিংয়ের ব্যবহার। বর্তমানে পেইন্টিংয়ে নানা রকম উপাদান ব্যবহার করছেন শিল্পীরা। নিত্যনতুন ফিউশনের মাধ্যমে শিল্পীরা নিজেদের যেমন ঢেলে সাজাচ্ছেন তেমনি কৌতূহলী মানুষের মাঝে তীব্র আকর্ষণ সৃষ্টি করে চলেছেন। নিজের বাড়ি ঘরকে মনের মতো সাজসজ্জায় পূর্ণ করতে সবারই রয়েছে আগ্রহ। সৌন্দর্যপিপাসুরা সবসময়ই চান সুন্দর এবং আকর্ষণীয় রুচিসম্মত করে নিজের ঘরকে সাজসজ্জায় পরিপূর্ণ করতে। সাজসজ্জায় নিজের ঘরকে সাজাতে দেয়ালে পেইন্টিংয়ের কোনো তুলনা নেই।

 

যেকোনো ঘরে পেইন্টিং ব্যবহারের আগে কোন ঘরে লাগানো হচ্ছে, বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। কেবল পেইন্টিং ঘরে ঝোলালেই হবে না, ঘরের দেয়ালটা কেমন কিংবা আসবাবের ধরন অথবা কোন ঘরে পেইন্টিং রাখা হচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে পেইন্টিংয়ের বিষয়। শোবার ঘরের জন্য হালকা রঙের পেইন্টিং সবচেয়ে ভালো। কেননা, দিন শেষে ক্লান্তি দূর করতে শোবার ঘরে সবাই চান কিছুটা স্নিগ্ধ আবেশ। এক্ষেত্রে প্রকৃতির স্নিগ্ধ কোনো পেইন্টিং, ব্যক্তির প্রতিকৃতি কিংবা রাখা যেতে পারে বিমূর্ত কোনো পেইন্টিং। শিশুদের ঘরে অবশ্য উজ্জ্বল রঙের সঙ্গে কার্টুন অথবা বাচ্চার ছবিসম্বলিত কোনো পেইন্টিং হলে ভালো হয়। করিডরের দুই দেয়ালজুড়ে বিভিন্ন আকারের বেশ কিছু পেইন্টিং ঝোলালে বেশ ভালো লাগে। বারান্দার পেইন্টিং আশপাশের পরিবেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত করলে ভালো হয়। তবে গাছ অথবা ফুলের পেইন্টিং পরিবেশকে শান্ত রাখে। তবে তা যেন আশপাশের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে যায় সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। ঘরকে উজ্জ্বল ও আকর্ষণীয় করে তুলতে আসলে পেইন্টিংয়ের তুলনা নেই। খুব নামীদামি শিল্পীর আঁকা পেইন্টিং ঝুলাতে হবে এমন কোনো কথা নেই। বেশ রঙিন একটি সাধারণ পেইন্টিংও পুরো ঘরের উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দিতে পারে অনেকাংশে। চাইলে বড় ক্যানভাস কিনে নিজেও আঁকিবুঁকি করে নিতে পারেন। নিজের হাতে রং করা একটি ক্যানভাস দেখে প্রতিবারই মনটা খুশিতে ভরে উঠবে। পেইন্টিংয়ের ক্ষেত্রে হলুদ, টিয়া, সবুজ, লাল ইত্যাদি রংগুলোকে প্রাধান্য দিন। বাংলাদেশের খ্যাতিমান ও প্রতিষ্ঠিত প্রধান শিল্পীদের পেইন্টিং ঝুলাতে পারেন। জয়নুল আবেদীন, কামরুল হাসান, এসএম সুলতান, সাইফুদ্দীন আহম্মেদ, আনোয়ারুল হক, মোহাম্মদ কিবরিয়াসহ আরও বিখ্যাত চিত্রশিল্পীর আঁকা পেইন্টিং আপনার দেয়ালকে সুন্দর করে তুলতে পারে। এ ছাড়া আরও আছেন চিত্রশিল্পী আমিনুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, কাইয়ুম চৌধুরী, রফিকুন নবী, আবু তাহের, নিতুন কুণ্ডু, সাহাবুদ্দিন প্রমুখের পেইন্টিং। বর্তমানে কিছু নবীন শিল্পীরা শিল্পকর্ম ও নাম করেছে।

 

দেয়ালে টাঙাতে পেইন্টিং কিনতে হলে সঠিক দাম জেনে পেইন্টিং কেনাটা অনেক জরুরি। পেইন্টিংয়ের মধ্যে তেল রঙের দাম সবচেয়ে বেশি। একটি তৈলচিত্রের দাম তিন হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই তৈলচিত্র অনেকদিন পর্যন্ত টেকসই হয়, কমপক্ষে পঞ্চাশ থেকে ষাট বছর পর্যন্ত। জল রঙের পেইন্টিংস পাওয়া যায় এক হাজার থেকে দশ হাজার টাকার মধ্যে। তবে প্রধান শিল্পীদের জল রঙের দাম আরও বেশি। স্কেচের দাম পড়বে সাধারণত ফ্রেমসহ এক হাজার টাকা থেকে আট হাজার টাকা পর্যন্ত। আর গ্রাফিক্সের দাম এক হাজার টাকা থেকে বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে নবীন শিল্পীর শিল্পকর্ম তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম দামে পাওয়া যায়। প্রিয়জনকে প্রেজেন্টেশন হিসেবে দেওয়ার জন্য পেইন্টিং পাওয়া যায় আট শত টাকা থেকে বারো শত টাকার মধ্যে।

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কিত কিছু মজার জোকস
স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কিত কিছু মজার জোকস

স্ত্রী: এতক্ষণ ধরে ওই কাগজটিতে কী দেখছ তুমি?
স্বামী: কই, কিছু না তো!
স্ত্রী: আরে, এ যে দেখি ডাহা মিথ্যে কথা বলছ। তুমি প্রায় চার ঘণ্টা ধরে আমাদের কাবিননামা এত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখছটা কী, শুনি?
স্বামী: না, তেমন কিছু নয়। অনেকক্ষণ ধরে খুঁজেও কেন জানি কাবিননামার মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখটা বের করতে পারলাম না।
………………………………………………………..

স্ত্রী: আচ্ছা, তুমি সব সময় অফিসে যাওয়ার সময় ব্যাগে করে আমার ছবি নিয়ে যাও কেন?
স্বামী: অফিসে যখন আমি কোনো সমস্যায় পড়ি, তখন তোমার ছবিটি বের করে দেখলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়, বুঝলে?
স্ত্রী: তাই নাকি! তাহলে দেখো, তোমার জন্য আমি কতটা সৌভাগ্যের!
স্বামী: হুম, আমার যখন সমস্যা আসে, তখন তোমার ছবি বের করে দেখি আর নিজেকে বলি, তোমার চেয়ে তো বড় কোনো সমস্যা পৃথিবীতে থাকতে পারে না। আর সঙ্গে সঙ্গে ছোট সমস্যাগুলো আর আমার কাছে সমস্যা বলে মনে হয় না।

চুল পাকা রোধে করণীয়
চুল পাকা রোধে করণীয়

বয়স বাড়ার সাথে সাথে চুল পাকা স্বাভাবিক কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের আগে সাধারণত ২০ বছর বয়সের আগে চুল পাকা বর্তমানে একটি অতি পরিচিত সমস্যা। বর্তমান বিশ্বে প্রায় অর্ধেক মানুষই এই সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। চুলের রং কি হবে তা নির্ভর করে জিনগত বৈশিষ্ট্য এবং বিশেষ হরমোন মেলানিনের উপর। এই মেলানিনের অভাব হলে চুল পাকতে থাকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের মেলানিন তৈরির ক্ষমতা কমে আসে বলেই  বুড়ো বয়সে চুল পাকে।

 

গবেষকদের মতে, অকালে চুল পাকার তেমন কোনো নির্দিষ্ট কারণ নেই। তবে আমাদের শরীরে জিন বা বংশগতির প্রভাবে অকালে চুল পাকতে পারে। এছাড়াও ভিটামিন বি-১২ অভাবে পিটুইটারি হরমোন অথবা থাইরয়েড হরমোনের সমস্যা থাকলে কম বয়সে চুল পাকে। পাশাপাশি খাবারদাবারের ভেজাল ও পরিবেশগত দূষণসহ অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ধূমপান বা জীবন যাপনের নানা সমস্যাও এতে যুক্ত। চিকিত্সাশাস্ত্রে চুল পাকার তেমন কোনো র্কাযকরি চিকিত্সা নেই। তবে কিছু সচেতনতা চুল পাকা রোধে সাহায্য করে। ঘরে বসে পাকা চুলের সমস্যা সমাধানে আমলকীর জুড়ি নেই। ভিটামিন সি আর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ আমলকী তারুণ্য ধরে রাখতে খুবই কার্যকর। নিয়মিত আমলকী খেলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে সঙ্গে চুল পাকা রোধ করতেও সাহায্য করে।

 

এছাড়াও চুল ভাল রাখতে নিয়মিত ভাল ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু (যেটি আপনার চুলে স্যুট করে) দিয়ে চুল পরিষ্কার করতে হবে। প্রচুর শাক-সবজি ও ফলমূল খেতে হবে। দিনে ২-৩ লিটার পানি পান করতে হবে। বাজারে পাওয়া বিভিন্ন জেল, কালার, ক্রিম, স্প্রে ও সিরাম ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া যখন চুল পাকতে শুরু করবে তখনই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

ব্রণের দাগ দূর করার মাস্ক
ব্রণের দাগ দূর করার মাস্ক

ব্রণের সমস্যায় কম-বেশি সবাই ভুগে থাকে। অনেক সময় ব্রণ কমে গেলেও দাগগুলো ঠিকই থেকে যায়। জেনে নিন ব্রণের দাগ দূর করার জন্য কয়েকটি মাস্ক। 

 

* একটি বাটিতে ১ টেবিল চামচ কফি পাউডার এবং হাফ টেবিল চামচ মধু একসাথে মিশিয়ে নিয়ে পরিষ্কার মুখে লাগিয়ে নিয়ে হবে। ১৫ মিনিট পর স্ক্রাবিং  করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিয়ে হবে। কফি পাউডার আমাদের মুখের মরা চামড়া দূর করে এবং ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করে। মধুতে পিম্পলের ব্যাকটেরিয়ার সাথে লড়াই করে। এছাড়াও মধুতে ন্যাচারাল ব্লিচিং এজেন্ট রয়েছে, যা ব্রণের দাগ দূর করে।

 

* হাফ টেবিল চামচ সুইট আমন্ড অয়েল এবং লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে তা মুখের ত্বকে লাগিয়ে নিয়ে হবে। ৩০ মিনিট পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। সুইট আমন্ড অয়েল স্কিনের ড্রাইনেস ও ব্রণের দাগ দূর করে ভ লেবুর রসে স্কিন লাইটেনিং এজেন্ট রয়েছে, যা ব্রণের দাগকে হালকা করতে সাহায্য করে।

 

* একটি বাটিতে ১ চা চামচ চন্দন পাউডার, হাফ চা চামচ গোলাপজল মিশিয়ে নিন। আপনার স্কিন ড্রাই হলে গ্লিসারিন যোগ করতে পারেন। এই মিশ্রণটি ২০ মিনিট মুখে লাগিয়ে রাখুন এবং ধুয়ে ফেলুন। চন্দনে রয়েছে অ্যান্টি মাইক্রোভাল যা ব্রণের দাগ দূর করে। এটি স্কিনকে উজ্জ্বল করে তোলে।  গোলাপজল স্কিনের পি এইচ লেভেলকে ব্যালেন্স করে।

 

* একটি টমেটো নিয়ে এর পাল্প বের করে নিন। এর সাথে হাফ চা চামচ লেবুর রস এবং মধু যোগ করুন। এই মিশ্রণটি ব্রণের দাগের উপর লাগিয়ে সারারাত রেখে দিন। সকালে ধুয়ে ফেলুন।

 

এই মাস্কগুলো সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহার করুন। মাস্কগুলো ব্যবহারের আগে মুখ অবশ্যই পরিষ্কার করে নেবেন। মাস্কগুলো ব্যবহারের পরে টোনার এবং ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

সহজেই রূপচর্চা করুন লেবু দিয়ে
সহজেই রূপচর্চা করুন লেবু দিয়ে

প্রতিদিনই চলে সুগন্ধি লেবুর ব্যবহার। খাবারের স্বাদ বাড়িয়ে নিতে লেবুর তুলনা হয় না। ভিটামিন সি যুক্ত এই ফলটি আমাদের শরীরের জন্যও খুবই উপকারী।

 

রূপচর্চাতেও লেবুর রয়েছে সমান দক্ষতা, শুধু জানতে হবে উপযুক্ত ব্যবহার। দৈনন্দিন জীবন যাপনে বিপর্যস্ত হতে পারে আপনার সৌন্দর্য। তাই জেনে নিন লেবুর ছোঁয়ায় রূপের যত্ন নিতে কিছু কার্যকরী ব্যবহার।

ত্বকের উজ্জ্বলতা

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে লেবু খুবই উপযোগী। একচির লেবুতে একটু চিনি ছিটিয়ে ত্বকে আলতো করে ঘষতে থাকুন। এটি প্রাকৃতিক স্ক্রাবার হিসেবে কাজ করবে। লেবুর ব্লিচিং ইফেক্ট ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াবে। তারপর কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেললেই হল।

নখের যত্ন

দীর্ঘদিন নখে নেলপলিশ লাগিয়ে রাখলে বা রান্নার কারণে হলুদ-তেল লেগে নখে হলদেটে ভাব চলে আসে। অনেক সময় কষযুক্ত ফল বা সবজি কাটার জন্যও নখে দাগ পড়ে যায়। এই সমস্যা সমাধানে লেবুর খোসা দিয়ে নখ ভালো করে ঘষে নিন, নখ হয়ে উঠবে ঝকঝকে পরিষ্কার।

ত্বকের কালো দাগ দূর

লেবু দিয়ে ব্রণ, র‌্যাশ বা ব্লাক হেডসের কালো দাগ কিংবা যেকোনো ধরণের কালো দাগ দূর করতে পারেন খুবই সহজে। সেজন্য প্রতি রাতে মুখ ভালো করে পরিষ্কার করে নিয়ে দাগের ওপর লেবুর খোসা ঘষে নিন। এভাবে ১ ঘণ্টা রেখে মুখ ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। কয়েকদিনের ব্যবহারে দ্রুতই দাগ দূর হয়ে যাবে।

 

প্রাকৃতিক টোনার

লেবুকে প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে অনায়াসেই ব্যবহার করতে পারেন। পরিষ্কার মুখের ওপর লেবুর খোসা আলতো ম্যাসাজ করে নিন। এরপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্যস, দারুণ কাজে দেবে।

ব্রণ দূর

লেবুর খোসা খুবই ভালো ব্রণ প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। লেবুর খোসায় মধু লাগিয়ে তা দিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করলেই ভালো উপকার পাওয়া সম্ভব।

কনুই ও হাঁটুর কালচে দাগ

অনেকেরই কনুই এবং হাঁটুতে কালচে দাগ থাকে এবং চামড়া হয়ে যায় শক্ত। এই সমস্যা সমাধানে প্রতিদিন লেবুর ঘষে অপেক্ষা করুন এক ঘণ্টা। কিছুদিনের মধ্যেই দাগ দূর হবে এবং নরম কোমল হয় উঠবে চামড়ার শক্ত ভাব।

পায়ের যত্নে

প্রতিদিনই একটু পায়ের যত্ন না নিলে অবস্থা শোচনীয় হতে থাকে। তাই প্রতিদিন বেশি কিছু না করতে পারলেও এক টুকরো লেবু উষ্ণ পানিতে চিপে নিন।

এবার পা ডুবিয়ে রাখুন ১০ থেকে ১৫ মিনিট। এবার স্ক্রাবার দিয়ে ঘষে পা পরিষ্কার করে নিলেই হল। তারপর পছন্দমতো ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।

সতর্কতা

  • অনেকের ত্বকে লেবুতে অ্যালার্জি হয়। তাই ত্বকে সরাসরি ব্যবহারের আগে নিশ্চিত হয়ে নিন লেবুতে আপনার অ্যালার্জি আছে কি না।
  • ত্বকে লেবুর রস দিয়ে সূর্যের আলোতে গেলে ত্বক পুড়ে যায়। ত্বকের সুরক্ষায় লেবু ব্যবহার করবেন রাতের বেলা।

ঘরেই তৈরি করুন হাত ও পায়ের স্ক্রাব
ঘরেই তৈরি করুন হাত ও পায়ের স্ক্রাব

আপনার ত্বককে তারুণ্য দীপ্ত রাখতে চাইলে ক্লিঞ্জিং ও ময়শ্চারাইজিং এর পাশাপাশি স্ক্রাবিং ও করতে হবে। যদি আপনার ত্বক খুবই সংবেদনশীল হয় তবুও আপনার হাল্কা স্ক্রাব করা প্রয়োজন। এক্সফলিয়েট করলে শরিরের মৃত চামড়া দূর হয়ে যায়,ত্বকের রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায় এবং ত্বক নতুনের মতো উজ্জ্বল হয়ে উঠে।

 

শুধুমাত্র মুখে না হাত ও পায়ের স্ক্রাব করাটাও খুব জরুরী। কারণ শরীরের অন্যান্য অংশের চেয়ে হাত ও পা দ্বারাই আমরা বেশির ভাগ কাজ করে থাকি। তাই হাত এবং পায়ের ও যত্ন নেয়া প্রয়োজন। আপনার রান্নাঘরের কিছু উপাদান দিয়েই এগুলো তৈরি করা যায়। এগুলোর ব্যবহারে আপনার হাত ও পায়ের ত্বক হারিয়ে যাওয়া উজ্জলতা ফিরে পাবে এবং ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ত্বককে কোমল করে তুলবে।

আসুন এবার যেনে নেই স্ক্রাব কিভাবে তৈরি করবো তার উপায়-

১। লেবু ও লবণ এর স্ক্রাব

লবণ এক্সফলিয়েশন এর একটি সবচেয়ে ভালো উপাদান।কিছু লবণ হাতের উল্টো পিঠে ও পায়ের পাতার উপর ছিটিয়ে দিতে হবে, একটা লেবুর অর্ধেকটা কেটে নিয়ে আস্তে আস্তে ছিটানো লবণের উপর ঘষতে হবে।লেবুর রস যেন হাত ও পা কে পুরোপুরি ভিজিয়ে দেয়, কিছুক্ষণ পর মুছে ফেললেই হবে।এতে হাত ও পায়ের মরা চামড়া দূর হবে এবং উজ্জলতা আনবে।

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)

২। আলুর রস এর স্ক্রাব

সংবেদনশীল ত্বক যাদের তাদের জন্য আলুর রস সবচেয়ে ভালো স্ক্রাব।আলুর কয়েকটি টুকরো থেঁতলে নিয়ে ভালো করে রস বের করে নিতে হবে, তারপর সেই রস হাত ও পায়ে ভালো ভাবে মাখিয়ে নিয়ে জোরে জোরে ঘষতে হবে।২০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৩। অ্যালোভেরা এর স্ক্রাব

অ্যালোভেরা সংবেদনশীল ত্বকের জন্য ভালো একটি স্ক্রাব। অ্যালোভেরার একটি পাতা থেকে ভেতরের স্বচ্ছ জেল বের করে হাত ও পায়ে মাখিয়ে নিতে হবে। ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এতে হাত ও পায়ের ত্বক কোমল ও ঊজ্জল হবে।

৪। কমলার স্ক্রাব

একটি বলের মধ্যে শুকনো কমলার খোসার গুঁড়ো নিতে হবে এর মধ্যে এক কাপের চার ভাগের এক অংশ পরিমাণ দুধ নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করতে হবে।এবার মিশ্রণটি হাত ও পায়ে মাখিয়ে ২০ মিনিট রাখতে হবে। ২০ মিনিট পর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

৫। দুধের স্ক্রাব

আপনি গোসল করতে যাওয়ার আগে কাঁচা দুধ আপনার হাত ও পায়ে ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন।কিছুক্ষণ পর যখন আপনার ত্বক এই দুধ শুষে নিবে আপনি নিজেই দেখতে পাবেন কিভাবে মরা চামড়া উঠে  আসছে।

এই ৮টি উপাদান কখনো চেহারায় মাখবেন না
এই ৮টি উপাদান কখনো চেহারায় মাখবেন না

সুন্দর ত্বক সবারই কাম্য। এ জন্য অনেকেই ত্বকে নানা কিছু মাখেন। কসমেটিক থেকে শুরু করে প্রাকৃতিক উপাদান সবকিছুই থাকে এর মধ্যে। তবে কিছু উপাদান রয়েছে, যেগুলোর ব্যবহারে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হয়। আর এগুলো ব্যবহার করা একেবারেই ঠিক নয়। স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট হেলদি ফুড টিম প্রকাশ করেছে এ-সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন।

১. ভ্যাসলিন

ভ্যাসলিন সারা বিশ্বেই ত্বক আর্দ্র করার একটি উৎকৃষ্ট উপাদান। এটি শুষ্ক ত্বক প্রতিরোধে উপকারী। বিভিন্ন কাটাছেঁড়া বা পোকামাকড়ের কামড়ে এটি ব্যবহার করা যায়। তবে ব্রণ হলে কখনোই ভ্যাসলিন মুখে লাগাবেন না। কারণ, এটি ব্রণ বাড়িয়ে দিতে পারে।

২. বডি লোশন

বডি লোশন তৈরি করা হয় শরীরের জন্য, মুখের জন্য নয়। শরীরের ত্বক মুখের ত্বকের তুলনায় পুরু হয়। আর বডি লোশনকেও সে অনুযায়ী তৈরি করা হয়।

৩. গরম পানি

গরম পানির গোসল বা বাষ্পে গোসল অনেকেরই পছন্দ হতে পারে। তবে গরম পানি মুখের ত্বকে লাগানো ঠিক নয়। এটি মুখের ত্বককে শুষ্ক করে তোলে।

  (এই বিষয়গুলোর উপর ভিডিও বা স্বাস্থ্য বিষয় ভিডিও দেখতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করে রাখুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেলটি - ঠিকানা - YouTube.com/HealthBarta)

৪. টুথপেস্ট

অনেকেই ব্রণ শুকিয়ে ফেলার জন্য টুথপেস্ট ব্যবহার করেন। তবে এ কাজ কখনোই করতে যাবেন না। টুথপেস্ট মুখের ত্বকে অস্বস্তি বাড়ায় এবং জটিল সমস্যা তৈরি করতে পারে। যেমন : কেমিক্যাল বার্ন, স্কার্স ইত্যাদি।

৫. হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড

এই শক্তিশালী উপাদানটি কেটে গেলে ও পুড়ে গেলে সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করতে কাজ করে। তবে এটি ব্রণের চিকিৎসায় কখনোই ভালো উপাদান নয়। এটি প্রদাহ ও অ্যালার্জি তৈরি করতে পারে।

৬. লেবু

লেবুর অনেক স্বাস্থ্যকর গুণ রয়েছে। তবে এটি মুখের ত্বকের পিএইচের ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত করে। তাই এটি ত্বকে ব্যবহার করবেন না।

৭. বেকিং সোডা

অনেকেই ভাবেন, বেকিং সোডার ব্যবহার ত্বকের মৃতকোষ দূর করতে ভালো। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এর ব্যবহারে ত্বকের ক্ষতি হয় এবং ত্বকের আর্দ্রতা নষ্ট হয়। তাই মুখে বেকিং সোডা ব্যবহার না করার পরামর্শই দেন বিশেষজ্ঞরা।

৮. চিনি

অনেকে ত্বকের মৃতকোষ দূর করার জন্য চিনি ব্যবহার করেন। তবে এটি লাভের বদলে ক্ষতি বেশি করে। এটি ত্বকের নমনীয়তা কমিয়ে দেয়। তাই মুখে এই উপাদান ব্যবহার থেকেও বিরত থাকুন। আর খুব প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ত্বকের সমস্যায় ফুলের ফেসপ্যাক
ত্বকের সমস্যায় ফুলের ফেসপ্যাক

ত্বকে একটি কালো দাগ পড়লে সেটি দূর করার জন্য সকলেই সর্বোচেষ্টা করে থাকি। নামী দামী কত রকমের ক্রিম, বিউটি প্রোডাক্ট, ফেসিয়াল কত কিছুই না করা হয়ে থাকে। অনেকেই ত্বকের যত্নে ফলের তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহার করে থাকেন। ফুল দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাক ব্যবহার করেছেন কি? হ্যাঁ, ফুলের তৈরি ফেসপ্যাক। গোলাপ, লোটাস, ল্যাভেন্ডার সহ আরও কিছু ফুলে প্রাকৃতিক তেল এবং পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা ত্বকের কালো দাগ দূর করে ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে থাকে। আসুন, এমনই কিছু ফুলের ফেসপ্যাক সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

ত্বকের সমস্যায় ফুলের ফেসপ্যাক-

 

ত্বকের সমস্যায় ফুলের ফেসপ্যাক

১। গোলাপের ফেসপ্যাক

সৌর্ন্দয চর্চায় গোলাপ বেশ জনপ্রিয় একটি উপাদান। গোলাপের পাপড়ি এবং এর নির্যাস ফেসিয়ালে ব্যবহার করা হয়। এক মুঠো গোলাপের পাপড়ি আধা কাপ পানিতে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এই পাপড়িগুলো পেস্ট করে নিন। এর সাথে এক টেবিল চামচ ওটমিল গুঁড়ো দিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার প্যাকটি মুখ এবং ঘাড়ে ভাল করে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। গোলাপের পাপড়ি সিদ্ধ করা পানি ফেলে দিবেন না,এটি সংরক্ষণ করুন। গোলাপ জল হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।

২। গাঁদাফুলের ফেসপ্যাক

২-৩ টি গাঁদাফুলের পাপড়ি গুঁড়ো করে দুধের সাথে মিশিয়ে নিন। তারপর বেটে পেস্ট তৈরি করুন এর সাথে এক চিমটি হলুদের গুঁড়ো, টকদই মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য টকদই এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য দুধ অথবা দুধের সর মিশিয়ে নিন। এই প্যাকটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি ত্বকে তাৎক্ষনিক উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এর সাথে ত্বকের দাগ দূর করে দেয়।

৩। লোটাস ফেসপ্যাক

একটি লোটাস বেটে পেস্ট তৈরি করে নিন। এর সাথে দুধ, চন্দনের গুঁড়ো মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই পেস্টটি মুখ এবং ঘাড়ে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করুন। লোটাস ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বকের ভিতর থেকে উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে। শুধু তাই নয় ত্বকে বলিরেখা পড়া রোধ করে থাকে।

৪। জেসমিন ফেসপ্যাক

জেসমিনের পাপড়ি সিদ্ধ করে বেটে পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার এই পেস্টটি ত্বকে সরাসরি লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া জেসমিন ফুলের পাপড়ি এবং অন্যান্য ফুলের পাপড়ি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিতে পারেন। এর সাথে এসেন্সিয়াল অইয়েল মিশিয়ে নিতে পারেন কয়েক ফোঁটা। জেসমিন রোদেপোড়া দাগ দূর করে দিতে সাহায্য করে।

গরমে চেহারা সুন্দর রাখতে
গরমে চেহারা সুন্দর রাখতে

দেখতে দেখতে এসেই গেল গরমকাল। এই গরমে সব চাইতে কঠিন কাজটি হলো ত্বকের সৌন্দর্য ঠিকঠাক মতো ধরে রাখা। রোদের প্রচণ্ড তাপ, ধুলোবালি এবং বিরূপ আবহাওয়ার কারণে এই সময় চেহারার সৌন্দর্য ধরে রাখা বেশ কষ্টসাধ্য ব্যাপার। কিন্তু যদি নিয়মিত প্রতিদিন সঠিকভাবে যত্ন নেয়া হয় তবে এই গরমেও ধরে রাখা যাবে চেহারার সৌন্দর্য। চলুন তবে দেখে নেই চেহারার সৌন্দর্য ধরে রাখার কিছু উপায়।

গরমে চেহারা সুন্দর রাখতে-

 

গরমে চেহারা সুন্দর রাখতে

উজ্জলতা বৃদ্ধিতে পেঁপের ব্যবহার

রোদের তীব্রতায় ত্বক পুড়ে কালো হয়ে যায় এবং ঘামের ওপর ধুলোবালি জমে ত্বক কালো দেখায়।ত্বকের হারানো উজ্জলতা ফিরিয়ে আনতে ব্যবহার করুন পেঁপে। পাকা পেঁপে স্লাইস করে কেটে নিন। এরপর এই পেঁপে মুখ, হাত, পা, গলা এবং ঘাড়ের ত্বকে ভালো করে ঘষে নিন। শুকিয়ে উঠলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে মাত্র ২ দিন ব্যবহারে বাড়বে ত্বকের উজ্জলতা।

ত্বককে সুস্থ রাখতে ফেইস মাস্ক

২ টেবিল চামচ টকদই এবং ১ টেবিল চামচ তাজা লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে মুখ, গলা এবং ঘাড়ের ত্বকের উপর লাগান। ২০-৩০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের গরমকাল জনিত যে কোনো সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

ত্বককে ময়েসচারাইজ করতে প্রাকৃতিক ময়েসচারাইজার

গরমকালে আবহাওয়ায় অনেক তাপ থাকে বলে ত্বকের উপরিভাগের আদ্রর্তা একেবারেই চলে যায়। এতে দেখতে বিশ্রী লাগে। এই সমস্যা দূর করতে ত্বক পরিষ্কার করে নিয়ে, ২ টেবিল চামচ মধু এবং ১ টেবিল চামচ তাজা লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ২০ মিনিট পড়ে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে ত্বকের আদ্রর্তা বজায় থাকবে এবং চেহারা থাকবে সুন্দর।

কোন ত্বকে কেমন সানস্ক্রিন উপযোগী
কোন ত্বকে কেমন সানস্ক্রিন উপযোগী

শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা কোনো সময়েই সানস্ক্রিন ব্যবহার করা বন্ধ করা উচিৎ নয়। রোদের তীব্রতা আমাদের ত্বকের ওপর ছাপ ফেলে খুব বিরুপভাবে। তাই আমাদের উচিত ত্বকের ধরণ অনুযায়ী সানস্ক্রিন ব্যাবহার করা। আসুন আজ জেনে নেই কোন ধরনের ত্বকের জন্য কোন সানস্ক্রিন উপযোগী।

কোন ত্বকে কেমন সানস্ক্রিন উপযোগী-

 

কোন ত্বকে কেমন সানস্ক্রিন উপযোগী

তৈলাক্ত ত্বকের জন্য
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য সাধারণ যে কোন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিৎ নয়। এতে ব্রণের উপদ্রব বাড়ে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য অবশ্যই পানির মাত্রা বেশি অর্থাৎ ওয়াটার বেইজড সানস্ক্রিন বাছাই করা উচিৎ। এতে করে রোদ এবং ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। সানস্ক্রিনের এসপিএফ অবশ্যই ৩০ মাত্রার অধিক ব্যবহার করবেন।

শুষ্ক এবং রুক্ষ ত্বকের জন্য
শুষ্ক এবং রুক্ষ ত্বকের জন্যও আলাদা ধরণের সানস্ক্রিন ব্যবহার করার প্রয়োজন রয়েছে। রুক্ষ ত্বকে সাধারণ সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ত্বক আরও বেশি শুষ্ক এবং রুক্ষ হয়ে পরে। তাই রুক্ষ এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য ময়েশ্চারাইজার সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন বাছাই করতে হবে। একই সাথে এসপিএফ ৩০ মাত্রার অধিক সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন।

সাধারণ ত্বকের জন্য
সাধারণ ত্বকের জন্য সানস্ক্রিন বাছাইয়ের ক্ষেত্রে খুব বেশি বাছাবাছি করার প্রয়োজন নেই। কারণ সাধারণ ত্বকের ৩০ থেকে ৫০ এসপিএফ মাত্রার সানস্ক্রিন ভালোভাবেই কাজ করে। সাধারণ ত্বকের জন্য শুধুমাত্র ভালো ওয়াটারপ্রুফ সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিৎ। এতে করে ত্বক ঘেমে গেলেও সানস্ক্রিন ত্বকে থাকবে।

আদার ৫টি সৌন্দর্য উপকারিতা
আদার ৫টি সৌন্দর্য উপকারিতা

আদা আমাদের অতি পরিচিত একটি মশলার নাম। আদাকে মশলাই বলা চলে। আদা আমরা খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্যই বিশেষভাবে ব্যবহার করে থাকি। আদা কুচি বা আদা বাটা খাবারের স্বাদ বাড়ায়। আদা খাবারে স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি আমাদের দেহের সুস্থতার জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। আদা পেটের যে কোনও সমস্যা, সর্দি কাশি নিরাময়ে বেশ সহায়তা করে। কিন্তু আপনি জানেন কি, এতো সব কিছুর পাশাপাশি আদার রয়েছে বেশ কিছু সৌন্দর্য উপকারিতা? অনেকেই এই ব্যাপারটি সম্পর্কে অবগত নন। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক চেনা আদার অচেনা কিছু সৌন্দর্য উপকারিতা।

আদার ৫টি সৌন্দর্য উপকারিতা-

 

আদার ৫টি সৌন্দর্য উপকারিতা

বয়সের ছাপ প্রতিরোধে আদা

আদার মধ্যে অ্যান্টিএইজিং উপাদান রয়েছে যা ত্বকে বয়সের ছাপ ফেলতে বাধা প্রদান করে। এছারা আদার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের টক্সিন দূর করে এবং দেহে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে ও ত্বকের সতেজ ভাব ধরে রাখে। তাই প্রতিদিন সামান্য আদা কাচা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। চেহারায় বহুকাল বলিরেখা পড়বে না।

ত্বকের পোড়া অংশ নিরাময়ে আদা

মাঝে মধ্যেই কাজ করতে গিয়ে যে কেউ পুড়িয়ে ফেলতে পারেন হাত বা পায়ের বা দেহের যে কোনো অংশের ত্বক। ত্বকের এই পুড়ে যাওয়া নিরাময় করতে আদা বেশ সহায়ক। তাজা আদার রস পোড়া অংশে দিয়ে রাখুন। দেখবেন দ্রুত সেরে উঠবে। এছাড়া ত্বকের পোড়া অংশের দাগও দ্রুত চলে যাবে।

উজ্জ্বল ত্বকের জন্য আদা

প্রতিদিন খানিকটা আদা কেটে নিয়ে ত্বকে ভালো করে ঘষুন। সারাদিন শেসে বাসায় ফিরে খানিকটা আদা কেটে হাত, গলা ও মুখে ঘষুন। দেখবেন ত্বকের উপরিভাগের উজ্জ্বলতা অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে। এতে করে ত্বকের দাগও চলে যাবে।

চুল পড়া প্রতিরোধ ও নতুন চুল জন্মাতে আদা

আদার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট চুলের গোড়া মজবুত করে তোলে। গোসলের ২৫-৩০ মিনিট আগে তাজা আদার রস পুরো চুলে তেলের মতো করে লাগিয়ে নিন। মাথার ত্বকে চুলের গোড়ার দিকে লাগাবেন। সপ্তাহে ২/৩ বার ব্যবহারে চুল পড়া ৭৫% পর্যন্ত কমে যাবে। আদার রস মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, এতে নতুন করে চুল জন্মায় ও চুল হয় স্বাস্থ্যউজ্জ্বল।

চুলের আগা ফাটা ও রুক্ষতা দূর করতে আদা

আদার তেল শ্যাম্পুর সাথে মিশিয়ে নিয়ে তা দিয়ে চুল ধুলে চুলের আগা ফাটা এবং রুক্ষতা একেবারে দূর হয়ে যায়। এটি চুলের প্রাকৃতিক ময়েসচারাইজারের মতো কাজ করে। আদার তেল মার্কেটে না পেলে ঘরেই বানিয়ে নিতে পারেন খুব সহজে। ১ কাপ অলিভ অয়েলে বড় একটি আদার খণ্ড কুঁচি করে দিয়ে তেল গরম করুন। ফুটতে দেবেন না তেল। গরম হলে নামিয়ে নিন। এভাবে ৪/৫ বার করে তেল ঠাণ্ডা করে আদা তেল থেকে ছেঁকে নিয়ে তৈরি করে ফেলুন আদার তেল।

সুন্দর থাকতে যা করা উচিত
সুন্দর থাকতে যা করা উচিত

ঘুরে ফিরে বারবার আয়নার সামনে যাওয়া। উঁকি দিয়ে নিজের চেহারাকে দেখা নিখুঁতভাবে। কেনই বা ইচ্ছা করবে না, এমন সুন্দর কোমল চেহারা হলে সবাই-ই এমন কাজ করে থাকে। অথচ ঋতু বদলের ধাক্কায় কখন জানি চুরি হয়ে যাচ্ছে আপনার সৌন্দর্য।ব্যথিত মনে ক্ষোভ পুষে না রেখে করে নিন টুকিটাকি যত্ন-আত্মি। সামান্য চেষ্টায় দীর্ঘদিন ধরে রাখুন আপনার প্রস্ফুটিত সৌন্দর্য। আপনিও সুন্দর থাকুন সারাটিক্ষণ। তাই আসুন শিখে নেয়া যাক খুটিনাটি কিছু উপায়।

সুন্দর থাকতে যা করা উচিত-

 

সুন্দর থাকতে যা করা উচিত

সানস্ক্রিন ছাড়া বাইরে নয়

শীত কিংবা গরমে, ত্বকের সঠিক যত্নে সব ঋতুতেই চাই সানস্ক্রিন। সতেজ আর তারুণ্যদীপ্ত ত্বক ধরে রাখতে সানস্ক্রিন অত্যান্ত জরুরি। সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি ত্বকের ক্যানসার এবং ত্বকে বয়সের ছাপ পড়ার প্রধান কারণ। তাই ত্বককে কোমল রাখতে নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। বাইরে যাওয়ার অন্তত ১৫ মিনিট আগে ভালো করে সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন। মনে রাখবেন সুন্দর থাকার মোক্ষম অস্ত্র সানস্ক্রিন ছাড়া বাইরে যাওয়া নয়।

ত্বকের আদ্রতা রক্ষা

ত্বকের আদ্রতা ধরে রাখতে প্রতিদিন শরীরে ময়েশ্চরাইজিং লোশন এবং মুখে ময়েশ্চার ক্রিম মাখুন। এতে আপনার শরীরের ত্বক ভালো থাকার পাশাপাশি বয়সের ছাপ পড়তে দেবে না। ত্বক টান টান থাকবে।

ত্বকের পরিচর্যা

প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে। মাঝে মাঝে ত্বকের উপযোগী বিভিন্ন মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। ত্বকে বাড়তি ময়লা জমতে দেয়া ঠিক নয়। ত্বকের র‌্যাশ, ছোপ ছোপ দাগ, কালোভাব দূর করতে নিয়মিত সামান্য মাত্রায় পরিচর্যা অব্যাহত রাখতে পারেন।

টুকটাক ব্যায়াম

আপনার বয়সের সঙ্গে হয়তো ওজন ঠিকই আছে। যতই ফাস্টফুড খান না কেন তবু ওজন বাড়ে না। কোথাও কোনো বাড়তি মেদ চর্বি নেই। ঠিক এই অবস্থায় আপনি ভাবছেন কষ্ট করে ব্যায়াম করার কি দরকার? হ্যা আপনাকেই বলছি, আপনার শারীরিক অবস্থা এভাবে হয়তো দু’বছর বা পাঁচ বছর পর্যন্তও স্থায়ী হতে পারে। কিন্তু একটা সময় পর না চাইলেও আপনার ওজন বাড়তে থাকবে। দেহের আকারে হয়ে যেতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন। তাই নিজের সৌন্দর্য ধরে রাখতে সামান্য ব্যায়ামের অভ্যাস রাখা জরুরি। ব্যায়াম দেহে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দিয়ে ত্বকে অক্সিজেন প্রবাহ বাড়ায়।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস

প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণ ফল এবং সবজি খান। ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’ এবং ‘ই’ খাওয়ার ওপর বেশি জোর দিন। এসব ভিটামিন ত্বকে অ্যান্টি-অক্সিজেন হিসেবে কাজ করে ত্বককে ভালো রাখে।

পর্যাপ্ত পানি পান

নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী পানি পান করুন, যাতে পিপাসা না লাগে। এতে শরীর ভালো থাকার পাশাপাশি ত্বকও ভালো থাকবে। ত্বকের কোষ সজীব থাকে।

শ্যাম্পুর পর ঝলমলে সুন্দর চুল পেতে চাইলে
শ্যাম্পুর পর ঝলমলে সুন্দর চুল পেতে চাইলে

সুন্দর ঝলমলে চুল পেতে কে না চান? রুক্ষ্ম আর বিবর্ণ চুল নিয়ে বিষণ্ণতায় ভোগেন অনেকেই। নানা রকম দামী শ্যাম্পু আর এটা ওটা ব্যবহার করেও মেলে না কাঙ্ক্ষিত ফল। তবে কী করবেন? করতে হবে ছোট্ট একটি কাজ। বদলে যাবে চুলের চেহারা।

শ্যাম্পুর পর ঝলমলে সুন্দর চুল পেতে চাইলে-

 

শ্যাম্পুর পর ঝলমলে সুন্দর চুল পেতে চাইলে

চায়ের লিকার থেরাপি –
ঝলমলে চুলের জন্য দারুণ কাজ করে চায়ের লিকার। চুল যেমনি হোক না কেন তৈলাক্ত, শুষ্ক বা স্বাভাবিক- এই চায়ের লিকার মানিয়ে যাবে খুব সহজে।

এটা তৈরির জন্য দুই কাপ পানি নিন। তার মাঝে ৬ টেবিল চামচ ফ্রেশ চা পাতা দিন। এটাকে এখন অল্প আঁচে চুলায় ফুটতে দিন। ফুটে ফুটে লিকার ঘন হবে। এবং দুই কাপ পানি কমে এক কাপের কম হলে বুঝবেন যে রেডি। এখন এটাকে ঠাণ্ডা করে ছেঁকে নিন। শ্যাম্পু করার পর ভেজা চুলে এই মিশ্রণ মাখুন। ৫ মিনিট পর সাধারণ পানিতে ধুয়ে ফেলুন।

ভিনেগারে চুলের চমক –
শ্যাম্পু করে ফেলছেন? এবার ভিনেগার মেশানো পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল। আধা কাপ ভিনেগার এক মগ পানিতে মিশিয়ে নিন। তারপর সেটা দিয়ে ধুয়ে ফেলুন শ্যাম্পু করা চুল। ৫ মিনিট পর আবার একটু স্বাভাবিক পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। শুকিয়ে নিলেই পাবেন ঝলমলে চুল।

বেকিং সোডায় উজ্জ্বল চুল –
নিস্প্রান চুলকে ঝলমলে করে তুলতে বেকিং সোডার কোন বিকল্প নেই। এ কাপ হালকা গরম পানির মাঝে ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। শ্যাম্পু করা ভেজা চুলে এই মিশ্রণ লাগান। ৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এবার চুলের চমক দেখে নিজেই অবাক হয়ে যাবেন!

ত্বক ও চুলের যত্নে বাঙ্গির উপকারিতা
ত্বক ও চুলের যত্নে বাঙ্গির উপকারিতা

বাঙ্গি বা ফুটি অনেকেই অপছন্দ করেন। কারণ এটি খেতে খুব বেশি সুস্বাদু নয়। কিন্তু বাঙ্গির রয়েছে অনেক পুষ্টিগুন। আমাদের দেহের সুরক্ষায় বাঙ্গি অত্যন্ত উপকারি একটি ফল। স্বাদের কারণে অনেকে এই ফলটি থেকে দূরে থাকেন বলে এই ফলের গুন সম্পর্কে অনেকেই অজ্ঞাত। বাঙ্গির যেমন স্বাস্থ্যগুণ রয়েছে তেমনই রয়েছে বেশ সৌন্দর্যগুণ। রূপচর্চায় বেশ প্রাচীনকাল থেকেই বাঙ্গি ব্যবহার হয়ে আসছে। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক বাঙ্গির সৌন্দর্য ।

ত্বক ও চুলের যত্নে বাঙ্গির উপকারিতা-

 

ত্বক ও চুলের যত্নে বাঙ্গির উপকারিতা

ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করে
বাঙ্গি ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। ত্বক কুচকে যাওয়া এবং ফ্রি র্যা ডিক্যাল থেকে রক্ষা করতে বাঙ্গির তুলনা নেই। এটি ত্বকের নষ্ট হয়ে যাওয়া কোষ ঠিক করতে সাহায্য করে। বাঙ্গির প্রোটিন কম্পাউন্ড ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে ত্বককে করে তোলে সুন্দর।
বাঙ্গি থেঁতো করে নিয়ে মধুর সাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। নিয়মিত ব্যবহারে পাবেন উজ্জ্বল সুন্দর ত্বক।

ত্বকের ব্রণ, একজিমা সমস্যা দূর করে
ত্বকের ব্রনের সমস্যা কিংবা একজিমা সমসসায় যারা ভুগে থাকেন তাদের জন্য বাঙ্গি অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন ১ গ্লাস বাঙ্গির শরবত ত্বককে ভেতর থেকে সাস্থ্যবান করে তুলতে সাহায্য করে। এতে করে ত্বকের ব্রনের সমস্যা এবং অন্যান্য সমস্যা দূর হয়।
বাঙ্গি ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে একটি পাতলা কাপড়ে ছেঁকে রসটুকু বের করে নিন। এই রস আপনি লোশনের মতো ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে ব্রণ এবং একজিমার সমস্যা থেকে রক্ষা পাবেন।

চুল পড়া রোধ করে
ভিটামিন বি এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ‘ইন্সনিটোল’ যা আমাদের নতুন করে চুল গজাতে সাহায্য করে এবং চুল পড়া প্রতিরোধ করে। এই উপাদানটি বাঙ্গিতে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। নিয়মিত বাঙ্গি খেলে চুল হয় স্বাস্থ্যউজ্জ্বল ও সুন্দর।
বাঙ্গি ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এটি শ্যাম্পু করার পর চুলে কন্ডিশনারের মতো ব্যবহার করুন। এতে চুলের নানা সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।

DIY homemade face mask
DIY homemade face mask

Home made mask made from natural ingredients 

Face masks are all the rage at the moment. I wanted to strip it back before L'Oréal and other brands created the various types of masks.

Whenever my face felt like it was feeling tired or spotty, I would make this mask with the following ingredients:

1 teaspoon of milk 
Freshly squeezed lemon
Egg whites 
Sugar 
Salt 
1 teaspoon of lemon juice

Ta da! 

Leave on for 10-15 minutes. The face pack will harden. Wash off with cool water. 

Results: Face will feel soft, clean and fresh.

Milk 
Milk is great for the complexion. 

• Makes skin softer
• Mildly bleaches the face
•Soothes skin irritation
•Beautifies skin.
•Shrinks pores
•Acts as a cleanser
•Removes dead cells
•Smoothes fine line & wrinkles
•Treatment for sunburn

Lemons
* Blackhead treatment: Lemons are a antibacterial 
* Skin brightener because lemons are rich in vitamin C and citric acid.
* Removes dead cells
* Reduces shine (grease)

Salt
* Deeply cleanses pores
* Balances out the production of oil
* Prevents breakouts 
* Another antibacterial 

Sugar
* Hydrates skin and locks in moisture
* Treats sun-damaged/ageing skin 
* Creates fresher/ younger looking skin
* Exfoliates dead skin and reveals glowing healthy looking skin.

Egg whites
I love egg whites because I feel like it gives me a mini facelift.
* Shrinks pores by tightening skin 
* Tones skin colour
* Lifts skin (the facelift effect) good for under eye area
* Reduces oily skin
* Gets rid of blackheads
* Smoothes wrinkles
* Prevents acne 

Natural ingredients are the best because you know what is going on your face. This mask should be applied at least once a week. 

 

T.s

© Copyright 2017 By GBnews24.com LTD Company Number: 09415178 | Design & Developed By (GBnews24 Group ) ☛ Email: gbnews24@gmail.com

United States   USA United States