জিবি নিউজ প্রতিনিধি//
সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় গত ২৬ শে মার্চ রাতে হরিপুর বাজারে অবৈধভাবে ভারত থেকে আনা মহিষ জব্দ শেষে সেনাবাহিনীর টহল গাড়ী ফেরার পথে গাড়ীতে চোরাকারবারিদের ঢিল ছুঁড়ে ভাংচুরের ঘটনায় ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন- উপজেলার হরিপুর শিকারখাঁ গ্রামের আবুল হাসনাতের পুত্র মো হাবিবুর রহমান (৫৩), চান্দঘাট এলাকার জহির উদ্দিনের পুত্র মোহাম্মদ আলি (১৮), হেমু হাউদপাড়া গ্রামের ইদ্রিস আলির পুত্র কুতুব উদ্দিন (৫০), হরিপুর এলাকার ইব্রাহিম আলির পুত্র ইলিয়াস আলি (৫৩), লামা শ্যামপুর গ্রামের সোবানের সোহেল আহমেদ (২৬)।
হরিপুর গ্যাসফিল্ড সেনাক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, ঘটনার পর পর বিগত ২৭ মার্চ রাত সাড়ে ১২টায় হরিপুর বাজার এলাকায় সেনাবাহিনীর সাথে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রেক্ষিতে, সেনাবাহিনী কর্তৃক ঘটনাস্থল থেকে সন্দেহভাজন মোট আঠাশ (২৮) জন লোককে আটক করে। আটক পরবর্তীতে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেনা ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে সেনা হেফাজতে থাকা ২৮ জন লোকের ভাষ্য ছাড়াও অন্যান্য সোর্সের মাধ্যমে প্রকৃত আসামিদেরকে সনাক্ত করা হয়।
তথ্য সংগ্রহ শেষে (২৯ মার্চ) শনিবার জৈন্তাপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সেনা সূত্রে আরো জানানো হয়, যে ক্যাম্প হতে আটককৃত ২৮ জনের মধ্যে শুধুমাত্র ৫ জন ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা উক্ত ঘটনার সাথে পাওয়ার কারণে তাদেরকে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
এছাড়াও বাকি ২৩ জনকে মুচলেকা গ্রহণের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ ভাবে, তাদের নিজ নিজ পরিবার এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এদিকে জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল বাসার মোহাম্মদ বদরুজ্জামান হরিপুরে সেনাবাহিনীর গাড়ী ভাংচুরের ঘটনায় পাঁচজন আসামি সেনাবাহিনী কর্তৃক হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, উক্ত ঘটনায় ৭০ জনকে নামীয় এবং ১০০/১৫০ জনকে অজ্ঞাত নামীয় আসামী করে জৈন্তাপুর মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-২১। আটককৃত পাঁচজনকে শনিবার দুপুরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের পাহারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

মন্তব্যসমূহ (০) কমেন্ট করতে ক্লিক করুন