মুক্তিযোদ্ধার ছড়া------ বলিনি তো ভাত দে আমায়

রে জু য়া ন মা রু ফ  ||

==========================================================

চলুক! চলছে যেমন...

তাঁকে এখন কেউ চেনে না সমাজে তাঁর দাম নাই,

বিপর্যস্ত একটা মানুষ

কোথাও আর নাম নাই।

সবাই তাঁকে এড়িয়ে চলে

যেনো সবার বোঝা এখন,

তাঁকে ছাড়াই হচ্ছে, হবে

ইতিহাসের পঙ্‌ক্তি লেখন।

উদাস হয়ে বসে থাকেন

সংসারে তাঁর কেউ নাই,

জীবন নদী স্রোতহারা

দূর অতীতের ঢেউ নাই।

জয়ী হয়েও পরাজিত

দারিদ্রতায় - দুর্বিপাকে,

এই লোকটাই গর্জেছিলো

একাত্তরে দেশের ডাকে!

মুক্তিযুদ্ধে তাঁর দু'হাতে

বন্দুক ও 'বম' ছিল,

রণাঙ্গনে এই সেনানী পাকসেনাদের যম ছিলো!

তারপরে হায় কী যে হলো

সেই কথা কেউ জানেনা,

নয়টি মাসের যুদ্ধ-স্মৃতি

লোকটা এখন টানেনা।

কেউ এখন আর শুনতে চায়না

আছেন তিনি কেমন,

আপন মনে লোকটা বলেন- চলুক ! চলছে যেমন...

 

গৌরব গাঁথা

-------------------

যুদ্ধের দিন গুলো

রক্তের ঋণ গুলো

কেবলই কী ইতিহাস,

কেবলই

কি স্মৃতি?

যাদুঘরে রেখে দেয়া

চাদরেতে ঢেকে দেয়া

সমরাস্ত্রের -

কিছু আকৃতি?

প্রতিদিন দেখি শুধু

ইতিহাস লেখি শুধু

শ্রেষ্ঠ অর্জন!

গৌরব গাঁথা!

স্বাধীনতা যেন হায়

মেহগনি তাকিয়ায়

স্বযতনে তুলে রাখা

কবিতার খাতা!

কাম-কাজ সেরে টেরে

মাঝে সাঝে, নেড়ে চেড়ে

আয়োজন করে খুব

ধুলো বালি ঝারা,

আমরা কী দীনহীন!

এভাবেই ভুলি ঋণ

অগনিত শহীদান-

কী চেয়েছে তাঁরা!

 

আবেগ

---------------

বলিনি তো ভাত দে আমায়!

ছেলের জন্য দুধ দে!

একটা শুধু দাবী ছিল

স্বাধীনতার যুদ্ধে ...

একটা ছিল দাবী কেবল

একটাই তো চাওয়া,

শুদ্ধ বাতাস, মুক্ত জীবন

স্বাধীন-স্বদেশ পাওয়া।

অস্ত্র ছিলো হাতে এবং

আবেগ ছিল অন্তরে,

সেই আবেগই আগুন হলো

কী যাদু এক মন্তরে।

যেই আগুনে পাক সেনাদের

দম্ভ হলো শেষ,

লক্ষ প্রানের আবেগ দিলো

সোনার বাংলাদেশ!

মন্তব্যসমূহ (০)


ব্রেকিং নিউজ

লগইন করুন


Remember me Lost your password?

Don't have account. Register

Lost Password


মন্তব্য করতে নিবন্ধন করুন