কল অব ডিউটি সিরিজের নতুন গেম উন্মুক্ত - GBnews24
Bangla Blog
Add Post
Games
8 1 8 Best strategy game

কল অব ডিউটি সিরিজের নতুন গেম উন্মুক্ত

উইন্ডোজ, প্লেস্টেশন ফোর ও এক্সবক্স ওয়ান প্ল্যাটফর্মের জন্য ‘কল অব ডিউটি: ইনফিনিট ওয়্যারফেয়ার’ গেমটি উন্মুক্ত করেছে গেম নির্মাতা ইনফিনিটি ওয়ার্ড। ফার্স্ট পারসন শুটার ভিডিও গেমটির প্রকাশক যুক্তরাষ্ট্রের ভিডিও গেম প্রকাশক অ্যাকটিভিশন। গেমটি খুচরা বিক্রির পাশাপাশি ডিজিটাল ডাউনলোডের জন্যও উন্মুক্ত করেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।

গেমটি রাখার জন্য ব্যবহারকারীদের প্লেস্টেশন ফোরে ৪৪ দশমিক ৬ জিবি থেকে ৫৩ দশমিক ৬ জিবি ফাঁকা জায়গা থাকতে হবে। এক্সবক্সে লাগবে ৫২ দশমিক ১ জিবি জায়গা।

গেমটির পর্যালোচনাকারীরা বলছেন, একক প্লেয়ার হিসেবে খেললে গেমটিতে দারুণ মজা পাওয়া যাবে। মাল্টিপ্লেয়ার অপশনে গেলে অর্থ খরচের ব্যাপারে গেমারকে সচেতন হয়ে খেলতে হবে।

গেমটি সম্পর্কে এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইনফিনিটি ওয়ার্ডের স্টুডিও-প্রধান ডেভ স্টোল বলেন, ‘তিন বছর আগে সম্পূর্ণ নতুন লক্ষ্য নিয়ে আমরা শুরু করেছিলাম। গেমারদের নতুন জায়গায় হাজির করতে চেয়েছিলাম। ইনফিনিট ওয়্যারফেয়ার গেমটিতে আমরা ভালো-মন্দের একটি ধ্রুপদি গল্প বলেছি, যার ব্যাকগ্রাউন্ডে প্রচুর উদ্ভাবনী গেম খেলার বিষয় যুক্ত করা হয়েছে।’

প্রতিদ্বন্দ্বী ইলেকট্রনিক আর্টস ফ্র্যাঞ্চাইজির তৈরি ব্যাটলফিল্ড ওয়ান গেমটির সঙ্গে প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে অ্যাকটিভিশনকে। সে অর্থে কল অব ডিউটি সিরিজের নতুন গেমটিকে অ্যাকটিভিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভাবা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

Related News

See more
১৬ বছরের কিশোরের ওয়েবসাইটের মূল্য ৫০ কোটি!

১৬ বছরের কিশোরের ওয়েবসাইটের মূল্য ৫০ কোটি!...

১৬ বছর বয়সে সকলের ভাবনাই কিন্তু এক নয়। কারো কারো ভাবনা অন্যদের চেয়ে আরো বেশি উদ্দেশ্যমূলক হয়। তেমনই একজন মোহাম্মদ আলী। উত্তর ইংল্যান্ডের ইয়র্ক কাউন্টির ডেইসবেরি শহরে বসবাসকারী ১৬ বছরের এই কিশোর তার ওয়েবসাইটে (Weneed1.com) এমন অ্যালগরিদম ডেভেলপ করেছে, যা রিয়েল টাইম তথ্য প্রদর্শন করতে পারে, সাধারণ ইন্সুরেন্স সাইটগুলোর আগে থেকে নির্ধারিত তথ্যের পরিবর্তে। এ লেভেল পড়ুয়া এই কিশোরের মতে, বায়ার এবং সেলারদের অর্থ ও সময় সাশ্রয়ের এ ধরনের উন্নত সার্চ ইঞ্জিন এটাই প্রথম। যা ব্যবহারকারীদেরকে রিয়েল টাইম ‘ব্লুমবার্গ টার্মিনাল’ হিসেবে সুবিধা দেবে। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন বিনোযোগকারী তার এই নতুন আইডিয়া কেনার জন্য ৫ মিলিয়ন পাউন্ড (বাংলাদেশি টাকায় যা ৫০ কোটির টাকার কিছু বেশি) প্রদানের অফার করেছে। কিন্তু মোহাম্মদ আলী ৫ মিলিয়ন পাউন্ডে তার সাইট বিক্রির অফারটি গ্রহণ করেনি। এ প্রসঙ্গে মোহাম্মদ আলী সংবাদমাধ্যম মিররকে জানায়, ‘লন্ডনে বিনোযোগকারীদের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয় এবং তারা বিশ্বাসই করতে পারেনি যে, এই সাইট আমি ডেভেলপ করেছি। ৫ মিলিয়ন পাউন্ডে বিক্রির অফার ফিরিয়ে দেওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে, যদি এই প্রযুক্তি এখন প্রাথমিক অবস্থায় মিলিয়ন পাউন্ডের হয়ে থাকে, তাহলে যখন এটি মানুষজন ব্যবহার করবে, তখন তার মূল্য কি পরিমান দাড়াবে।’ এই বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রস্তাব প্রত্যাখান করাটা ঝুঁকির বিষয় হলেও, তার বিশ্বাস ব্র্যান্ড হয়ে ওঠবে ওয়েবসাইট। ৬০ বছর বয়সী ক্রিস থপারের সঙ্গে অংশীদারিত্বের তার এই প্রজেক্ট আনুষ্ঠানিকভাবে লঞ্চ হবে ২৮ জানুয়ারি। তবে এই বিপুল পরিমান অর্থ প্রস্তাব ইয়র্ক কাউন্টির ট্যাক্সি ড্রাইভারের ছেলে মোহাম্মদ আলীর জীবনে এবারই প্রথম ঘটনা নয়। এর আগে ২০১২ সালে একটি ভিডিও গেম তৈরি করে সে, যা তাকে এনে দিয়েছিল ৩০ হাজার পাউন্ড আয়। ...

শনির বলয়ে ক্যাসিনির স্যুইসাইডাল জাম্প আজ

শনির বলয়ে ক্যাসিনির স্যুইসাইডাল জাম্প আজ...

শনির বলয়ে মরণ-ঝাঁপ (স্যুইসাইডাল জাম্প) দিতে প্রস্তুত নাসার মহাকাশযান ‘ক্যাসিনি’! এর আগে অবশ্য গ্রহটির সুদর্শন চক্রের অভূতপূর্ব ছবি উপহার দেবে মর্ত্যবাসীদের।  তারপর ধীরে ধীরে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে ক্যাসিনি’র শরীর! আর ২০১৭ সালে তা তলিয়ে যাবে শনি গ্রহের অতল আহ্বানে। আজ বৃহস্পতিবার মহাকাশ অভিযানের চূড়ান্ত স্তরে প্রবেশে প্রস্তুত নাসার এই মহাকাশযান। এই প্রথম কোনও মহাকাশযান ‘ঝাঁপ’ দেবে শনির বলয়ে। ঢুকে পড়বে শনির ২০টি বলয়ের মধ্যে সবচেয়ে বাইরের বলয়টির ‘আন্তরিক টানের’ (অভিকর্ষ বল) চৌহদ্দিতে। নিজের শরীরের অংশ থেকে যাকে ছিঁড়ে ‘ক্যাসিনি’ ছুঁড়ে ফেলে নামিয়ে দিয়েছিল শনির অন্যতম চাঁদ ‘টাইটান’-এ, সেই তার দোসর মহাকাশযান ‘হাইগেন্স’কে ‘তুই ভাল থাকিস’ বলে শনির চাঁদে রেখেই আজ শনির বলয়ে ‘সুইসাইডাল জাম্প’ দিচ্ছে ‘ক্যাসিনি’। নিজেকে ‘শেষ’ করে দেওয়ার আগে শনির বলয়গুলিকে খুব কাছ থেকে দেখার ছবি আর তথ্যাদি ‘ক্যাসিনি’ একের পর এক পাঠিয়ে যাবে নাসার গ্রাউন্ড কন্ট্রোল রুমে। শনির বলয়গুলিকে এত কাছ থেকে দেখার সুযোগ এর আগে পায়নি কোনও মহাকাশযান। ফলে, কোনও মহাকাশযানই এর আগে এত কাছ থেকে শনির বলয়গুলির ছবি তোলারও পায়নি কোনও সুযোগ। তাই শনির বলয়ে ‘ক্যাসিনি’র ঐতিহাসিক মরণ-ঝাঁপ দেখার জন্য নাসা, ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি, ইসরোর মতো বিশ্বের প্রথম সারির মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলি তো অধীর অপেক্ষায় রয়েছেনই, শনির বলয় সম্পর্কে নতুন-নতুন ছবি আর চমকে দেওয়ার মতো হাতেগরম তথ্যাদি পাওয়ার জন্য হাপিত্যেশ প্রতীক্ষায় রয়েছেন বিশ্বের তাবৎ জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সির (ইএসএ বা ‘এসা’) বানানো ‘ল্যান্ডার’ মহাকাশযান ‘হাইগেন্স’-এর হাত ধরে নাসার ‘অরবিটার’ মহাকাশযান ‘ক্যাসিনি’ শনির বহু দূরের কক্ষপথে ঢুকে পড়েছিল সেই কবে- ১২ বছর আগে। ২০০৫ সালের ১৪ জানুয়ারি নিজের শরীরের অংশ ছিঁড়ে ‘ল্যান্ডার’ মহাকাশযান ‘হাইগেন্স’কে শনির চাঁদ ‘টাইটান’-এ নামিয়ে দিয়েছিল ‘ক্যাসিনি’। ২০০৪ সালের পয়লা জুলাই। ‘ক্যাসিনি-হাইগেন্স’-এর আগে আরও তিন-তিনটি মহাকাশযান শনির পাশ কাটিয়ে ঘুরে ও বেরিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ভয়ঙ্কর সুন্দর বলয়ের ঘেরাটোপে নিজেকে এই সৌরমণ্ডলে ‘স্বতন্ত্র’ করে সাজিয়ে-গুছিয়ে রাখা শনি এতটাই ‘সম্ভ্রম-সমীহ’ আদায় করে নিতে পেরেছিল আমাদের কাছে থেকে যে হুট করে ‘গ্রহরাজ’-এর ‘ঘরে’ (কক্ষপথ) ঢুকে পড়ার সাহসে কুলোয়নি কোনও মহাকাশযানের! শনির কক্ষপথে প্রথম ‘পা’ দেওয়ার সাহসটা দেখিয়েছিল ‘ক্যাসিনি-হাইগেন্স’ মহাকাশযানই। আজ থেকে ১২ বছর আগে। তার আগে শনির কক্ষপথে পৌঁছতেও তো কম সময় লাগেনি ‘ক্যাসিনি-হাইগেন্স’-এর। পৃথিবী থেকে ‘জয় গুরু শনি’ বলে ‘ক্যাসিনি-হাইগেন্স’ রওনা দিয়েছিল সেই ১৯৯৭ সালে। তার পর পৃথিবীর ‘মায়াজাল’ (অভিকর্ষ বল) কাটিয়ে, শুক্র আর বৃহস্পতির পাশ কাটিয়ে (মঙ্গলকে অনেক অনেক দূর থেকে দেখতে দেখতে) সাত বছর ধরে একটানা মহাকাশে দৌড়ে শনির কক্ষপথে ‘ক্যাসিনি-হাইগেন্স’ পৌঁছেছিল ২০০৪ সালে। তার পর শনির একের পর এক চাঁদের কাছাকাছি গিয়েছে, তাদের কক্ষপথে পাক মেরেছে ‘ক্যাসিনি-হাইগেন্স’। করেছে অনেক নতুন নতুন আবিষ্কার। হদিশ পেয়েছে শনির চাঁদ ‘এনসেলাডাস’-এর অন্তরে-অন্দরে গভীর সমুদ্রের। খুঁজে পেয়েছে শনির অন্য চাঁদ ‘টাইটান’-এর অন্দরে লুকিয়ে থাকা তরল মিথেনে ভরা সমুদ্রেরও। এই মরণ-ঝাঁপ সম্পর্কে কী বলছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা? আমেরিকার মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞানের অধ্যাপক সুনন্দ বন্দ্যোপাধ্যায় ই-মেলে আনন্দবাজারের পাঠানো প্রশ্নের জবাবে লিখেছেন, ‘’৩০ নভেম্বর (ভারতীয় সময়ে আজ থেকে) থেকে ২২ এপ্রিল পর্যন্ত শনির দুই মেরুর ওপরে চক্কর মারবে ‘ক্যাসিনি’। তার মধ্যে সাত দিন অন্তর প্রায় বার কুড়ি শনির বলয়গুলিকে ‘বুড়িছোঁয়া’ দিয়ে যাবে ‘ক্যাসিনি’। অনেকটা নেমে আসবে শনির দুই মেরুর কাছে। তার আগে আজ বৃহস্পতিবারই শনির চাঁদ ‘টাইটান’ এক ধাক্কায় ‘ক্যাসিনি’কে ছুঁড়ে দেবে শনির বলয়গুলির দিকে। শনির নিরক্ষরেখার (ইক্যুয়েটর) দিকে। ‘ক্যাসিনি’র এই পর্বটাকে আমরা বলছি ‘রিং-গ্রেজিং অরবিটস্‌’। কারণ, শুধুই মরণ-ঝাঁপ দেওয়ার জন্য শনির বলয়ে ঢুকবে না, ওই বলয় আর তার আশপাশে ছড়িয়ে, ছিটিয়ে থাকা কণা, গ্যাস আর ধুলোবালি ছেঁচে নিয়ে তা পৃথিবীতে পাঠানোর ব্যবস্থাও করে যাবে ‘ক্যাসিনি’। তাই এই পর্বটাকে আমরা বলছি, ‘গ্রেজিং’। আগামী মার্চ-এপ্রিলে শনির ‘এফ’ বলয়ে প্রায় ঢুকেই যাবে ‘ক্যাসিনি’। তবে তখনও শনির ‘এফ’ বলয় থেকে ‘ক্যাসিনি’র দূরত্ব থাকবে প্রায় ৭ হাজার ৮০০ কিলোমিটার বা ৪ হাজার ৮৫০ কিলোমিটার। শনির বলয়গুলির মধ্যে সবচেয়ে বাইরে থাকা এই ‘এফ’ বলয়টিই সবচেয়ে পাতলা। ৫০০ মাইল বা ৮০০ কিলোমিটারেই তা ফুরিয়ে যায়। আর তার ‘অন্তঃস্থল’টার ঘনত্বও খুব বেশি নয়। হবে কী ভাবে? তা যে সাকুল্যে ৩০ মাইল বা ৫০ কিলোমিটারের বেশি নয়। এই মরণ-ঝাঁপে আমাদের কিন্তু অনেক লাভ হবে। কারণ, ‘ক্যাসিনি’র চোখ দিয়ে আমরা দেখতে পারব শনির আরও কয়েকটি ‘লুকিয়ে থাকা’ চাঁদ ‘প্যান্ডোরা’, ‘অ্যাটলাস’, ‘প্যান’ আর ‘ডাফনিস’কে। জানতে পারব শনির খুব গুরুত্বপূর্ণ দু’টি বলয় ‘এ’ আর ‘বি’ সম্পর্কেও।’’ মরণ-ঝাঁপের শেষ পর্বে শনির কতটা ওপরে থাকবে ‘ক্যাসিনি’? মুম্বইয়ের টাটা ইনস্টিটিউট ফর ফান্ডামেন্টাল রিসার্চের (টিআইএফআর) জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিশিষ্ট অধ্যাপক দেবেন্দ্র ওঝার কথায়, ‘‘এই কক্ষপথগুলিতে ‘ক্যাসিনি’ থাকবে শনির মেঘমণ্ডলের ৫৬ হাজার মাইল বা ৯০ হাজার কিলোমিটার ওপরে। আর আগামী এপ্রিলে তা তলিয়ে যেতে শুরু করেব শনির অতলান্ত অন্দরে। আর সেই সময় তা থাকবে শনির মেঘমণ্ডল থেকে মাত্রই ১ হাজার ১২ মাইল বা ১ হাজার ৬২৮ কিলোমিটার ওপরে। আর তা শনির বুকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে আগামী বছরের ১৫ সেপ্টেম্বরে।’’ নিচের ভিডিও দেখুন:   ...

বিশ্বের দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার তৈরি করছে জাপান

বিশ্বের দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার তৈরি করছে জাপান...

রোবটিক হোটেল, টাইফুনচালিত টারবাইনের মতো নানা উন্নত প্রযুক্তির কারণে বিশ্বে ইতিমধ্যে সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তির দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম জাপান। ডিজিটাল উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে অবস্থান আরও শক্ত করতে যাচ্ছে দেশটি। বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার তৈরির পরিকল্পনা করছে জাপান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাপান এমন একটি যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করছে, যা ব্যবহার করে দেশটির বিজ্ঞানীরা চালকবিহীন গাড়ি, রোবট ও ওষুধশিল্পে আরও উন্নতি করতে পারবে। সুপার কম্পিউটারের ক্ষেত্রে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়াকে পেছনে ফেলতে ১৭ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করছে জাপান সরকার। জাপানের এই সুপার কম্পিউটার সেকেন্ডে ১৩০ কোয়াড্রিলিয়ন হিসাব সম্পন্ন করতে পারবে। অর্থাৎ, এর গতি হবে ১৩০ পেটাফ্লপস। (১ পেটাফ্লপ = ১ হাজার টেরাফ্লপ বা ১০ লাখ গিগাফ্লপ)। বর্তমানে সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটারের খেতাব চীনের সানওয়ে তাইহুলাইটের। এর গতি প্রতি সেকেন্ডে ৯৩ পেটাফ্লপ।   গতির বিচারে শীর্ষ ১০ সুপার কম্পিউটারের দুটি চীনে, চারটি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। বাকি চারটির মধ্যে জাপান, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড ও সৌদি আরবে একটি করে আছে। জাপানের সুপার কম্পিউটার আগামী বছর দেশটির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড ইন্ডাস্ট্রিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে স্থাপন করা হবে। গবেষকেরা আশা করছেন, এই সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নতি করা যাবে। অবশ্য, এই সুপার কম্পিউটার তৈরিতে কোন প্রতিষ্ঠান কাজ করবে, তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। বর্তমানে কম্পিউটার তৈরিতে দরপত্র গ্রহণ করছে দেশটি। ...

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর পদ্ধতি সমূহ।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর পদ্ধতি সমূহ।...

আসসালামু আলাইকুম।কেন জানি আমার মনে হচ্ছে আপনারা সবাই ভালো আছেন। আশা করছি ভালো আছেন। অনেক দিন ধরেই ভাবছি আপনাদের জন্যে আরেকটি টিউন করব, কিন্তু ব্যস্ততার জন্যে হয়ে উঠেনি। আজ একটু সময় পেয়েছি তাই ভাললাম আপনাদের জন্যে একটি টিউন করে ফেলি। ব্যস্ততার কথা বললাম বলে ভেবেন যে বড় সড় কোন।ফ্রীলাঞ্চের বা কোন বড় ধরনের কাজের ব্যক্তি। আমি আগেই বলেছি এখানে যে ভাইয়ারা আছেন আমি তাদের তুলনাই অতি নগন একজন মানুষ মাত্র। কিন্তু একজন মানুষ, তাই আমারও রুজি রুটির প্রয়োজন আছে, সেটাই যোগার করার জন্যে এতদিন ব্যস্ত ছিলাম। যাই হোক আজ যেহেতু এসেছি তো আসার কারণটা ও বলা যাক। আজ আমি এসেছি আপনাদের অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে আরো কিছু ধারণা দেওয়ার জন্যে। তো চলুন শুরু করা যাক। আগের টিউন-এ আমি আপনাদের বলেছিলাম অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কী? আজ বলব অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কত প্রকার ও কি কি এবং একটি পদ্ধতি সম্পর্কে কিছুটা ধারণা দিব। যদি কেউ নতুন থেকে থাকেন তাহলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংকি তা এই লিঙ্ক থেকে জানতে পারবেন। আসুন জেনে নেই তাহলে, আফিলিয়েট মার্কেটিং কত প্রকার ও কি কি? ==> আমরা সকলেই জানি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে এক প্রকার ব্যবসা এবং এটি লোকাল ব্যবসা হতে কিছুটা ভিন্ন। এটি মূলত দুই প্রকার, যথাঃ ১। বিনা মূল্যে / Free Mathod এবং ২। বিনিময়ে মাধ্যমে / Paid Mathod. তো আসুন আমরা এখন জানি বিনা মূল্যে বা Free Mathod আফিলিয়েট মার্কেটিং টা কি। বিনা মূল্যে / Free Mathod অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিনা মূল্যে বা Free Mathod অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে কোন ধরণের খরচ ছাড়াই ব্যবসা করা। আমার বাড়ি চট্রগ্রাম এবং আমাদের এখানে একটা কথার প্রচলন আছে। অন্যান জায়গায় কি বলে তা জানি না কিন্তু আমাদের চট্রগ্রাম-এ প্রচলিত কথাটি হচ্ছে--> **বিনা কুমে সওদাগরী ** এর মানে হচ্ছে কোন ধরণের খরচা পাতি ছাড়াই ব্যবসা করা। আপনি কোন এক ব্যক্তির বা প্রতিষ্ঠানের কোন ভালো জিনিস নিয়ে তার প্রচার করেন এবং সেই প্রচারের ফলে যদি সেই জিনিসটি বিক্রি হয়, উক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সেই বিক্রির জন্য আপনাকে কমিশন প্রদান করবে। এই কমিশনটাই হচ্ছে আপনার ইনকাম এবং যে পদ্ধতিতে আপনি এই কমিশনটা পেলেন সেটাই হচ্ছে বিনা মূল্যে / Free Mathod অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। এর জন্য আপনার কোন ধরণের টাকা পয়সা খরচ হবে না, যা খরচ হবে তা হচ্ছে আপনার মেধা, শ্রম এবং প্রচার। এই পদ্ধতিতে সফল হওয়াটা একটু কষ্টের, কারণ দীর্ঘ সময় ধরে আপনাকে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আর যদি আপনি এতে একবার সফল হতে পারেন তার মনে আপনি পেরেছেন। কি পেরেছেন? হা হা হা, না না ভয়ের কিছু নেই, আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হতে পেরেছেন। তো আজকে এই পর্যন্ত। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ টিউনটি পড়ার জন্য। ...

একুশ শতকের সবচেয়ে বড় চাঁদ দেখা যাবে আজ

একুশ শতকের সবচেয়ে বড় চাঁদ দেখা যাবে আজ...

আজ সোমবার (১৪ নভেম্বর) একুশ শতকের সবচেয়ে বড় (এক্সট্রা সুপার মুন) আর উজ্জ্বলতম চাঁদটিকে দেখা যাবে আকাশে। পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে। এত কাছে টেনে চাঁদকে আর এতটা আপন করবে না আমাদের এই বাসযোগ্য গ্রহ, এই একুশ শতকে! সুপার মুন! মানে, আমাদের স্বপ্নের চাঁদ, প্রেম-ভালবাসার চাঁদ এ জীবনে আর আমাদের এতটা ধরা-ছোঁয়ার মধ্যে আসবে না কোনও দিনই। এর পর চাঁদ আমাদের এই বাসযোগ্য গ্রহের খুব কাছে আসবে ১৮ বছর পর, ২০৩৪ সালে। এই সুপার মুনটিকে সবচেয়ে ভালভাবে দেখতে পারবেন উত্তর আমেরিকার মানুষ। ২০৩৪ সালের ২৫ নভেম্বর আবার একটি সুপার মুন হবে। কিন্তু তখনও চাঁদ এবারের মতো অতোটা কাছে আসবে না পৃথিবীর। নভেম্বরের এই পূর্ণিমাকে আমেরিকায় ‘বিভার মুন’ও বলা হয়। কারণ, অনেক দিন আগে শীতে পশুর লোম দিয়ে গরম পোশাক বানানোর জন্য এই পূর্ণিমাতেই শিকারিরা ফাঁদ পাততেন পশু শিকারের জন্য। তবে এ বার এই বছরেই ৬টি সুপার মুন হয়েছে। মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে। তবে ১৪ নভেম্বরের সুপার মুনের সঙ্গে সত্যি-সত্যিই তাদের জুড়ি মেলা ভার!’’ সুপার মুন প্রায়ই দেখা যায় না কারণ, শুধু পূর্ণিমা হলেই তা হয় না। সেই পূর্ণিমার সময় চাঁদকে তার চলাচলের কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে সবচেয়ে কাছে আসতে হয়। আর গাণিতিক কারণেই তা রোজ রোজ সম্ভব হয় না। প্রতি পূর্ণিমায় সম্ভব হয় না। ফি-বছর সম্ভব হয় না। প্রতিটি দশকেও সম্ভব হয় না। কক্ষপথে ঘুরতে ফিরতে চাঁদের এই পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে চলে আসার দূরত্বটিকেই বলা হয় ‘পেরিজি’। মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের লুনার স্টাডিজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর অনির্বাণ মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আগে জানা দরকার কখন পূর্ণিমা হয়? যখন চাঁদ, সূর্য আর পৃথিবীর মধ্যে একটি সরলরেখা টানলে দেখা যায় চাঁদটা পৃথিবীর যে দিকে রয়েছে, সূর্যটা রয়েছে ঠিক তার উল্টো দিকে, তখনই হয় পূর্ণিমা। দু’দিকের অভিকর্ষের ‘টানাটানি’তে তাই পূর্ণিমায় পৃথিবীর জলস্তরের ওঠা-নামা হয় সবচেয়ে বেশি। যাকে আমরা জোয়ার, ভাটা বলি। আর ওই পূর্ণিমাতেই যখন পৃথিবীর এক দিকে থাকা চাঁদটি তার কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে সবচেয়ে কাছে চলে আসে আমাদের এই বাসযোগ্য গ্রহের (পেরিজি), তখনই হয় সুপার মুন। ওই সময় পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব থাকে ২ লক্ষ ২৩ হাজার ৬৯০ মাইল বা ৩ লক্ষ ৬০ হাজার কিলোমিটারেরও কম। এটা হয়, কারণ চাঁদ আমাদের পৃথিবীকে পাক মারে ডিমের মতো একটা কক্ষপথে। ফলে তা কখনও পৃথিবীর কাছে আসে, কখনও তা সরে যায় দূরে, অনেকটা স্বপ্নের মতোই। সবচেয়ে দূরে গেলে সেই দূরত্বকে আমরা বলি ‘অ্যাপোজি’। ১৯৪৮ সালের পর এত বড় আর এতটা উজ্জ্বল চাঁদ আর দেখা যায়নি আকাশে। পূর্ণিমার চাঁদ যতটা বড় দেখায় তার চেয়ে এ বার ১৪ শতাংশ বেশি বড় দেখাবে এই সুপার মুনটিকে। আর তার উজ্জ্বলতা হবে সাধারণ পূর্ণিমার চাঁদের চেয়ে ৩০ শতাংশ বেশি। ...

প্রজেক্টরে সুবিধা

প্রজেক্টরে সুবিধা...

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) উপলক্ষে বেনকিউ প্রজেক্টরে সুবিধা দিচ্ছে স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড। বেনকিউ এমএস৫০৬ মডেলের মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর কিনলে উপহার হিসেবে পাওয়া যাবে প্রজেক্টর স্ক্রিন। সম্প্রতি বেনকিউ ব্র্যান্ডের এমএস৫০৬, এমএস৫২৭, এমএক্স৫০৭ এবং এমএক্স৫২৮ মডেলের চারটি নতুন মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর বাজারে ছাড়া হয়েছে। প্রোজেক্টরগুলোর দাম ৩১ হাজার ৪৯০ থেকে ৩৯ হাজার ৯৯০ টাকা পর্যন্ত। ...

 কল অব ডিউটি সিরিজের নতুন গেম উন্মুক্ত

কল অব ডিউটি সিরিজের নতুন গেম উন্মুক্ত...

উইন্ডোজ, প্লেস্টেশন ফোর ও এক্সবক্স ওয়ান প্ল্যাটফর্মের জন্য ‘কল অব ডিউটি: ইনফিনিট ওয়্যারফেয়ার’ গেমটি উন্মুক্ত করেছে গেম নির্মাতা ইনফিনিটি ওয়ার্ড। ফার্স্ট পারসন শুটার ভিডিও গেমটির প্রকাশক যুক্তরাষ্ট্রের ভিডিও গেম প্রকাশক অ্যাকটিভিশন। গেমটি খুচরা বিক্রির পাশাপাশি ডিজিটাল ডাউনলোডের জন্যও উন্মুক্ত করেছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। গেমটি রাখার জন্য ব্যবহারকারীদের প্লেস্টেশন ফোরে ৪৪ দশমিক ৬ জিবি থেকে ৫৩ দশমিক ৬ জিবি ফাঁকা জায়গা থাকতে হবে। এক্সবক্সে লাগবে ৫২ দশমিক ১ জিবি জায়গা। গেমটির পর্যালোচনাকারীরা বলছেন, একক প্লেয়ার হিসেবে খেললে গেমটিতে দারুণ মজা পাওয়া যাবে। মাল্টিপ্লেয়ার অপশনে গেলে অর্থ খরচের ব্যাপারে গেমারকে সচেতন হয়ে খেলতে হবে। গেমটি সম্পর্কে এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইনফিনিটি ওয়ার্ডের স্টুডিও-প্রধান ডেভ স্টোল বলেন, ‘তিন বছর আগে সম্পূর্ণ নতুন লক্ষ্য নিয়ে আমরা শুরু করেছিলাম। গেমারদের নতুন জায়গায় হাজির করতে চেয়েছিলাম। ইনফিনিট ওয়্যারফেয়ার গেমটিতে আমরা ভালো-মন্দের একটি ধ্রুপদি গল্প বলেছি, যার ব্যাকগ্রাউন্ডে প্রচুর উদ্ভাবনী গেম খেলার বিষয় যুক্ত করা হয়েছে।’ প্রতিদ্বন্দ্বী ইলেকট্রনিক আর্টস ফ্র্যাঞ্চাইজির তৈরি ব্যাটলফিল্ড ওয়ান গেমটির সঙ্গে প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে অ্যাকটিভিশনকে। সে অর্থে কল অব ডিউটি সিরিজের নতুন গেমটিকে অ্যাকটিভিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভাবা হচ্ছে। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি। ...

 স্যামসাংয়ের নতুন ফোনে নতুন সফটওয়্যার

স্যামসাংয়ের নতুন ফোনে নতুন সফটওয়্যার...

গ্যালাক্সি ৮ নামের স্মার্টফোনের সঙ্গে নিজস্ব ডিজিটাল সহকারী সফটওয়্যার আনবে স্যামসাং। নতুন স্মার্টফোন ছাড়াও হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও পরিধানযোগ্য প্রযুক্তিপণ্যে কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে সেবা দেওয়ার সফটওয়্যার যুক্ত করছে স্যামসাং। এ বছরের অক্টোবর মাসে স্যামসাং ভিভ ল্যাবস নামের একটি প্রতিষ্ঠান অধিগ্রহণ করে। ভিভসের উদ্যোক্তা এর আগে অ্যাপলের সিরি নামক ভার্চ্যুয়াল সহকারী সফটওয়্যার তৈরি করেছিলেন। ভিভ নামের ওই সফটওয়্যার গ্যালাক্সি এস ৮-এ থাকবে। আগামী বছরের শুরুতেই নতুন স্মার্টফোন আনতে পারে স্যামসাং। অবশ্য এর ফিচারগুলো এখনো নির্দিষ্ট করে বলেনি স্যামসাং। তবে নতুন সফটওয়্যার যুক্ত করার বিষয়টি ইঙ্গিত দিয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই সফটওয়্যার যুক্ত করার মাধ্যমে আমাজন, অ্যাপল, গুগল, মাইক্রোসফটের পথে পা বাড়াল স্যামসাং।   বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, স্মার্টফোনের বাজারে নোট ৭ নিয়ে বড় ধরনের ধাক্কা খাওয়ার পর এস ৮ স্মার্টফোনটির সফলতার ওপর ক্রেতাদের মন জয় করার বিষয়টিতে নির্ভর করছে স্যামসাং। নোট ৭ স্মার্টফোনটিতে আগুন ধরে যাওয়ার অভিযোগ ওঠায় তা বাজার থেকে ফিরিয়ে নেয় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানটি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স। ...

এখন থেকে আপনার নিজের ছবিই হবে ফোল্ডারের আইকন

এখন থেকে আপনার নিজের ছবিই হবে ফোল্ডারের আইকন ...

আসসালামু আলাইকুম, আজ আমি আপনাদের একটা সফটওয়্যার এর লিঙ্ক দেব। সফটওয়্যারটির নাম ICON MAKER. এটি খুব ছোট সাইজ এর কিন্তু খুবই ভাল মানের সফটওয়্যার। নাম শুনেই বুঝা যাচ্ছে যে এই সফটওয়্যার এর কাজ কি। হা, এই সফটওয়্যার টা দিয়ে খুব সহজে আপনি আপনার ছবিকে ICON(.ico) বানাতে পারবেন এবং তা ফোল্ডার এর আইকন হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। কিভাবে করবেন তা নিচে সচিত্র বর্ণনা করলাম। ১. আপনার নিজের ছবি দিয়ে ফোল্ডার আইকন তৈরী করার জন্য প্রথমে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করুন এবং রান করুন। ২. এবার ফাইল মেনু থেকে Import From Graphic’s select করুন ৩. এবার open বক্স থেকে পছন্দের ছবিটি open করুন ৪. এবার প্রয়োজন অনুযায়ি Edit করুন। সম্পাদনকৃত আইকন এর ছবিটি উপরের ডান পাশে দেখা যাবে। ৫. এবার ফাইলটি সেভ করুন .ico হিসাবে।ব্যাস তৈরী হয়ে গেল আপনার আইকন। ৬. এবার যে কোন ফোল্ডার এর Properties থেকে ফোল্ডারটি Customize করে ফেলুন আপনার আইকনটি দিয়ে। ডউনলোড লিঙ্কঃ “ICON MAKER”   ভাল থাকবেন সবাই ...

অনলাইন ইনকাম নিয়ে আমাদের ভুল ধারণা পর্ব -১

অনলাইন ইনকাম নিয়ে আমাদের ভুল ধারণা পর্ব -১ ...

আশাকরি আল্লাহ্‌র রহমতে সবাই ভাল আছেন । আমিও ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ্ । পবিত্র ঈদ-উল-আযহার ছুটিতে বাড়িতে আছি, সময় কাটছে বন্ধু আর ফেসবুক নিয়ে গরুর বাজার তো আছেই। তারই ফাঁকে কিছু লিখার জন্য চেষ্টা করছি । যাই হোক নিজের কথা তো অনেক বললাম এই বার কাজের কথায় আসি। গ্রামের অনেক শিক্ষিত ছেলে মেয়ে রা বলে ভাই আমি আমি ইন্টারনেট এ ইনকাম করতে চাই এখন আমি কি করব ? ইনকাম করবা ভালো কথা তো তুমি কি কোন কাজ পাড় ? উত্তরে বলে না ভাই তাইতো আপনার কাছে আসছি কিছু কাজ শিখায়ে দেন । আমি বললাম তোমার কি কম্পিউটারের কজ সম্পর্কে ধারনা আছে ? বলে না ভাই নাই আরও বলে ভাই আমি কি ১ মাস বা ২ মাস কাজ শিখে অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পাড়ব ? এটা তো শুধু আমার গ্রামের ঘটনা আমি প্রতিনিয়ত সবচেয়ে বেশি যে প্রশ্নের মুখমুখি হই তা হল “আমি কি একটা ওয়েব ডিজাইন অথবা গ্রাফিক্স ডিজাইনের কোর্স করেই কি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পাড়ব ?” আমি তাদের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করি এই ভাবে যে অনলাইন ইনকাম আর কাজের উপর দক্ষতা অর্জন করা এক বিষয় নয় দক্ষতা অর্জন করতে সময় , মেধা ও শ্রমের প্রয়োজন । আপনি যদি পিটিসি সাইট থেকে ইনকাম করতে চান তাহলে আপনাকে খুব বেশি দক্ষ হওয়ার দরকার নেই , কিন্তু আপনি যদি ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে কাজ করে অনলাইন এ ইনকাম করতে চান তাহলে আপনার অবশ্যই সময় দিতে হবে । কাজ শিখা তো কোন ফুলকোর্স ডাক্তারি ঔষধ না যে শেষ করলাম তো ভালো হয়ে গেলাম । আমি আগেও বলেছি এখনও বলছি কাজ শিখার জন্য তথাকথিত কোন ট্রেনিং সেন্টারে না গিয়ে অনলাইন ব্যবহার করেই আপনি শিখতে পারবেন । অনলাইন এ অনেক রিসোর্স পাবেন যা থেকে আপনি পরিপূর্ণ কাজ শিখে অনলাইন এ আয় করতে পারবেন। যেমন অনলাইন এ রাসেল ভাইয়ের অনেক ভিডিও টিউটোরিয়াল আছে (আরআরএফ) । হাসিন হায়দার ভাইয়ের টিউটোরিয়াল আছে । বিগটেক আইটি এর ৭০ টি টিউটোরিয়াল আছে যা দেখে আপনি সহজে বেসিক আইডিয়া থেকে শুরু করে এডভান্স পর্যন্ত কাজ শিখতে পারবেন । আশাকরি আমার এই ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল পরে আপনারা উপকৃত হবেন । আর আমি চেষ্টা করব অনলাইন ইনকাম এর প্রতিবন্ধকতা গুলো তুলে ধরতে । ভালো থাকবেন সবাই । ...

কোনো সাইটে এস ই ও শুরু করার পূর্বে কিভাবে সাইটকে প্রস্তুত করবেন

কোনো সাইটে এস ই ও শুরু করার পূর্বে কিভাবে সাইটকে প্রস্তুত করবেন...

আমরা অনেকেই এস ই ও করি বা করতে চাই। কিন্তু অনেকের কাছেই টাইটেলটি অবাক লাগতে পারে যে এস ই ও এর জন্য সাইট কিভাবে তৈরির করব এর মানে কি? হতে পারেন আপনি একজন ব্লগার বা এস ই ও নিয়ে কাজ করছেন। আপনি ফ্রিল্যান্সিং হোক বা নিজের সাইট অথবা আপনার ক্লায়েন্টের। যেকোনো ক্ষেত্রেই আপনাকে দেখতে হবে সাইট এস ই ও এর জন্য প্রস্তুত কিনা!!   কিন্তু কিভাবে ?? আপনি কোনো সাইটে এস ই ও করতে চাইলে আপনাকে প্রথমেই দেখতে হবে সেই সাইটে মেটা টাইটেল বা মেটা ডেস্ক্রিপশন আছে কিনা। এবং প্রত্যেকটি পোস্টে কিওয়ার্ডের কিরূপ অবস্থা!! মেটা টাইটেলঃ মেটা টাইটেল কমপক্ষে ১৪২ থেকে ১৫৭ টি অক্ষরের মধ্যে হতে হবে এবং সেক্ষেত্রেও কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে পারেন। এতে সাইটের টাইটেল শেষে যে স্লোগান দেয়া হয় সেটিও ব্যবহার করতে পারেন। তবে অবশ্যই ছোট আকারে। যদি স্লোগান ১৫৭ টি অক্ষরের মধ্যে দেয়া সম্ভব না হয় তবে অবশ্যই কোডের মাধ্যমে দিন। এতে করে আপনার স্লোগান দেয়াও হবে সাথে সাথে আপনার টাইটেল এর এস ই ও র‌্যাঙ্ক ও ঠিক থাকবে মনে রাখবেন, সাইটের প্রান হল তার টাইটেল। ভিজিটর আপনার সাইটে প্রবেশ করবে সাইটের টাইটেলের উপর ভিত্তি করে। কাজেই অবশ্যই ব্যাপারটি খুব ভেবে চিন্তে দিতে হবে। মেটা ডেস্ক্রিপশনঃ- মেটা ডেস্ক্রিপশনে কমপক্ষে ১৩০ টি থেকে ১৬০ টি অক্ষরের মধ্যে দিতে হবে। এখানে যেসকল ওয়ার্ড ব্যবহার করবেন সেটি আপনাকে অবশ্যই সাইটের বিষয় ভিত্তিক হতে হবে এবং কম শব্দের মধ্যে হতে হবে। মেইন কিওয়ার্ড গুলি রিসার্চ করে দিতে হবে। এতে করে সাইটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন বিষয়টি পূরন হবে। মেটা কিওয়ার্ডঃ- যারা এস ই ও সম্পর্কে ভালো জানেন তারা হয়ত এতক্ষনে আমাকে বেশ বোকাই ভাবছেন। কেন মেটা কি ওয়ার্ড নিয়ে লিখছি যেটা কিনা এখন গুগলের কাছে বর্জ্যের ন্যায়। যারা ব্যাপারটি সম্পর্কে অবগত নয় শুধু তাদের জন্যই বলি। গুগল মেটা কিওয়ার্ডকে এখন আর প্রাধান্য দেয় না। কাজেই এটি দেয়া আর না দেয়া একই কথা। লাভ ক্ষতির হিসেবে ফলাফল শুন্য ছবিতে অল্টার ট্যাগ এবং টাইটেলঃ আপনারা যারা ব্লগার রয়েছেন তারা কন্টেন্টে যে ছবি ব্যবহার করেন তাতে কি অল্টার ট্যাগ এবং টাইটেল রয়েছে? না থাকলে আগে সেই বিষয়গুলি যত দ্রুত সম্ভব ঠিক করে ফেলুন। গুগল ইমেইজ চিনে কিন্তু কোনটা দ্বারা কি বুঝায় সেটি ইমেইজ দেখে বোঝে না। ইমেইজের ব্যকগ্রাউন্ডে থাকা অল্টার ট্যাগ এবং টাইটেল দেখেই বোঝে। কাজেই ব্যাপার মোটেই ছোট করে দেখবেন না। কিওয়ার্ড রিসার্চঃ- সবচেয়ে প্রথমে এই বিষয়টি আলোচনা করা উচিত ছিল। শেষে আনলাম কারন সহজ বিষয়গুলি দ্রুত মাথায় ঢোকানোর জন্য। যাই হোক এটিও যে খুব কঠিন তা নয়। তবে বলতে যতটা সহজ কাজটা ততই কঠিন। প্রত্যকটি পোস্ট লেখার পূর্বে অবশ্যই কিছু মেইন বা ফোকাস কিওয়ার্ড নির্বাচন করুন এবং সেই কিওয়ার্ড গুলি ভালোভাবে রিসার্চ করে তার ভ্যালু চেক করুন যদি ভ্যালু তেমন ভালো না হয় তবে সাজেশন কিওয়ার্ডগুলি থেকে বাছাই করে নিন। কন্টেন্ট লেখার পূর্বে ৩০০ শব্দ ব্যবহার করুন। কন্টেন্টের টাইটেল দেয়ার পূর্বে প্রত্যকটি ওয়ার্ড ভালো ভাবে রিসার্চ করে সিলেক্ট করুন এবং টাইটেলে ব্যবহার করা ওয়ার্ড গুলি ৫-৭ বার ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। আর এভাবেই আপনার অন পেজ এস ই ও এর জন্য প্রস্তুত হোন। এই কাজ গুলি সম্পন্ন করলে যেমনি অন পেজ এস ই ও এর অর্ধেক কাজ শেষ হবে তেমনি চোখের সামনেই ভালো ফলা ফল দেখতে পাবেন। পরবর্তীতে এস ই ও ফ্রেন্ডলী কন্টেন্ট লেখার ব্যপারে বিস্তারিত লিখব। তাই পিসি হেল্প লাইন বিডি এর সাথেই থাকুন। ...

আজ আমি আপনাদের মাঝে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহ নিয়ে কিছু কথা বলব । আসুন শুরু করি ।

আজ আমি আপনাদের মাঝে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহ নিয়ে কিছু কথা বলব । আসুন শুরু করি ।...

অ্যালগোরিদম ও উপাত্ত সংগঠনগুলো কম্পিঊটারে বাস্তবায়িত করার জন্য সফ্‌টওয়্যার প্রকৌশলীরা প্রোগ্রাম রচনা করেন। এই প্রোগ্রামগুলো লিখতে গিয়ে তাঁরা যেসব কৃত্রিম ভাষার সাহায্য নেন, তাদেরকে প্রোগ্রামিং ভাষা বলা হয়। মানুষের মুখের স্বাভাবিক ভাষা দ্ব্যর্থবোধক এবং এ ভাষার পদসংগঠন ও শব্দার্থ বহুভাবে অনুধাবন করা যায়, তাই এটি প্রোগ্রাম লেখার জন্য উপযুক্ত নয়। এর পরিবর্তে সরল ও দ্ব্যর্থহীন কৃত্রিম প্রোগ্রামিং ভাষার আশ্রয় নেয়া হয়। কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা এমন প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভাবনের চেষ্টা করেন, যা দিয়ে সহজে প্রোগ্রাম লেখা যায় এবং প্রোগ্রামে ভুলের পরিমাণ কম হয়। প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোকে যন্ত্রের ভাষায় ভাষান্তরিত করে নিতে হয়, যাতে কম্পিউটার প্রোগ্রামের নির্দেশগুলো পালন করতে পারে। কম্পিউটার বিজ্ঞানীরা আরও ভাল ভাষান্তরকরণ অ্যালগোরিদম বের করার চেষ্টা করেন, যাতে যন্ত্রের ভাষায় ভাষান্তরিত প্রোগ্রামগুলো আরও দক্ষভাবে সম্পাদন করা যায়। কম্পিউটার বিজ্ঞানের একেবারে আদি পর্যায়ে বাইনারী সংখ্যাভিত্তিক যান্ত্রিক ভাষায় (machine language) কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে নির্দেশ দেয়া হত। এরপর কাজের সুবিধার জন্য প্রথম যেসব প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করা হয়, তাদের নাম অ্যাসেম্বলি ভাষা। এগুলি যান্ত্রিক ভাষা থেকে খুব একটা বেশি পৃথক ছিল না। ১৯৫০-এর দশক থেকে ব্যবহারকারীরা আরও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ী প্রোগ্রামিং ভাষা লেখা শুরু করেন। এদের মধ্যে ফোরট্রান ভাষাটি ছিল অন্যতম। ফোরট্রান প্রোগ্রামারদেরকে গাণিতিক অপারেশন ছাড়াও বীজগাণিতিক এক্সপ্রেশন লেখার সুযোগ দেয়। ১৯৬০-এর দশকে ফোরট্রানের একটি সরলীকৃত সংস্করণ বেসিক তৈরি করা হয়, এবং এটি নতুনদের শেখার জন্য প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্কুল-কলেজে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ফোরট্রান উদ্ভাবনের কাছাঁকাছি সময়ে আরেকটি ভাষা কোবোল তৈরি করা হয়, যেটি সাধারণ ব্যবসায়িক রেকর্ড, নথিপত্র, ও অন্যান্য ব্যাবসায়িক প্রক্রিয়া দেখাশোনা করার জন্য ব্যবহার করা হয়। কোবোল ও ফোরট্রান এবং এদের উত্তরসূরী প্যাসকাল ও সি হল নির্দেশমূলক ভাষা (Imperative language)। অর্থাৎ এগুলোতে কম্পিউটারকে কতগুলি প্রত্যক্ষ নির্দেশ দেয়ার মাধ্যমে কাজ করানো হয়; এটা যান্ত্রিক ভাষার সাথে অনেকটাই তুলনীয়। এই ধারার আরও দুটি ভাষা হল অ্যাডা ও অ্যালগল। এছাড়াও আরেক ধরনের ভাষা আছে যেগুলি ফাংশনভিত্তিক (Functional), অর্থাৎ প্রোগ্রামের ভিতরের অংশবিশেষ বা ফাংশন কল করে প্রোগ্রামিং-এর লক্ষ্য পূরণ করা হয়। ফাংশনভিত্তিক ভাষার মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হচ্ছে লিস্প; এমএল ও হ্যাস্কেল-ও ফাংশনভিত্তিক ভাষা। পরবর্তীকালে বস্তু-সংশ্লিষ্ট (Object Oriented অব্জেক্ট-ওরিয়েন্টেড) ভাষা উদ্ভাবন করা হয় যেখানে উপাত্ত ও মেথড আধারে আবৃত করা হয়, এবং এই আধারকে বলা হয় অবজেক্ট বা বস্তু। এই ধারায় একাধিক অবজেক্টের মধ্যে বার্তা আদানপ্রদান করে প্রোগ্রামিঙের লক্ষ্য পূরণ করা হয়। স্মলটক, সি++, আইফেল, ভিজুয়াল বেসিক, জাভা, ইত্যাদি বস্তু-সংশ্লিষ্ট ভাষার উদাহরণ। এছাড়াও আছে উপাত্ত-প্রবাহ (Dataflow ডাটাফ্লো) ভাষা যেমন সিসাল, ভাল, ইদ নুভো, লজিক প্রোগ্রামিং ভাষা যেমন প্রোলগ, স্ট্রিং প্রসেসিং ভাষা যেমন – স্নোবল ও আইকন, এবং সহবর্তমানতাভিত্তিক (concurrency-based) প্রোগ্রামিং ভাষা যেমন – কনকারেন্ট প্যাসকাল, অকাম, এসআর, মডুলা-৩ ভাল থাকবেন। আল্লাহ হাফেয। ...

কিভাবে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন কার্ড চেক করবেন

কিভাবে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন কার্ড চেক করবেন...

কিভাবে জন্ম নিবন্ধন চেক করবেন: বর্তমানে ভুয়া জন্ম নিবন্ধন আর আইডি কার্ডের ছড়াছড়ি তাই কারো জন্ম বিন্ধন এখন সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে চেক করা যায়।  বিস্তারিত ভিডিও টিউটোরিয়ালে দেওয়া আছে। সম্পুর্ণ দেখলে বুঝতে পারবেন সহজে। জন্ম নিবন্ধন চেক করতে হলে অবশ্যই আপনার হাতের কাছে ১৭ সংখ্যার নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ থাকতে হবে। আর এই কাজের জন্য অনলাইন জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন তথ্য ব্যবস্থার ওয়েব সাইট ভিজিট করতে হবে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় লিংকে ক্লিক করে ১৭ সংখ্যার জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ ইনপুট করে বিস্তারিত তথ্য পাবেন। যদি কোন তথ্য সঠিক বা অসম্পুর্ণ থাকে তাহলে  ''Matching birth records not found'' লেখা আসবে। বিস্তারিত ভিডিও দেখুন টিউটোরিয়ালটি যদি ভাল লাগে তাহলে অবশ্যই আমার চ্যনেলটি সাবস্ক্রাইব করবেন। আর আমার এই চ্যানেলে আরো অনেক প্রয়োজনীয় টিউটোরিয়াল পাবেন। কিভাবে জন্ম নিবন্ধন চেক করবেন: বর্তমানে ভুয়া জন্ম নিবন্ধন আর আইডি কার্ডের ছড়াছড়ি তাই কারো জন্ম বিন্ধন এখন সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে চেক করা যায়।  বিস্তারিত ভিডিও টিউটোরিয়ালে দেওয়া আছে। সম্পুর্ণ দেখলে বুঝতে পারবেন সহজে। জন্ম নিবন্ধন চেক করতে হলে অবশ্যই আপনার হাতের কাছে ১৭ সংখ্যার নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ থাকতে হবে। আর এই কাজের জন্য অনলাইন জন্ম মৃত্যু নিবন্ধন তথ্য ব্যবস্থার ওয়েব সাইট ভিজিট করতে হবে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় লিংকে ক্লিক করে ১৭ সংখ্যার জন্ম নিবন্ধন নম্বর এবং জন্ম তারিখ ইনপুট করে বিস্তারিত তথ্য পাবেন। যদি কোন তথ্য সঠিক বা অসম্পুর্ণ থাকে তাহলে  ''Matching birth records not found'' লেখা আসবে। ...

Add 600 * 300
© Copyright 2017 By GBnews24.com LTD Company Number: 09415178 | Design & Developed By (GBnews24 Group ) ☛ Email: gbnews24@gmail.com

United States   USA United States