রাজলক্ষ্মী মৌসুমী
বুকের যন্রটা হঠাৎ সময় ঘড়ির মতো বেজে ওঠে।
চোখের সাথে অন্তরের কত মিল তাইনা?
বলেছিলে আমায় কাজল কালো চোখে তোমাকে বড্ড আকৃষ্ট করে।
চোখদুটো যদি ডাগর ডাগর হয় তাহলে তো কথাই নেই। কিন্তু
ছোট আর বড় কিছুনা অন্তরের কষ্টের রং সবার ই এক।
না বলা কষ্ট গুলোতে চোখের পাপড়ি ভারী হয়ে আসে। টুপটাপ ঝরে পড়ে আকাশের বৃষ্টির মতো।
বলা কওয়া নেই হঠাৎ গড়িয়ে পরছে তো পরছেই অবিরত।
চোখের বৃষ্টির কত উপমা।
শিশু ও মায়ের সম্পর্ক কত গভীর।
তৃষ্ণা পেলেই মাকে খোঁজে মরে কান্নার ভাষায়।
যেমন মাটি ও জলের কি নিগূঢ় সম্পর্ক।
কাঠফাটা রৌদ্রে ফসলের মাঠ শুকিয়ে যায়, বারিধারায় আবার সতেজ হয়ে উঠে।
আঘাত পেলেও চোখের পাতা ভিজে যায়।
শোকে আমরা চিৎকার করে অশ্রু ঝরাই।
আনন্দাশ্রুতেও চোখ ড়াড়ী হয়ে আসে। কিন্তু
পাষাণ হৃদয়ে জলের বড় অভাব।
আমি কতবার অশ্রু ধার দিয়েছি তবুও দেখিনি
সীমারের মতো পাষাণ হৃদয়ে চোখের জলধারা।
পাষাণ হৃদয়ের যন্ত্রগুলো কেমন জানিনা, তাইতো দেখার খুব সাধ জাগে।

মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন