বয়সের ছাপ দূর করে যে ফলগুলো - GBnews24
Beauty Tips
Add Post
Games
8 1 8 Best strategy game

বয়সের ছাপ দূর করে যে ফলগুলো

প্রকৃতির নিয়মে বয়স বাড়বে। এটাই স্বাভাবিক। আর প্রকৃতির মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে বয়সের ছাপ এড়ানোর কিছু খাবার। নিয়মিত কিছু ফল খেলে বয়সের ছাপ এড়ানো যায়।এসব ফলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলিরেখা দূর করে ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখে এবং ত্বক টানটান রাখে।

 

যে ফলগুলো বয়সের ছাপ এড়াতে কাজ করে-

 

আঙুর

আঙুরে থাকা ভিটামিন-সি ত্বকের কোঁচকানো ভাব দূর করে ত্বককে টানটান করে। এ ছাড়া এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ত্বককে রাখে দাগহীন ও বলিরেখামুক্ত।

 

তরমুজ

চেহারার বয়সের ছাপ দূর করতে তরমুজের কোনো বিকল্প নেই। এই ফলের বিচিও স্বাস্থ্যজ্জ্বল ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এর ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখে।

 

কলা

কলার ভিটামিন-সি ও বি৬ ত্বক টানটান রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত কলা খেলে ত্বকের পানিশূন্যতা দূর হয় এবং ত্বক সহজে কুঁচকায় না।

 

বেদানা

বেদানার ভিটামিন ও মিনারেল ত্বককে সুস্থ রাখে। এটি ত্বকের কোষে প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায় এবং কোলেজেনের স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখে। নিয়মিত বেদানা খেলে ত্বক হয় টানটান ও সতেজ।

 

অ্যাভোকাডো

অ্যাভোকাডোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই ও বি রয়েছে, যা গভীর থেকে ত্বকের পুষ্টি যোগায়। ভিটামিন-ই ত্বক সুস্থ রাখে এবং ত্বকে পানির মাত্রা বজায় রাখে। এর ফলে ত্বক কুঁচকে যায় না এবং ত্বক থাকে বলিরেখামুক্ত।

 

কিউই

ত্বকের বলিরেখা দূর করতে কিউই ফল নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি ও ই রয়েছে, যা ত্বকের কোঁচকানো ভাব দূর করে। এ ছাড়া ত্বকের সংক্রমণজাতীয় সমস্যারও সমাধান করে কিউই।

Related Tips

See more

সঙ্গীর জীবনে খুব খারাপ সময় যাচ্ছে ? কী করবেন জেনে নিন
সঙ্গীর জীবনে খুব খারাপ সময় যাচ্ছে ? কী করবেন জেনে নিন

যদিও সম্পর্ক দুজনের মাধ্যমে তৈরি হয় কিন্তু যদি কেউ একজন সমস্যায় থাকেন তাহলে তার প্রভাব দুজনের ওপরেই সমানভাবে পড়ে। অনেক সময় হয়তো সঙ্গী প্রকাশ করেন না নিজের বিষণ্ণতার কথা, ফ্রাস্ট্রেশনের পড়ার কথা কিন্তু তারপরও মুখের ভাব এবং ব্যবহারেই অনেক কিছু বোঝা যায়। সম্পর্কে সবচাইতে বড় সমস্যাগুলো বেঁধে যায় এই সময়টাতেই। সঙ্গী হয়তো আশা করেন আপনার সাপোর্ট কিন্তু আপনি না বুঝে সঙ্গীর কাছ থেকে স্বাভাবিক আচরণ আশা করছেন। দুজনের আশা পূরণ হয় না এবং ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। তাই সঙ্গীর বিপদে কীভাবে সাপোর্ট করবেন তা জানা থাকাও অনেক জরুরী সম্পর্ক সঠিক রাখার জন্য। সঙ্গী যদি খুব খারাপ সময়ে থাকেন তাহলে জেনে নিন আপনার কর্তব্য কী হতে পারে।

