ইয়েমেন থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তবে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে তা আঘাত হানতে সক্ষম হয়নি। ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা বেন গুরিওন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে। তবে বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র তারা প্রতিহত করেছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। খবর এএফপির।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলি ভূখণ্ডে প্রবেশের আগেই প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।
গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হুথিরা লোহিত সাগরে বিভিন্ন জাহাজে আক্রমণ এবং ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে আসছে।
চলতি বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে শুরু হওয়া ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতির কারণে হামলা বন্ধ রেখেছিল হুথিরা। কিন্তু শনিবার ইয়েমেনে যুক্তরাষ্ট্রের ভয়াবহ হামলার পর তারা আবারও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করেছে।
এক বিবৃতিতে হুথিরা জানিয়েছে যে, তারা হাইপারসোনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এছাড়া লোহিত সাগরে আরও একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
মঙ্গলবার গাজা উপত্যকায় ব্যাপক সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু হওয়ার পর আক্রমণ আরও তীব্র করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে হুথি বিদ্রোহীরা।
এদিকে গাজায় বুধবার (১৯ মার্চ) ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় প্রায় ৭০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসেও সেখানে বর্বর হামলা চালানো হচ্ছে। গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেখানে মঙ্গলবার থেকে চলা হামলায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৪৩৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৩ জনই শিশু। গত ১৯ জানুয়ারি ইসরায়েল এবং হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। কিন্তু যুদ্ধবিরতি ভেঙে মঙ্গলবার গাজায় ভয়াবহ আগ্রাসন চালায় দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এরপরেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ চালায় ইসরায়েল। এখন পর্যন্ত সেখানে ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯ হাজার ৫৪৭ জনে পৌঁছেছে। আহত হয়েছে আরও অন্তত ১ লাখ ১২ হাজার ৫৪৭ জন।
বি নিউজ24ডেস্ক//

মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন