ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি পরিবহন স্টেশনে সোমবার ছুরিকাঘাতে একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় চিকিৎসকরা এ তথ্য জানিয়েছেন। এ ছাড়া হামলাকারীও নিহত হয়েছেন জানিয়ে পুলিশ এ ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলে চিহ্নিত করেছে।
পুলিশ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘একজন সন্ত্রাসী একটি বাস থেকে নেমে একাধিক নাগরিককে ছুরিকাঘাত করে এবং পরে নিরাপত্তাকর্মী ও একজন সাধারণ নাগরিক তাকে ঘটনাস্থলেই হত্যা করে।
’
বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, হামলাকারী ইসরায়েলের সংখ্যালঘু দ্রুজ সম্প্রদায়ের সদস্য ছিলেন, যিনি শফারাম শহরের বাসিন্দা ও গত সপ্তাহে কয়েক মাস বিদেশে থাকার পর ইসরায়েলে ফিরে এসেছিলেন। আরব ভাষাভাষী দ্রুজ সম্প্রদায়ের সদস্যদের দ্বারা আক্রমণ বিরল। কারণ তারা সাধারণত ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতি দৃঢ় আনুগত্য দেখিয়ে থাকে।
হামলাটি হাইফা শহরের একটি বাস ও ট্রেন স্টেশনে ঘটে, যা উত্তর ইসরায়েলে একটি বড় উপকূলীয় শহর এবং ইহুদি ও আরব জনগণের মিশ্র আবাসস্থল।
১৯ জানুয়ারি গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইসরায়েলে প্রথম প্রাণঘাতী হামলা এটি। দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নবায়নের আলোচনায় স্থবিরতার মাঝে এটি ঘটল।
ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা ম্যাগেন ডেভিড অ্যাডম জানিয়েছে, ৭০ বছর বয়সী এক পুরুষকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছে এবং চারজন আহত ব্যক্তির চিকিৎসা ও তাদের সরানোর কাজ চলমান। ত্রিশোর্ধ এক পুরুষ ও নারী এবং ১৫ বছর বয়সী এক ছেলে গুরুতর আহত হয়েছে।
হামাস এই হামলাকে ‘বীরত্বপূর্ণ অভিযান’ হিসেবে অভিহিত করেছে এবং ইসরায়েলের ‘অপরাধের’ বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া বলে উল্লেখ করেছে।
সূত্র : এএফপি
জিবি নিউজ24ডেস্ক//

মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন