Bangla Blog - GBnews24
Bangla Blog
Add Post

Hot Tunes

The quick brown fox jumps over the lazy dog.
My Post
১৬ বছরের কিশোরের ওয়েবসাইটের মূল্য ৫০ কোটি!

১৬ বছরের কিশোরের ওয়েবসাইটের মূল্য ৫০ কোটি!...

১৬ বছর বয়সে সকলের ভাবনাই কিন্তু এক নয়। কারো কারো ভাবনা অন্যদের চেয়ে আরো বেশি উদ্দেশ্যমূলক হয়। তেমনই একজন মোহাম্মদ আলী। উত্তর ইংল্যান্ডের ইয়র্ক কাউন্টির ডেইসবেরি শহরে বসবাসকারী ১৬ বছরের এই কিশোর তার ওয়েবসাইটে (Weneed1.com) এমন অ্যালগরিদম ডেভেলপ করেছে, যা রিয়েল টাইম তথ্য প্রদর্শন করতে পারে, সাধারণ ইন্সুরেন্স সাইটগুলোর আগে থেকে নির্ধারিত তথ্যের পরিবর্তে। এ লেভেল পড়ুয়া এই কিশোরের মতে, বায়ার এবং সেলারদের অর্থ ও সময় সাশ্রয়ের এ ধরনের উন্নত সার্চ ইঞ্জিন এটাই প্রথম। যা ব্যবহারকারীদেরকে রিয়েল টাইম ‘ব্লুমবার্গ টার্মিনাল’ হিসেবে সুবিধা দেবে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন বিনোযোগকারী তার এই নতুন আইডিয়া কেনার জন্য ৫ মিলিয়ন পাউন্ড (বাংলাদেশি টাকায় যা ৫০ কোটির টাকার কিছু বেশি) প্রদানের অফার করেছে। কিন্তু মোহাম্মদ আলী ৫ মিলিয়ন পাউন্ডে তার সাইট বিক্রির অফারটি গ্রহণ করেনি। এ প্রসঙ্গে মোহাম্মদ আলী সংবাদমাধ্যম মিররকে জানায়, ‘লন্ডনে বিনোযোগকারীদের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয় এবং তারা বিশ্বাসই করতে পারেনি যে, এই সাইট আমি ডেভেলপ করেছি। ৫ মিলিয়ন পাউন্ডে বিক্রির অফার ফিরিয়ে দেওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে, যদি এই প্রযুক্তি এখন প্রাথমিক অবস্থায় মিলিয়ন পাউন্ডের হয়ে থাকে, তাহলে যখন এটি মানুষজন ব্যবহার করবে, তখন তার মূল্য কি পরিমান দাড়াবে।’ এই বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রস্তাব প্রত্যাখান করাটা ঝুঁকির বিষয় হলেও, তার বিশ্বাস ব্র্যান্ড হয়ে ওঠবে ওয়েবসাইট। ৬০ বছর বয়সী ক্রিস থপারের সঙ্গে অংশীদারিত্বের তার এই প্রজেক্ট আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হবে ২৮ জানুয়ারি। তবে এই বিপুল পরিমান অর্থ প্রস্তাব ইয়র্ক কাউন্টির ট্যাক্সি ড্রাইভারের ছেলে মোহাম্মদ আলীর জীবনে এবারই প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে ২০১২ সালে একটি ভিডিও গেম তৈরি করে সে, যা তাকে এনে দিয়েছিল ৩০ হাজার পাউন্ড আয়। ...

শনির বলয়ে ক্যাসিনির স্যুইসাইডাল জাম্প আজ

শনির বলয়ে ক্যাসিনির স্যুইসাইডাল জাম্প আজ...

শনির বলয়ে মরণ-ঝাঁপ (স্যুইসাইডাল জাম্প) দিতে প্রস্তুত নাসার মহাকাশযান ‘ক্যাসিনি’! এর আগে অবশ্য গ্রহটির সুদর্শন চক্রের অভূতপূর্ব ছবি উপহার দেবে মর্ত্যবাসীদের।  তারপর ধীরে ধীরে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে ক্যাসিনি’র শরীর! আর ২০১৭ সালে তা তলিয়ে যাবে শনি গ্রহের অতল আহ্বানে। আজ বৃহস্পতিবার মহাকাশ অভিযানের চূড়ান্ত স্তরে প্রবেশে প্রস্তুত নাসার এই মহাকাশযান। এই প্রথম কোনও মহাকাশযান ‘ঝাঁপ’ দেবে শনির বলয়ে। ঢুকে পড়বে শনির ২০টি বলয়ের মধ্যে সবচেয়ে বাইরের বলয়টির ‘আন্তরিক টানের’ (অভিকর্ষ বল) চৌহদ্দিতে। নিজের শরীরের অংশ থেকে যাকে ছিঁড়ে ‘ক্যাসিনি’ ছুঁড়ে ফেলে নামিয়ে দিয়েছিল শনির অন্যতম চাঁদ ‘টাইটান’-এ, সেই তার দোসর মহাকাশযান ‘হাইগেন্স’কে ‘তুই ভাল থাকিস’ বলে শনির চাঁদে রেখেই আজ শনির বলয়ে ‘সুইসাইডাল জাম্প’ দিচ্ছে ‘ক্যাসিনি’। নিজেকে ‘শেষ’ করে দেওয়ার আগে শনির বলয়গুলিকে খুব কাছ থেকে দেখার ছবি আর তথ্যাদি ‘ক্যাসিনি’ একের পর এক পাঠিয়ে যাবে নাসার গ্রাউন্ড কন্ট্রোল রুমে। শনির বলয়গুলিকে এত কাছ থেকে দেখার সুযোগ এর আগে পায়নি কোনও মহাকাশযান। ফলে, কোনও মহাকাশযানই এর আগে এত কাছ থেকে শনির বলয়গুলির ছবি তোলারও পায়নি কোনও সুযোগ। তাই শনির বলয়ে ‘ক্যাসিনি’র ঐতিহাসিক মরণ-ঝাঁপ দেখার জন্য নাসা, ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি, ইসরোর মতো বিশ্বের প্রথম সারির মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলি তো অধীর অপেক্ষায় রয়েছেনই, শনির বলয় সম্পর্কে নতুন-নতুন ছবি আর চমকে দেওয়ার মতো হাতেগরম তথ্যাদি পাওয়ার জন্য হাপিত্যেশ প্রতীক্ষায় রয়েছেন বিশ্বের তাবৎ জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির (ইএসএ বা ‘এসা’) বানানো ‘ল্যান্ডার’ মহাকাশযান ‘হাইগেন্স’-এর হাত ধরে নাসার ‘অরবিটার’ মহাকাশযান ‘ক্যাসিনি’ শনির বহু দূরের কক্ষপথে ঢুকে পড়েছিল সেই কবে- ১২ বছর আগে। ২০০৫ সালের ১৪ জানুয়ারি নিজের শরীরের অংশ ছিঁড়ে ‘ল্যান্ডার’ মহাকাশযান ‘হাইগেন্স’কে শনির চাঁদ ‘টাইটান’-এ নামিয়ে দিয়েছিল ‘ক্যাসিনি’। ২০০৪ সালের পয়লা জুলাই। ‘ক্যাসিনি-হাইগেন্স’-এর আগে আরও তিন-তিনটি মহাকাশযান শনির পাশ কাটিয়ে ঘুরে ও বেরিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ভয়ঙ্কর সুন্দর বলয়ের ঘেরাটোপে নিজেকে এই সৌরমণ্ডলে ‘স্বতন্ত্র’ করে সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখা শনি এতটাই ‘সম্ভ্রম-সমীহ’ আদায় করে নিতে পেরেছিল আমাদের কাছে থেকে যে হুট করে ‘গ্রহরাজ’-এর ‘ঘরে’ (কক্ষপথ) ঢুকে পড়ার সাহসে কুলোয়নি কোনও মহাকাশযানের! শনির কক্ষপথে প্রথম ‘পা’ দেওয়ার সাহসটা দেখিয়েছিল ‘ক্যাসিনি-হাইগেন্স’ মহাকাশযানই। আজ থেকে ১২ বছর আগে। তার আগে শনির কক্ষপথে পৌঁছতেও তো কম সময় লাগেনি ‘ক্যাসিনি-হাইগেন্স’-এর। পৃথিবী থেকে ‘জয় গুরু শনি’ বলে ‘ক্যাসিনি-হাইগেন্স’ রওনা দিয়েছিল সেই ১৯৯৭ সালে। তার পর পৃথিবীর ‘মায়াজাল’ (অভিকর্ষ বল) কাটিয়ে, শুক্র আর বৃহস্পতির পাশ কাটিয়ে (মঙ্গলকে অনেক অনেক দূর থেকে দেখতে দেখতে) সাত বছর ধরে একটানা মহাকাশে দৌড়ে শনির কক্ষপথে ‘ক্যাসিনি-হাইগেন্স’ পৌঁছেছিল ২০০৪ সালে। তার পর শনির একের পর এক চাঁদের কাছাকাছি গিয়েছে, তাদের কক্ষপথে পাক মেরেছে ‘ক্যাসিনি-হাইগেন্স’। করেছে অনেক নতুন নতুন আবিষ্কার। হদিশ পেয়েছে শনির চাঁদ ‘এনসেলাডাস’-এর অন্তরে-অন্দরে গভীর সমুদ্রের। খুঁজে পেয়েছে শনির অন্য চাঁদ ‘টাইটান’-এর অন্দরে লুকিয়ে থাকা তরল মিথেনে ভরা সমুদ্রেরও। এই মরণ-ঝাঁপ সম্পর্কে কী বলছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা? আমেরিকার মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানের অধ্যাপক সুনন্দ বন্দ্যোপাধ্যায় ই-মেলে আনন্দবাজারের পাঠানো প্রশ্নের জবাবে লিখেছেন, ‘’৩০ নভেম্বর (ভারতীয় সময়ে আজ থেকে) থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত শনির দুই মেরুর ওপরে চক্কর মারবে ‘ক্যাসিনি’। তার মধ্যে সাত দিন অন্তর প্রায় বার কুড়ি শনির বলয়গুলিকে ‘বুড়িছোঁয়া’ দিয়ে যাবে ‘ক্যাসিনি’। অনেকটা নেমে আসবে শনির দুই মেরুর কাছে। তার আগে আজ বৃহস্পতিবারই শনির চাঁদ ‘টাইটান’ এক ধাক্কায় ‘ক্যাসিনি’কে ছুঁড়ে দেবে শনির বলয়গুলির দিকে। শনির নিরক্ষরেখার (ইক্যুয়েটর) দিকে। ‘ক্যাসিনি’র এই পর্বটাকে আমরা বলছি ‘রিং-গ্রেজিং অরবিটস্‌’। কারণ, শুধুই মরণ-ঝাঁপ দেওয়ার জন্য শনির বলয়ে ঢুকবে না, ওই বলয় আর তার আশপাশে ছড়িয়ে, ছিটিয়ে থাকা কণা, গ্যাস আর ধুলোবালি ছেঁচে নিয়ে তা পৃথিবীতে পাঠানোর ব্যবস্থাও করে যাবে ‘ক্যাসিনি’। তাই এই পর্বটাকে আমরা বলছি, ‘গ্রেজিং’। আগামী মার্চ-এপ্রিলে শনির ‘এফ’ বলয়ে প্রায় ঢুকেই যাবে ‘ক্যাসিনি’। তবে তখনও শনির ‘এফ’ বলয় থেকে ‘ক্যাসিনি’র দূরত্ব থাকবে প্রায় ৭ হাজার ৮০০ কিলোমিটার বা ৪ হাজার ৮৫০ কিলোমিটার। শনির বলয়গুলির মধ্যে সবচেয়ে বাইরে থাকা এই ‘এফ’ বলয়টিই সবচেয়ে পাতলা। ৫০০ মাইল বা ৮০০ কিলোমিটারেই তা ফুরিয়ে যায়। আর তার ‘অন্তঃস্থল’টার ঘনত্বও খুব বেশি নয়। হবে কী ভাবে? তা যে সাকুল্যে ৩০ মাইল বা ৫০ কিলোমিটারের বেশি নয়। এই মরণ-ঝাঁপে আমাদের কিন্তু অনেক লাভ হবে। কারণ, ‘ক্যাসিনি’র চোখ দিয়ে আমরা দেখতে পারব শনির আরও কয়েকটি ‘লুকিয়ে থাকা’ চাঁদ ‘প্যান্ডোরা’, ‘অ্যাটলাস’, ‘প্যান’ আর ‘ডাফনিস’কে। জানতে পারব শনির খুব গুরুত্বপূর্ণ দু’টি বলয় ‘এ’ আর ‘বি’ সম্পর্কেও।’’ মরণ-ঝাঁপের শেষ পর্বে শনির কতটা ওপরে থাকবে ‘ক্যাসিনি’? মুম্বইয়ের টাটা ইনস্টিটিউট ফর ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের (টিআইএফআর) জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিশিষ্ট অধ্যাপক দেবেন্দ্র ওঝার কথায়, ‘‘এই কক্ষপথগুলিতে ‘ক্যাসিনি’ থাকবে শনির মেঘমণ্ডলের ৫৬ হাজার মাইল বা ৯০ হাজার কিলোমিটার ওপরে। আর আগামী এপ্রিলে তা তলিয়ে যেতে শুরু করেব শনির অতলান্ত অন্দরে। আর সেই সময় তা থাকবে শনির মেঘমণ্ডল থেকে মাত্রই ১ হাজার ১২ মাইল বা ১ হাজার ৬২৮ কিলোমিটার ওপরে। আর তা শনির বুকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে আগামী বছরের ১৫ সেপ্টেম্বরে।’’ নিচের ভিডিও দেখুন:   ...

বিশ্বের দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার তৈরি করছে জাপান

বিশ্বের দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার তৈরি করছে জাপান...

রোবটিক হোটেল, টাইফুনচালিত টারবাইনের মতো নানা উন্নত প্রযুক্তির কারণে বিশ্বে ইতিমধ্যে সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তির দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম জাপান। ডিজিটাল উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে অবস্থান আরও শক্ত করতে যাচ্ছে দেশটি। বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার তৈরির পরিকল্পনা করছে জাপান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপান এমন একটি যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছে, যা ব্যবহার করে দেশটির বিজ্ঞানীরা চালকবিহীন গাড়ি, রোবট ও ওষুধশিল্পে আরও উন্নতি করতে পারবে। সুপার কম্পিউটারের ক্ষেত্রে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পেছনে ফেলতে ১৭ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করছে জাপান সরকার। জাপানের এই সুপার কম্পিউটার সেকেন্ডে ১৩০ কোয়াড্রিলিয়ন হিসাব সম্পন্ন করতে পারবে। অর্থাৎ, এর গতি হবে ১৩০ পেটাফ্লপস। (১ পেটাফ্লপ = ১ হাজার টেরাফ্লপ বা ১০ লাখ গিগাফ্লপ)। বর্তমানে সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটারের খেতাব চীনের সানওয়ে তাইহুলাইটের। এর গতি প্রতি সেকেন্ডে ৯৩ পেটাফ্লপ।   গতির বিচারে শীর্ষ ১০ সুপার কম্পিউটারের দুটি চীনে, চারটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। বাকি চারটির মধ্যে জাপান, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড ও সৌদি আরবে একটি করে আছে। জাপানের সুপার কম্পিউটার আগামী বছর দেশটির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড ইন্ডাস্ট্রিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে স্থাপন করা হবে। গবেষকেরা আশা করছেন, এই সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নতি করা যাবে। অবশ্য, এই সুপার কম্পিউটার তৈরিতে কোন প্রতিষ্ঠান কাজ করবে, তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। বর্তমানে কম্পিউটার তৈরিতে দরপত্র গ্রহণ করছে দেশটি। ...

হোয়াটসঅ্যাপকে জনপ্রিয় করতে ভিডিও চ্যাটিং সুবিধা

হোয়াটসঅ্যাপকে জনপ্রিয় করতে ভিডিও চ্যাটিং সুবিধা...

অডিও কলিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপে এবার সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে ভিডিও কলিং সুবিধা। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে প্রতি মাসে ১০০ কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী অ্যাপটি ব্যবহার করে। এ খবর জানিয়েছে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ।   ফেসটাইম, স্কাইপ, ভাইবার, ফেসবুক মেসেঞ্জার ও গুগল ডুয়োর মতো ভিডিও কলিংয়ের অন্যান্য অ্যাপের মতো করেই সাজানো হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপের ভিডিও কলিং অপশনটি। এখনকার দিনে প্রায় সব অডিও কলিং অ্যাপগুলোতেই ভিডিও কলিংয়ের সুবিধা যোগ করা হয়েছে। এদিক দিয়ে পিছিয়ে ছিল হোয়াটসঅ্যাপ। হোয়াটস অ্যাপের চ্যাটবক্স খুললে কলিংয়ের একটি আইকন দেখা যাবে। সবুজ সেই আইকনে চাপ দিলেই ভয়েস কল এবং ভিডিও কলের দুটি অপশন আসবে, সেখান থেকে ক্রেতারা তাদের পছন্দমত অপশন বেছে নিতে পারবেন। ২০০৯ সালে যাত্রা শুরু করেছিল টেক্সট মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। দুই বছর পর যোগ করা হয় গ্রুপ চ্যাটিংয়ের সুবিধা। ২০১৩ সালে যোগ করা হয় অডিও কলিংয়ের সুবিধা, পরবর্তীতে গ্রুপ অডিও কলিংয়ের সুবিধাও যোগ করা হয়। ২০১৪ সালে ২২০০ কোটি ডলারের বিনিময়ে ফেসবুক কিনে নেয় হোয়াটসঅ্যাপ। এর পরই অ্যাপটিকে জনপ্রিয় করে তুলতে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করে ফেসবুক। এ বছর ডেস্কটপের জন্য ইন্ড-টু-ইন্ড এনক্রিপশন সুবিধাসম্বলিত অ্যাপ নিয়ে আসে হোয়াটসঅ্যাপ। হোয়াটসঅ্যাপের লিড মোবাইল ইঞ্জিনিয়ার মানপ্রিত সিং বলেন, ‘ভিডিও কলিং অ্যাপ হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপকে জনপ্রিয় করে তুলতে আমরা আমাদের সেরাটাই দেওয়ার চেষ্টা করব।’  তবে এখনই হয়তো বিশ্বের সব প্রান্তের মানুষ ভিডিও কলিংয়ের সুবিধাটি নাও পেতে পারে। ধীরে ধীরে সব দেশের ব্যবহারকারীরা ভিডিও কলিংয়ের সুবিধাটি পাবে।     ...

ফেসবুকে চালু হলো ভিডিও কমেন্ট

ফেসবুকে চালু হলো ভিডিও কমেন্ট...

এত দিন ফেসবুকে ছবি, ইমোজি ও স্টিকার দিয়ে কমেন্ট করার সুযোগ থাকলেও ছিল না ভিডিও কমেন্টের সুযোগ। এবার সে সুযোগও তৈরি করে দিয়েছে ফেসবুক। এখন থেকে ফেসবুকের কমেন্ট বক্সে ভিডিও পোস্ট করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। এ খবর জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ ও ডিজিটাল ট্রেন্ডজ। এক বছর ধরে ভিডিও কনটেন্ট নিয়ে গুরুত্বসহকারে কাজ করছে ফেসবুক। এ বছরের শুরুতে জানুয়ারি মাসে ফেসবুকে চালু করা হয় লাইভ স্ট্রিমিং। এ ছাড়া ফেসবুকের মেসেজিং অ্যাপ মেসেঞ্জারে যোগ করা হয়েছে ভিডিওকলের সুবিধা।  ফেসবুকের প্রোডাক্ট ইঞ্জিনিয়ার বব বাল্ডউইন বলেন, ‘অ্যানড্রয়েড, আইওএসের অ্যাপ এবং ডেস্কটপে ভিডিও কমেন্ট চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া ভিডিওকে গুরুত্ব দিয়ে সাজানো হয়েছে ফেসবুকের সব ফিচার। এত সব তথ্য জায়গা দিতে ফেসবুকের সার্ভারে বাড়তি চাপ পড়লেও আমরা ব্যবহারকারীদের নতুন অভিজ্ঞতা দিতে চাই। তাই নিশ্চিন্তে ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করতে থাকুন’। বব বাল্ডউইন আরো বলেন, ‘ফেসবুকে সব সময়ই ব্যবহারকারীদের চাপ থাকে। লাইক ও কমেন্ট সামলানোর পাশাপাশি ভিডিও কনটেন্টগুলোকে ঠিকভাবে জায়গা করে দেওয়াটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং।’ কয়েক দিন আগেই স্ন্যাপচ্যাটের একটি ফিচারের মতো করে নতুন টাইমলাইন সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এবার যোগ করা হলো ভিডিও কমেন্ট। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের ধারণা, সব ধরনের কনটেন্টকে একই জায়গায় স্থান করে দিতে চাইছে ফেসবুক। আর সে কারণেই এখন ভিডিও কনটেন্ট নিয়ে কাজ করছে তারা। ফেসবুকে ভিডিও কনটেন্ট জনপ্রিয় হলে সেটা ইউটিউবের মতো ভিডিও শেয়ারিং সাইটগুলোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সামনের দিনগুলোতে তারা ভিডিও কনটেন্ট নিয়ে আরো কাজ করতে চায়। কারণ তাদের মতে, ভিডিওর মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ অনেক সহজতর হয়। ...

ইউরো কাপ নিয়ে গুগল ডুডল

ইউরো কাপ নিয়ে গুগল ডুডল...

চলছে ফুটবল মৌসুম। একদিকে শুরু হয়ে গেছে কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্ট, অন্যদিকে আজ রাত থেকে ফ্রান্সে শুরু হচ্ছে উয়েফা ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ-২০১৬। তাই গুগল ডুডলেও জায়গা করে নিয়েছে ফুটবল। যেহেতু আয়োজনটি হচ্ছে ফ্রান্সে, তাই নতুন গুগল ডুডলে ফুটবল খেলতে দেখা যাচ্ছে প্যারিসের বিখ্যাত আইফেল টাওয়ারকে! আজ শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ফ্রান্স ও রোমানিয়া ম্যাচের মধ্য দিয়ে শুরু হবে এবারের ইউরো কাপ। উয়েফা ইউরো কাপ হচ্ছে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম ফুটবল আসর। প্রতি চার বছর পরপর ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের এই ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এবারের ইউরো কাপে অংশ নিচ্ছে ইউরোপের ২৪টি দেশ। ফ্রান্সের বিভিন্ন স্টেডিয়ামে পুরো মাসজুড়ে অনুষ্ঠিত হবে এই খেলাগুলো। ইউরো কাপ উপলক্ষে সাজানো নতুন গুগল ডুডলে দেখা যাচ্ছে প্যারিসে অবস্থিত আইফেল টাওয়ারের হাসিমুখ। অ্যানিমেটেড এই টাওয়ারটিকে দেখা যাবে দুই পায়ে ফুটবল খেলতে। আর আইফেল টাওয়ারের পেছনেই দেখা যাবে ইউরো কাপে অংশ নেওয়া সব দলের পতাকা। বিশেষ দিবস বা কোনো বিশিষ্ট ব্যক্তিকে স্মরণ করার জন্য গুগল সব সময়ই নতুন নতুন ডুডল প্রকাশ করে থাকে তাদের হোমপেজে। ...

লন্ডনে নতুন অফিস খুলছে গুগল

লন্ডনে নতুন অফিস খুলছে গুগল...

ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে নতুন অফিস খুলতে যাচ্ছে বিশ্বের অন্যতম সেরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান গুগল। মধ্য লন্ডনে নিজস্ব ভবনে কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে গুগল। এখন চলছে ভবন নির্মাণের কাজ। গুগলের পক্ষ থেকে এ খবর জানানো হয়েছে। বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে,  গুগলের নতুন অফিসে তিন হাজার নতুন কর্মী নেওয়া হবে। লন্ডনের কিংস ক্রস ট্রেন স্টেশনের কাছে গুগলের অফিস নির্মাণ করা হচ্ছে। এটাই হবে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নিজস্ব ভবনে গুগলের প্রথম কার্যালয়। গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘যুক্তরাজ্যে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ভবিষ্যৎ দারুণ উজ্জ্বল, এখানে বেশ কিছু দারুণ মেধা রয়েছে। একইসাথে রয়েছে বিশ্বসেরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যা প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহী। আমরা যুক্তরাজ্যে আমাদের বাজার বিস্তৃত করতে বদ্ধ পরিকর।’ লন্ডনে আগে থেকেই গুগলের একটি কার্যালয় রয়েছে। সেখানে গুগলের আড়াই হাজার কর্মী কাজ করেন। ২০১৮ সাল নাগাদ নতুন অফিসে স্থানান্তর হতে পারে লন্ডনে গুগলের কার্যালয়। ১০তলা এই ভবনটির ছয় লাখ ৫০ হাজার স্কয়ার ফিট জায়গা থাকবে। ভবনটি নির্মাণে সম্ভাব্য খরচ ধরা হয়েছে ১০০ কোটি পাউন্ড নতুন কার্যালয়ে সাত হাজার কর্মী কাজ করবেন। ধারণা করা হচ্ছে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেন বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আগামী দিনে লন্ডন ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবসায় শক্ত অবস্থান গড়তে চাইছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো। আর সে কারণেই গুগলের মতো প্রতিষ্ঠান বড় পরিসরে লন্ডনে কাজ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। ...

লেনোভো ফ্যাব ২ প্রো

লেনোভো ফ্যাব ২ প্রো...

যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে বৃহস্পতিবার লেনোভো টেক ওয়ার্ল্ডে ‘লেনোভো ফ্যাব ২ প্রো’ নামের স্মার্টফোনটি উন্মুক্ত করেছেন লেনোভোর চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী ইয়াং ইউয়ানকিং। এই ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে গুগলের ট্যাঙ্গো প্রযুক্তি। আগামী সেপ্টেম্বর নাগাদ বাজারে ছাড়া হবে স্মার্টফোনটি। এর দাম ধরা হয়েছে ৪৯৯ মার্কিন ডলার। লেনোভো ফ্যাব ২ প্রো তে রয়েছে বিশালাকৃতির ছয় দশমিক চার ইঞ্চি কিউএইচডি আইপিএস ডিসপ্লে। রিয়ার আরজিবি ক্যামেরা ১৬ মেগাপিক্সেলের এবং ফ্রন্ট ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেলের। আরো বাড়তি দুটি ক্যামেরা রয়েছে এতে। যার একটি হচ্ছে ডেপথ-সেন্সিং ইনফ্রারেড ক্যামেরা, এর সঙ্গে রয়েছে একটি ইমেজর ও এমিটর। আরো রয়েছে একটি মোশন ট্র্যাকিং ক্যামেরা। ফোনটিতে রয়েছে অক্টা-কোর কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬৫২ এসওসি। যার সঙ্গে রয়েছে ৪ জিবি র‍্যাম। ৪০৫০ এমএএইচের শক্তিশালী ব্যাটারি রয়েছে ফোনটিতে। রিয়ার প্যানেলে রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার। হ্যান্ডসেটটির স্পিকার সিস্টেমে রয়েছে ডলবি অটমোস অডিও টেকনোলজি। থ্রিডি সাউন্ড রেকর্ডিংয়ের জন্য রয়েছে ডলবি অডিও ৫ দশমিক ১। এই সেটেই প্রথমবারের মতো গুগলের ট্যাঙ্গো অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপ নামানোর সুযোগ পাবেন ব্যবহারকারীরা। প্রাথমিকভাবে ২৫টি অ্যাপ নিয়ে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে ট্যাঙ্গো অ্যাপ স্টোর। সবগুলো অ্যাপই ব্যবহার করা যাবে লেনোভো ফ্যাব ২ প্রোতে। ট্যাঙ্গো প্রযুক্তির কারণে এই স্মার্টফোনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির গেম খেলার সুযোগ পাবেন ব্যবহারকারীরা।   ...

অ্যানড্রয়েড ফোন নিয়ে আসছে নোকিয়া

অ্যানড্রয়েড ফোন নিয়ে আসছে নোকিয়া...

মাইক্রোসফটের সঙ্গে নোকিয়ার চুক্তি শেষ হচ্ছে এ বছর। আগামী বছর থেকে নোকিয়া তাই নতুন পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। এ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে অ্যানড্রয়েড স্মার্টফোন নিয়ে বাজারে আসা। আগামী বছরের মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে বেশ কিছু নতুন অ্যানড্রয়েড স্মার্টফোন নিয়ে আসতে পারে নোকিয়া। এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি। কয়েক মাস ধরে নোকিয়ার বেশ কিছু মডেলের নাম ও ছবি প্রকাশ করে আসছিল গিকবেঞ্চ। অ্যানড্রয়েড স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে রয়েছে নোকিয়া ৫৩২০, নোকিয়া ১৪৯০ ও নোকিয়া ডি১সি। ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে ৭২০ কোটি ডলারের বিনিময়ে নোকিয়া কিনে নিয়েছিল মাইক্রোসফট। সেই চুক্তির শর্ত ছিল, ২০১৬ সালের শেষ নাগাদ নোকিয়া নিজেদের নামে কোনো ফোন আনতে পারবে না। মাইক্রোসফট কিনে নেওয়ার পর লুমিয়া নামে উইন্ডোজ অপারেটিংয়ে চালিত স্মার্টফোন বাজারে ছাড়ে মাইক্রোসফট। তবে  লাভজনক না হওয়ায় এ বছরই লুমিয়া স্মার্টফোনের উৎপাদন বন্ধ করে দেয় মাইক্রোসফট। আর মাইক্রোসফটের সঙ্গে চুক্তি শেষ হওয়ার কারণে নোকিয়া এখন আবার নিজেদের নামে স্মার্টফোন ও ফিচার ফোন বাজারে ছাড়তে পারবে। আগামী বছরের শুরুতে ডি১সি মডেলের অ্যানড্রয়েড ফোন নিয়ে বাজারে আসতে পারে নোকিয়া। নোকিয়া ডি১সি ফোনে থাকতে পারে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৪৩০ প্রসেসর ও ৩ জিবি র্যাম। ১৩ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরার সঙ্গে থাকবে ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা।   ১৮৬৫ সালে যাত্রা শুরু করে ফিনল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান নোকিয়া। ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্গিতে প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তর অবস্থিত। বর্তমানে ১২০টির বেশি দেশে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় রয়েছে। ...

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৭ নিরাপদ দাবি কর্তৃপক্ষের

স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৭ নিরাপদ দাবি কর্তৃপক্ষের...

এ বছরটা মোটেও ভালো যায়নি কোরিয়ান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাংয়ের। বিশেষ করে গ্যালাক্সি নোট ৭-এর বিস্ফোরণের পর ফোনটির উৎপাদন ও বিক্রির ক্ষতি স্যামসাংকে অনেকদিন বয়ে বেড়াতে হবে। এর ফলে ব্যবহারকারীদের আস্থা অনেকটাই হারিয়েছে স্যামসাং। পুরোনো ক্ষত সারিয়ে তুলতেই স্যামসাং নিয়ে এসেছে তাদের নতুন স্মার্টফোন গ্যালাক্সি এস ৭ ও এস ৭ এজ। এই ফোন দুটি নিয়ে বেশ আশাবাদী তারা। তবে গ্যালাক্সি এস ৭ এজ ফোনটির ব্যাটারি বিস্ফোরণেরও কিছু খবর পাওয়া গেছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে স্যামসাং একটি বিবৃতি দিয়েছে যাতে দাবি করা হয়েছে গ্যালাক্সি এস ৭ সিরিজের ফোনগুলো সম্পূর্ণ নিরাপদ। এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি। স্যামসাংয়ের বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, স্যামসাং তাদের ফোনের মান নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তার ব্যাপারটি সবার আগে মাথায় রাখে। যুক্তরাষ্ট্রে এক কোটিরও বেশি ব্যবহারকারী এস ৭ সিরিজের ফোন ব্যবহার করছে। কিছু কিছু সেটের ব্যাটারির ক্ষেত্রে অভিযোগ এসেছে সেগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। পরীক্ষার ফল পাওয়ার আগে ব্যাটারি বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব নয়।   এর আগে স্যামসাং আরেকবার জানিয়েছিল, স্যামসাং এস ৭ স্মার্টফোন সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং এই সিরিজের কোনো ফোনই ফিরিয়ে নিচ্ছে না তারা। গত কয়েক মাসে স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি বেশকিছু ফোন বিস্ফোরিত হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চার্জে থাকা অবস্থায় অথবা ব্যবহারকারীদের পকেটে এসব ফোন বিস্ফোরিত হয়েছে। যেসব স্মার্টফোনে বিস্ফোরণ ঘটেছে তার মধ্যে রয়েছে গ্যালাক্সি এস ৭ এজ ও গ্যালাক্সি জে ৫। তবে স্যামসাং বরাবরই বলে আসছে তাদের ফোনের ব্যাটারিগুলো নিরাপদ প্রযুক্তিতেই তৈরি করা হয়েছে। ...

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর পদ্ধতি সমূহ।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর পদ্ধতি সমূহ।...

আসসালামু আলাইকুম।কেন জানি আমার মনে হচ্ছে আপনারা সবাই ভালো আছেন। আশা করছি ভালো আছেন। অনেক দিন ধরেই ভাবছি আপনাদের জন্যে আরেকটি টিউন করব, কিন্তু ব্যস্ততার জন্যে হয়ে উঠেনি। আজ একটু সময় পেয়েছি তাই ভাললাম আপনাদের জন্যে একটি টিউন করে ফেলি। ব্যস্ততার কথা বললাম বলে ভেবেন যে বড় সড় কোন।ফ্রীলাঞ্চের বা কোন বড় ধরনের কাজের ব্যক্তি। আমি আগেই বলেছি এখানে যে ভাইয়ারা আছেন আমি তাদের তুলনাই অতি নগন একজন মানুষ মাত্র। কিন্তু একজন মানুষ, তাই আমারও রুজি রুটির প্রয়োজন আছে, সেটাই যোগার করার জন্যে এতদিন ব্যস্ত ছিলাম। যাই হোক আজ যেহেতু এসেছি তো আসার কারণটা ও বলা যাক। আজ আমি এসেছি আপনাদের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে আরো কিছু ধারণা দেওয়ার জন্যে। তো চলুন শুরু করা যাক। আগের টিউন-এ আমি আপনাদের বলেছিলাম অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কী? আজ বলব অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কত প্রকার ও কি কি এবং একটি পদ্ধতি সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দিব। যদি কেউ নতুন থেকে থাকেন তাহলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংকি তা এই লিঙ্ক থেকে জানতে পারবেন। আসুন জেনে নেই তাহলে, আফিলিয়েট মার্কেটিং কত প্রকার ও কি কি? ==> আমরা সকলেই জানি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে এক প্রকার ব্যবসা এবং এটি লোকাল ব্যবসা হতে কিছুটা ভিন্ন। এটি মূলত দুই প্রকার, যথাঃ ১। বিনা মূল্যে / Free Mathod এবং ২। বিনিময়ে মাধ্যমে / Paid Mathod. তো আসুন আমরা এখন জানি বিনা মূল্যে বা Free Mathod আফিলিয়েট মার্কেটিং টা কি। বিনা মূল্যে / Free Mathod অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিনা মূল্যে বা Free Mathod অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে কোন ধরণের খরচ ছাড়াই ব্যবসা করা। আমার বাড়ি চট্রগ্রাম এবং আমাদের এখানে একটা কথার প্রচলন আছে। অন্যান জায়গায় কি বলে তা জানি না কিন্তু আমাদের চট্রগ্রাম-এ প্রচলিত কথাটি হচ্ছে--> **বিনা কুমে সওদাগরী ** এর মানে হচ্ছে কোন ধরণের খরচা পাতি ছাড়াই ব্যবসা করা। আপনি কোন এক ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের কোন ভালো জিনিস নিয়ে তার প্রচার করেন এবং সেই প্রচারের ফলে যদি সেই জিনিসটি বিক্রি হয়, উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সেই বিক্রির জন্য আপনাকে কমিশন প্রদান করবে। এই কমিশনটাই হচ্ছে আপনার ইনকাম এবং যে পদ্ধতিতে আপনি এই কমিশনটা পেলেন সেটাই হচ্ছে বিনা মূল্যে / Free Mathod অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। এর জন্য আপনার কোন ধরণের টাকা পয়সা খরচ হবে না, যা খরচ হবে তা হচ্ছে আপনার মেধা, শ্রম এবং প্রচার। এই পদ্ধতিতে সফল হওয়াটা একটু কষ্টের, কারণ দীর্ঘ সময় ধরে আপনাকে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আর যদি আপনি এতে একবার সফল হতে পারেন তার মনে আপনি পেরেছেন। কি পেরেছেন? হা হা হা, না না ভয়ের কিছু নেই, আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে পেরেছেন। তো আজকে এই পর্যন্ত। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ টিউনটি পড়ার জন্য। ...

একুশ শতকের সবচেয়ে বড় চাঁদ দেখা যাবে আজ

একুশ শতকের সবচেয়ে বড় চাঁদ দেখা যাবে আজ...

আজ সোমবার (১৪ নভেম্বর) একুশ শতকের সবচেয়ে বড় (এক্সট্রা সুপার মুন) আর উজ্জ্বলতম চাঁদটিকে দেখা যাবে আকাশে। পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে। এত কাছে টেনে চাঁদকে আর এতটা আপন করবে না আমাদের এই বাসযোগ্য গ্রহ, এই একুশ শতকে! সুপার মুন! মানে, আমাদের স্বপ্নের চাঁদ, প্রেম-ভালবাসার চাঁদ এ জীবনে আর আমাদের এতটা ধরা-ছোঁয়ার মধ্যে আসবে না কোনও দিনই। এর পর চাঁদ আমাদের এই বাসযোগ্য গ্রহের খুব কাছে আসবে ১৮ বছর পর, ২০৩৪ সালে। এই সুপার মুনটিকে সবচেয়ে ভালভাবে দেখতে পারবেন উত্তর আমেরিকার মানুষ। ২০৩৪ সালের ২৫ নভেম্বর আবার একটি সুপার মুন হবে। কিন্তু তখনও চাঁদ এবারের মতো অতোটা কাছে আসবে না পৃথিবীর। নভেম্বরের এই পূর্ণিমাকে আমেরিকায় ‘বিভার মুন’ও বলা হয়। কারণ, অনেক দিন আগে শীতে পশুর লোম দিয়ে গরম পোশাক বানানোর জন্য এই পূর্ণিমাতেই শিকারিরা ফাঁদ পাততেন পশু শিকারের জন্য। তবে এ বার এই বছরেই ৬টি সুপার মুন হয়েছে। মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে। তবে ১৪ নভেম্বরের সুপার মুনের সঙ্গে সত্যি-সত্যিই তাদের জুড়ি মেলা ভার!’’ সুপার মুন প্রায়ই দেখা যায় না কারণ, শুধু পূর্ণিমা হলেই তা হয় না। সেই পূর্ণিমার সময় চাঁদকে তার চলাচলের কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে সবচেয়ে কাছে আসতে হয়। আর গাণিতিক কারণেই তা রোজ রোজ সম্ভব হয় না। প্রতি পূর্ণিমায় সম্ভব হয় না। ফি-বছর সম্ভব হয় না। প্রতিটি দশকেও সম্ভব হয় না। কক্ষপথে ঘুরতে ফিরতে চাঁদের এই পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে চলে আসার দূরত্বটিকেই বলা হয় ‘পেরিজি’। মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের লুনার স্টাডিজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর অনির্বাণ মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আগে জানা দরকার কখন পূর্ণিমা হয়? যখন চাঁদ, সূর্য আর পৃথিবীর মধ্যে একটি সরলরেখা টানলে দেখা যায় চাঁদটা পৃথিবীর যে দিকে রয়েছে, সূর্যটা রয়েছে ঠিক তার উল্টো দিকে, তখনই হয় পূর্ণিমা। দু’দিকের অভিকর্ষের ‘টানাটানি’তে তাই পূর্ণিমায় পৃথিবীর জলস্তরের ওঠা-নামা হয় সবচেয়ে বেশি। যাকে আমরা জোয়ার, ভাটা বলি। আর ওই পূর্ণিমাতেই যখন পৃথিবীর এক দিকে থাকা চাঁদটি তার কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে সবচেয়ে কাছে চলে আসে আমাদের এই বাসযোগ্য গ্রহের (পেরিজি), তখনই হয় সুপার মুন। ওই সময় পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব থাকে ২ লক্ষ ২৩ হাজার ৬৯০ মাইল বা ৩ লক্ষ ৬০ হাজার কিলোমিটারেরও কম। এটা হয়, কারণ চাঁদ আমাদের পৃথিবীকে পাক মারে ডিমের মতো একটা কক্ষপথে। ফলে তা কখনও পৃথিবীর কাছে আসে, কখনও তা সরে যায় দূরে, অনেকটা স্বপ্নের মতোই। সবচেয়ে দূরে গেলে সেই দূরত্বকে আমরা বলি ‘অ্যাপোজি’। ১৯৪৮ সালের পর এত বড় আর এতটা উজ্জ্বল চাঁদ আর দেখা যায়নি আকাশে। পূর্ণিমার চাঁদ যতটা বড় দেখায় তার চেয়ে এ বার ১৪ শতাংশ বেশি বড় দেখাবে এই সুপার মুনটিকে। আর তার উজ্জ্বলতা হবে সাধারণ পূর্ণিমার চাঁদের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি। ...

প্রজেক্টরে সুবিধা

প্রজেক্টরে সুবিধা...

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) উপলক্ষে বেনকিউ প্রজেক্টরে সুবিধা দিচ্ছে স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড। বেনকিউ এমএস৫০৬ মডেলের মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর কিনলে উপহার হিসেবে পাওয়া যাবে প্রজেক্টর স্ক্রিন। সম্প্রতি বেনকিউ ব্র্যান্ডের এমএস৫০৬, এমএস৫২৭, এমএক্স৫০৭ এবং এমএক্স৫২৮ মডেলের চারটি নতুন মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর বাজারে ছাড়া হয়েছে। প্রোজেক্টরগুলোর দাম ৩১ হাজার ৪৯০ থেকে ৩৯ হাজার ৯৯০ টাকা পর্যন্ত। ...

 কল অব ডিউটি সিরিজের নতুন গেম উন্মুক্ত

কল অব ডিউটি সিরিজের নতুন গেম উন্মুক্ত...

উইন্ডোজ, প্লেস্টেশন ফোর ও এক্সবক্স ওয়ান প্ল্যাটফর্মের জন্য ‘কল অব ডিউটি: ইনফিনিট ওয়্যারফেয়ার’ গেমটি উন্মুক্ত করেছে গেম নির্মাতা ইনফিনিটি ওয়ার্ড। ফার্স্ট পারসন শুটার ভিডিও গেমটির প্রকাশক যুক্তরাষ্ট্রের ভিডিও গেম প্রকাশক অ্যাকটিভিশন। গেমটি খুচরা বিক্রির পাশাপাশি ডিজিটাল ডাউনলোডের জন্যও উন্মুক্ত করেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। গেমটি রাখার জন্য ব্যবহারকারীদের প্লেস্টেশন ফোরে ৪৪ দশমিক ৬ জিবি থেকে ৫৩ দশমিক ৬ জিবি ফাঁকা জায়গা থাকতে হবে। এক্সবক্সে লাগবে ৫২ দশমিক ১ জিবি জায়গা। গেমটির পর্যালোচনাকারীরা বলছেন, একক প্লেয়ার হিসেবে খেললে গেমটিতে দারুণ মজা পাওয়া যাবে। মাল্টিপ্লেয়ার অপশনে গেলে অর্থ খরচের ব্যাপারে গেমারকে সচেতন হয়ে খেলতে হবে। গেমটি সম্পর্কে এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইনফিনিটি ওয়ার্ডের স্টুডিও-প্রধান ডেভ স্টোল বলেন, ‘তিন বছর আগে সম্পূর্ণ নতুন লক্ষ্য নিয়ে আমরা শুরু করেছিলাম। গেমারদের নতুন জায়গায় হাজির করতে চেয়েছিলাম। ইনফিনিট ওয়্যারফেয়ার গেমটিতে আমরা ভালো-মন্দের একটি ধ্রুপদি গল্প বলেছি, যার ব্যাকগ্রাউন্ডে প্রচুর উদ্ভাবনী গেম খেলার বিষয় যুক্ত করা হয়েছে।’ প্রতিদ্বন্দ্বী ইলেকট্রনিক আর্টস ফ্র্যাঞ্চাইজির তৈরি ব্যাটলফিল্ড ওয়ান গেমটির সঙ্গে প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে অ্যাকটিভিশনকে। সে অর্থে কল অব ডিউটি সিরিজের নতুন গেমটিকে অ্যাকটিভিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভাবা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি। ...

 স্যামসাংয়ের নতুন ফোনে নতুন সফটওয়্যার

স্যামসাংয়ের নতুন ফোনে নতুন সফটওয়্যার...

গ্যালাক্সি ৮ নামের স্মার্টফোনের সঙ্গে নিজস্ব ডিজিটাল সহকারী সফটওয়্যার আনবে স্যামসাং। নতুন স্মার্টফোন ছাড়াও হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও পরিধানযোগ্য প্রযুক্তিপণ্যে কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার সফটওয়্যার যুক্ত করছে স্যামসাং। এ বছরের অক্টোবর মাসে স্যামসাং ভিভ ল্যাবস নামের একটি প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করে। ভিভসের উদ্যোক্তা এর আগে অ্যাপলের সিরি নামক ভার্চ্যুয়াল সহকারী সফটওয়্যার তৈরি করেছিলেন। ভিভ নামের ওই সফটওয়্যার গ্যালাক্সি এস ৮-এ থাকবে। আগামী বছরের শুরুতেই নতুন স্মার্টফোন আনতে পারে স্যামসাং। অবশ্য এর ফিচারগুলো এখনো নির্দিষ্ট করে বলেনি স্যামসাং। তবে নতুন সফটওয়্যার যুক্ত করার বিষয়টি ইঙ্গিত দিয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই সফটওয়্যার যুক্ত করার মাধ্যমে আমাজন, অ্যাপল, গুগল, মাইক্রোসফটের পথে পা বাড়াল স্যামসাং।   বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, স্মার্টফোনের বাজারে নোট ৭ নিয়ে বড় ধরনের ধাক্কা খাওয়ার পর এস ৮ স্মার্টফোনটির সফলতার ওপর ক্রেতাদের মন জয় করার বিষয়টিতে নির্ভর করছে স্যামসাং। নোট ৭ স্মার্টফোনটিতে আগুন ধরে যাওয়ার অভিযোগ ওঠায় তা বাজার থেকে ফিরিয়ে নেয় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স। ...

Mdtajel Miah

Total ( 2 )

HeRa

Total ( 27 )

Category

© Copyright 2017 By GBnews24.com LTD Company Number: 09415178 | Design & Developed By (GBnews24 Group ) ☛ Email: gbnews24@gmail.com

United States   USA United States