১) না বুঝেই কোনো কথা বলে বসবেন না

সঙ্গীর বিপদের সময় বা খারাপ সময়ে না বুঝেই হুট করে কোনো কাজ বা কথা বলে বসবেন না একেবারেই। যদি সঙ্গীর বিপদের সময় নাও বুঝতে পারেন তারপরও একটু চুপ থেকে জেনে নেয়ার চেষ্টা করুন আসলেই সমস্যা কোথায়। সঙ্গীর ব্যবহারে আগে থেকেই ধরে নিয়ে কিছু বলবেন না, মোট কথা জাজমেন্টাল হবেন না। প্রথমে বুঝে নিন।

২) সঙ্গীর মানসিক শক্তি যোগান

যদি দেখেন সঙ্গী একেবারেই ভেঙে পড়েছেন তাহলে যতোটা সম্ভব সঙ্গীর মানসিক শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা করুন। বিপদের সময় সঙ্গীর মুখের ‘আমি তোমার সাথে আছি’, ‘ভরসা রাখো, সব ঠিক হয়ে যাবে’ এই ধরণের সান্ত্বনার কথাও অনেক কাজে দেয়। মনে সাহস যোগায় এবং মানসিক শক্তি আসে।

৩) ধৈর্য ধরুন

হতে পারে খারাপ সময়ে সঙ্গীর মানসিকতা সঠিক নাও থাকতে পারে। তিনি যদি আপনার সাথে খারাপ ব্যবহারও করেন তবে যা অবশ্যই আপনাকে খুব বেশী কষ্ট দেয়া নয়, সীমার মধ্যে আপনি ধৈর্য ধরে সহ্য করে যান। তাকে তার স্বাভাবিক নিয়মে এবং সময়ে ফিরে আসা পর্যন্ত সময় দিন। আপনিও আশা হারিয়ে ফেললে চলবে না।

৪) সঙ্গীর সাথে থাকার চেষ্টা করুন

বিপদের সময় সবচাইতে বেশী জরুরী একজন মানুষের পাশে থাকা। যেন নিজেকে একলা না ভাবেন সঙ্গী, না ভাবেন যে তার বিপদের সময় তিনি কাউকে পাচ্ছেন না। আপনি তার পাশে থাকার চেষ্টা করুন। তাকে যদি কথা বলে বা বুঝিয়ে না হলেও তার প্রয়োজনে পাশে থাকাটাও অনেক বড় ব্যাপার।

৫) সঙ্গীর মনোযোগ অন্য দিকে নেয়ার চেষ্টা করুন

বিপদের কথা সব সময় মনে পড়বে তা খুবই স্বাভাবিক, এবং এর থেকে বিষণ্ণতা আরও বৃদ্ধি পাওয়াও স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। তাই সঙ্গীর মনোযোগ এই বিপর্যয়ের সময়ে অন্য দিকে নিয়ে তাকে একটু আনন্দ দেয়ার চেষ্টা করে দেখতে পারেন। এতে আপনার প্রতি তার আস্থা বাড়বে, তিনি নিজেও একটি স্বস্তি পাবেন।

ভালোবেসে ফেলেছেন প্রিয় বন্ধুটিকে? কি করবেন জেনে নিন
ভালোবেসে ফেলেছেন প্রিয় বন্ধুটিকে? কি করবেন জেনে নিন

‘বন্ধু’ ছোট একটি শব্দ, কিন্তু অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পর্ক। এই বন্ধুর প্রেমে যদি হঠাৎ করে পড়ে যান, তখন কি হবে? কি করবেন? সবাই কি মনে করবে? এমন শত শত প্রশ্ন মনে আসতে পারে। এতসব প্রশ্ন এর মাঝে একটি প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি আসে তা হল বন্ধুটি কি মনে করবে? সে কি এটি সহজভাবে নিবে? বন্ধুত্বটা কি থাকবে নাকি নষ্ট হয়ে যাবে? এত চিন্তার কিছু নেই। বন্ধুর প্রেমে পড়া কোন অপরাধ নয়। তাই এত চিন্তা করে কষ্ট পাবার প্রয়োজন নিই। বন্ধুর প্রেমে পড়লে কি করবেন এমন কিছু ধারনা পাওয়া যায় .boldsky,about.com, yourtango.com থেকে।

১। তাকে বোঝার চেষ্টা করুন

আপনি হয়তো আপনার বন্ধুটিকে অনেকদিন ধরে অনেক ভাল ভাবে চেনেন। কিন্তু তাকে মনের কথাটি বলার আগে আরেকবার তাকে বোঝার চেষ্টা করুন। বুঝতে চেষ্টা করুন আপনার কথায় সে কিভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাবে। তাকে বুঝেশুনে তারপরই মনের কথাটি বলুন।

২। সঠিক সময় নির্বাচন করুন

ভালবাসার কথাটি বলার আগে একবার দেখে নিন সময়টি ঠিক আছে কিনা? হুট করে বলে ফেলবেন না। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। হয়তো তার কোন আত্নীয় মারা গেছে কিংবা কোন কারণে তার মন খারাপ এমন সময় আপনার মনের কথা বলতে যাবেন না। অপেক্ষা করুন, সময় নিন, তারপর বলুন।

৩। নিজের প্রতি সৎ থাকুন

মনের কথা বলার জন্য নিজেকে তৈরি করুন। সংকোচ কাটিয়ে মনে সাহস আনুন। যা বলার সরাসরি বলে ফেলুন। নিজের প্রতি বন্ধুর প্রতি সৎ থাকুন। মনের কথা বলার আগে নিজেকে বার বার জিজ্ঞাসা করে নিন আপনি কি আসলেই তাকে ভালবাসেন কিনা? নাকি এটি ক্ষণিকের ভাল লাগা? ভাল করে জেনে তারপর সাহস করে বলে ফেলুন।

৪। বলে ফেলুন মনের কথাটি

কোন একটি সুন্দর জায়গায় বন্ধুটিকে আসতে বলুন। প্রথমে তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন এই বলে যে, আপনি যা বলতে যাচ্ছেন তা শুনে সে যদি কষ্ট পায় তবে যেন আপনাকে ক্ষমা করে দেয়। তারপর বলে ফেলুন যা বলতে চাচ্ছেন। খুব বেশি কিছু না বলে অল্প কথায় বলে ফেলুন কথাটি।

৫। তার প্রতিক্রিয়া সহজভাবে নিন

হয়তে পারে আপনার বন্ধুটি আপনাকে ‘না’ করে দিল। এতে খুব বেশি প্রতিক্রিয়া আপনি দেখাবেন না। মেনে নিন। বন্ধুত্বটা ঠিক রাখুন। তার পছন্দ অপছন্দকে সম্মান করুন।

৬। ভবিষ্যৎ এর কথা ভাবুন

যদি আপনাকে না করে দেন সেটা নিয়ে চিন্তা করবেন না। সহজভাবে নিন। বন্ধুত্বটাকে আগের মত রাখার চেষ্টা করুন। যদি হ্যাঁ বলে তবে ভবিষ্যৎ এর কথা চিন্তা করুন। হয়তো আপনার বন্ধুটি আপনার সাথে সম্পর্ক নাও রাখতে পারে, আপনি তাকে সময় দিন সহজ হবার। বরং আপনি তার সাথে আগের মত বন্ধু সুলভ আচরণ করুন। এটি তাকে আপনার সাথে সহজ হতে সাহায্য করবে।

একজন ভাল বন্ধু একজন ভাল জীবন সঙ্গী হতে পারে। কিন্তু বন্ধুত্বের সম্পর্কটিকে সম্মান করুন। বন্ধুটির হ্যাঁ বা না কে সহজভাবে মেনে নিন। বন্ধুত্বটা নষ্ট হতে দিবেন না কিছুতেই। সব সম্পর্কের ওপর বন্ধুত্ব, তাকে নষ্ট হতে দিবেন না।

বিয়ের আগে প্রত্যেক নারীর যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শিখে নেয়া উচিত
বিয়ের আগে প্রত্যেক নারীর যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো শিখে নেয়া উচিত

বিয়ে বিষয়টি যতোটা স্বপ্নের মতো মনে হোক না কেন আসলে তা কিন্তু সত্যিকার অর্থে ততোটা স্বপ্নের মতো নয়। বিশেষ করে নারীদের জন্য। সাক্ষর দেয়ার পর জীবনটা কিন্তু আগের মতো থাকে না একেবারেই। বরং এতো বছর কাটিয়ে আসা জীবনটাকে বিদায় করে দিয়ে নতুন জীবনে পা দিতে হয়। আর পদে পদে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। আর এই সমস্যা সমাধান না হলে অনেক সময় সম্পর্কে সমস্যা শুরু হয়ে যায়। সে কারণে নারীদের অনেক কৌশলী হতে হয়। তাই বিয়ে করার আগে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার প্রত্যেক নারীরই শিখে নেয়া খুব জরুরী।

১) ভদ্রভাবে না বলা শিখে নিন

বিয়ের পর এমন অনেক বিষয় সামনে আসে যা করা অনুরোধে ঢেঁকী গেলার মতোই। এই অনুরোধে ঢেঁকী গেলার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে অন্যের মনে কষ্ট না দিয়ে কীভাবে না বলতে হয় তা শিখে নেয়া প্রত্যেক নারীর জন্যই জরুরী। সরাসরি না বলে একটু ঘুরিয়ে বুঝিয়ে বলা অর্থাৎ কিছুটা ডিপ্লোম্যাটিক উত্তর দিতে শিখে নিন বিয়ের আগেই।

২) মানিয়ে নেয়ার বিষয়টি

একজন পুরুষকে কখনো অন্যের বাসায় গিয়ে অন্য একটি ফ্যামিলির সাথে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করতে হয় না। এটি শুধুমাত্র একটি নারীরই করতে হয়। তাই মানিয়ে নেয়ার বিষয়টি আগে থেকেই নিজে থেকে শিখে নিন। এতে করে বিয়ের পর অনেক ঝামেলা এড়িয়ে চলতে পারবেন।

৩) কীভাবে কথা বলতে হয়

মুখের কথা এমন একটি জিনিস যা একবার বের হয়ে গেলে তা ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। অনেক সময় সামান্য একটি কথাই অনেক বড় হতে পারে যা সম্পর্কে সমস্যা তৈরি করার জন্য যথেষ্ট। তাই কথা কীভাবে বললে নিজের কোথাও উপস্থাপন করা যাবে এবং সামনের মানুষটিকে কষ্ট দেয়া হবে তা সেই বুদ্ধি আগে থেকেই মাথায় রাখা জরুরী।

৪) সব দিক সামাল দেয়া

বিয়ের পর আপনি যখন শ্বশুরবাড়ি যাবেন তখন আপনাকে শ্বশুর শাশুড়ির প্রতি যে কর্তব্য পালন করতে হবে তা কিন্তু আপনি নিজের স্বামীকে আপনার বাবা মায়ের প্রতি করতে একটু কমই দেখবেন। কিন্তু এতে আপনি কিছু বললেও সমস্যা। এই ধরণের সমস্যা বা কিছু ব্যাপার কীভাবে কৌশলে সামাল দিতে হবে তা একজন নারীর আগে থেকেই শিখে নেয়া জরুরী।

৫) সব ব্যাপারে সবাইকে টেনে না আনা

নারীদের মূল সমস্যা হচ্ছে সমস্যা যাই হোক না কেন সবাইকে টেনে নিয়ে এসে ম্যান অভিমান ও ঝগড়া করতে থাকেন। কিন্তু এই জিনিসটি আপনার সম্পর্কে চুল ধারণার জন্ম দেয় এবং সম্পর্কে টানা পোড়নের সৃষ্টি হয়। এই সমস্যা এড়াতে সমস্যা নিজে নিজে সমাধানের চেষ্টা করুন এবং কাকে কোন বিষয়ে নিয়ে আসা যাবে কার সাথে কোন ব্যাপারে কথা বলা যাবে এই বুদ্ধি শিখে নেয়া জরুরী।

বিয়ের আগে সবার অন্তত কতদিন প্রেম করা উচিত?
বিয়ের আগে সবার অন্তত কতদিন প্রেম করা উচিত?

আধুনিক সমাজব্যবস্থায় বিয়ের মতো বিষয়টিও বিশেষজ্ঞদের দুশ্চিন্তার উদ্রেক করছে। কারণটি হলো বিচ্ছেদ। ডিভোর্সের হার যেভাবে বেড়েছে, তাতে করে বিয়ে ব্যবস্থা কতটা সফলতা পেয়েছে তা গবেষণার বিষয়। আমেরিকার এক পরিসংখ্যানে বলা হয়, ৪০-৫০ শতাংশ দম্পতির বিচ্ছেদ ঘটে।

ইন্ডিয়ানা ইউনিভার্সিটির নৃবিজ্ঞানী হেলেন ফিশার প্রেম-ভালোবাসার নানা দিক নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছেন। তিনি বিয়ের স্থায়িত্বের সঙ্গে সম্পর্কের যোগসূত্র বের করার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেন, বিয়ের আগে যদি ২ বছর সম্পর্ক ঝালাই করে নেওয়া যায় তবে সুখী ও দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের নিশ্চয়তা মিলতে পারে।

সাম্প্রতিক এক গবেষণা কথা উল্লেখ করে ফিশার বলেন, বহু মানুষ আছেন যারা প্রেম করছেন এবং এক সঙ্গে থাকছেন। তারা এখনো বিয়ে করেননি। কিন্তু এদের ৬৭ শতাংশ বিয়ের পর ডিভোর্সের ভয়ে অস্থির থাকেন। এ ভয় কেবল অর্থনৈতিক বা আইনগত বিষয় নিয়ে নয়, ব্যক্তিগত ও সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ার ভয়ও কাজ করে।

মজার বিষয় হলো, বিচ্ছেদের এই ভয় পরবর্তীতে স্বাস্থ্যকর বিয়ের পথ খুঁজে দেয়। বিয়ের আগে দুজন দুজনকে যত বেশি জানবেন, দাম্পত্য জীবন তত বেশি সুখকর হবে।

কারো প্রেমে পড়লে মস্তিষ্কের যে অংশটি সিদ্ধান্তগ্রহণ ও পরিকল্পনা প্রণয়নের যৌক্তিক বিষয় নিয়ে কাজ করে, তা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। ভালোবাসার প্রাথমিক স্তরে মস্তিষ্কের পুরনো অংশগুলো কার্যকর হয়ে ওঠে। আকাঙ্ক্ষা, আবেশ এবং উদ্দীপনা চরমে পৌঁছে। এ সময়টাতে প্রিয়জন সম্পর্কে অনুভূতিগুলোর যৌক্তিক ব্যাখ্যা করা যায় না। ফলে তার মাঝে অসঙ্গতি থাকলেও তা চোখে পড়ে না। তাই বিয়ের আগে সম্পর্কটা যদি বেশ কিছু দিন চালিয়ে নেওয়া যায়, তবে সিদ্ধান্তগ্রহণ ও যুক্তিবোধ কাজে লাগানোর সুযোগ মেলে। তখন মানুষটি সঠিক সঙ্গী-সঙ্গিনী কিনা তা বুঝতে অনেক বেশি সুবিধা হয়।

বাস্তবিক জীবনে সঙ্গী-সঙ্গিনীর সম্পর্কে ভালো ধারণা সৃষ্টির জন্যে যথেষ্ট সময় ব্যয় করা উচিত। এর জন্যে ফিশার সবাইকে অন্তত ২ বছর অপেক্ষায় থাকতে বলেছেন। এই সময়ের মধ্যে একে অপর সম্পর্কে যুক্তির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন। সেই সঙ্গে নিজেকে সামলে নেওয়ার প্রক্রিয়াটিও রপ্ত হয়ে উঠবে।

ফিশার বলেন, সম্পর্কের যেকোনো স্তরে মনে হতে পারে, সঠিক মানুষটি খুঁজে পাওয়া গেছে। এই মানুষটিকে বিয়ে করা যেতে পারে। কিন্তু অন্তত ২ বছর সময় দেওয়ার পর একই উপলব্ধি পেলে নিশ্চিন্তে দাম্পত্য জীবন শুরু করতে পারেন। সামান্য সময় খরচের মাধ্যমে দুজনের জীবন সামলে ওঠা আরো সহজ ও সুখকর হয়ে উঠবে।

বয়সের ছাপ দূর করে যে ফলগুলো
বয়সের ছাপ দূর করে যে ফলগুলো

প্রকৃতির নিয়মে বয়স বাড়বে। এটাই স্বাভাবিক। আর প্রকৃতির মাঝেই লুকিয়ে রয়েছে বয়সের ছাপ এড়ানোর কিছু খাবার। নিয়মিত কিছু ফল খেলে বয়সের ছাপ এড়ানো যায়।এসব ফলের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলিরেখা দূর করে ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখে এবং ত্বক টানটান রাখে।

 

যে ফলগুলো বয়সের ছাপ এড়াতে কাজ করে-

 

আঙুর

আঙুরে থাকা ভিটামিন-সি ত্বকের কোঁচকানো ভাব দূর করে ত্বককে টানটান করে। এ ছাড়া এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস ত্বককে রাখে দাগহীন ও বলিরেখামুক্ত।

 

তরমুজ

চেহারার বয়সের ছাপ দূর করতে তরমুজের কোনো বিকল্প নেই। এই ফলের বিচিও স্বাস্থ্যজ্জ্বল ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এর ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের লাবণ্য ধরে রাখে।

 

কলা

কলার ভিটামিন-সি ও বি৬ ত্বক টানটান রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত কলা খেলে ত্বকের পানিশূন্যতা দূর হয় এবং ত্বক সহজে কুঁচকায় না।

 

বেদানা

বেদানার ভিটামিন ও মিনারেল ত্বককে সুস্থ রাখে। এটি ত্বকের কোষে প্রয়োজনীয় পুষ্টি যোগায় এবং কোলেজেনের স্থিতিস্থাপকতা ধরে রাখে। নিয়মিত বেদানা খেলে ত্বক হয় টানটান ও সতেজ।

 

অ্যাভোকাডো

অ্যাভোকাডোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই ও বি রয়েছে, যা গভীর থেকে ত্বকের পুষ্টি যোগায়। ভিটামিন-ই ত্বক সুস্থ রাখে এবং ত্বকে পানির মাত্রা বজায় রাখে। এর ফলে ত্বক কুঁচকে যায় না এবং ত্বক থাকে বলিরেখামুক্ত।

 

কিউই

ত্বকের বলিরেখা দূর করতে কিউই ফল নিয়মিত খাওয়া যেতে পারে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি ও ই রয়েছে, যা ত্বকের কোঁচকানো ভাব দূর করে। এ ছাড়া ত্বকের সংক্রমণজাতীয় সমস্যারও সমাধান করে কিউই।

Add 600 * 300
© Copyright 2017 By GBnews24.com LTD Company Number: 09415178 | Design & Developed By (GBnews24 Group ) ☛ Email: gbnews24@gmail.com

United States   USA United States